ঢাকা ০৯:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

পরকীয়ায় ধরা পড়ে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে যুবলীগ নেত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীন। পরকীয়ায় ধরা পড়ে ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ২টার দিকে গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের উপস্থিতিতে এ বিয়ে পড়ানো হয়।

তার নতুন বর মেহেরপুর সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের আনসারুল হকের ছেলে গোলাম সরোয়ার ওরফে সবুজ। তিনি এক সন্তানের জনক। সবুজের প্রথম স্ত্রী স্কুলশিক্ষক।

জানা গেছে, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের স্বামী শাহাবুদ্দীন আহমেদ প্রায় তিন মাস আগে স্ট্রোক করে মারা যান। এক সন্তানের জননী ফারহানা ইয়াসমীন গাংনী উপজেলা আওয়ামী মহিলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

বিয়েতে ওকালতির দায়িত্বপালন করেন গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাংনী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, বুড়িপোতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) সানোয়ার হোসেন ও ছেলের বাবা আনসারুল হক।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের গাংনী পৌরসভার চৌগাছা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাদের দুইজনকে আটক করে স্থানীয়রা। এরপর খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক, গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম, গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমানসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন।

পরকীয়া প্রেমের কথা অস্বীকার করে প্রথমে ধর্মভাই পরিচয় দিলেও পরে ছেলের মোবাইল রেকর্ডে দুইজনের বিভিন্ন কথোপকথন এবং অসামাজিক ছবি পাওয়া যায়। এরপর ছেলে সব কথা স্বীকার করাই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়।

গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ খালেক বলেন, দুইজনের মধ্যে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক থাকায় হাতেনাতে তাদের আটক করে স্থানীয়রা। তাদের কথা শুনে এবং সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিয়ের আয়োজন করেছি আমরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পরকীয়ায় ধরা পড়ে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে যুবলীগ নেত্রী

আপডেট সময় ০৫:৩৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীন। পরকীয়ায় ধরা পড়ে ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ২টার দিকে গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের উপস্থিতিতে এ বিয়ে পড়ানো হয়।

তার নতুন বর মেহেরপুর সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের আনসারুল হকের ছেলে গোলাম সরোয়ার ওরফে সবুজ। তিনি এক সন্তানের জনক। সবুজের প্রথম স্ত্রী স্কুলশিক্ষক।

জানা গেছে, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের স্বামী শাহাবুদ্দীন আহমেদ প্রায় তিন মাস আগে স্ট্রোক করে মারা যান। এক সন্তানের জননী ফারহানা ইয়াসমীন গাংনী উপজেলা আওয়ামী মহিলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

বিয়েতে ওকালতির দায়িত্বপালন করেন গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাংনী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, বুড়িপোতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) সানোয়ার হোসেন ও ছেলের বাবা আনসারুল হক।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের গাংনী পৌরসভার চৌগাছা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাদের দুইজনকে আটক করে স্থানীয়রা। এরপর খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক, গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম, গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমানসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন।

পরকীয়া প্রেমের কথা অস্বীকার করে প্রথমে ধর্মভাই পরিচয় দিলেও পরে ছেলের মোবাইল রেকর্ডে দুইজনের বিভিন্ন কথোপকথন এবং অসামাজিক ছবি পাওয়া যায়। এরপর ছেলে সব কথা স্বীকার করাই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়।

গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ খালেক বলেন, দুইজনের মধ্যে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক থাকায় হাতেনাতে তাদের আটক করে স্থানীয়রা। তাদের কথা শুনে এবং সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিয়ের আয়োজন করেছি আমরা।