ঢাকা ০৯:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

পরকীয়ায় ধরা পড়ে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে যুবলীগ নেত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীন। পরকীয়ায় ধরা পড়ে ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ২টার দিকে গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের উপস্থিতিতে এ বিয়ে পড়ানো হয়।

তার নতুন বর মেহেরপুর সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের আনসারুল হকের ছেলে গোলাম সরোয়ার ওরফে সবুজ। তিনি এক সন্তানের জনক। সবুজের প্রথম স্ত্রী স্কুলশিক্ষক।

জানা গেছে, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের স্বামী শাহাবুদ্দীন আহমেদ প্রায় তিন মাস আগে স্ট্রোক করে মারা যান। এক সন্তানের জননী ফারহানা ইয়াসমীন গাংনী উপজেলা আওয়ামী মহিলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

বিয়েতে ওকালতির দায়িত্বপালন করেন গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাংনী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, বুড়িপোতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) সানোয়ার হোসেন ও ছেলের বাবা আনসারুল হক।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের গাংনী পৌরসভার চৌগাছা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাদের দুইজনকে আটক করে স্থানীয়রা। এরপর খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক, গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম, গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমানসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন।

পরকীয়া প্রেমের কথা অস্বীকার করে প্রথমে ধর্মভাই পরিচয় দিলেও পরে ছেলের মোবাইল রেকর্ডে দুইজনের বিভিন্ন কথোপকথন এবং অসামাজিক ছবি পাওয়া যায়। এরপর ছেলে সব কথা স্বীকার করাই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়।

গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ খালেক বলেন, দুইজনের মধ্যে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক থাকায় হাতেনাতে তাদের আটক করে স্থানীয়রা। তাদের কথা শুনে এবং সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিয়ের আয়োজন করেছি আমরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

পরকীয়ায় ধরা পড়ে আবারও বিয়ের পিঁড়িতে যুবলীগ নেত্রী

আপডেট সময় ০৫:৩৯:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আবারও বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন মেহেরপুরের গাংনী উপজেলা পরিষদের নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীন। পরকীয়ায় ধরা পড়ে ২০ লাখ টাকা দেনমোহরে বিয়ের পিঁড়িতে বসেন তিনি।

মঙ্গলবার (২৬ মে) দুপুর ২টার দিকে গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও মেহেরপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমএ খালেকের উপস্থিতিতে এ বিয়ে পড়ানো হয়।

তার নতুন বর মেহেরপুর সদর উপজেলার হরিরামপুর গ্রামের আনসারুল হকের ছেলে গোলাম সরোয়ার ওরফে সবুজ। তিনি এক সন্তানের জনক। সবুজের প্রথম স্ত্রী স্কুলশিক্ষক।

জানা গেছে, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের স্বামী শাহাবুদ্দীন আহমেদ প্রায় তিন মাস আগে স্ট্রোক করে মারা যান। এক সন্তানের জননী ফারহানা ইয়াসমীন গাংনী উপজেলা আওয়ামী মহিলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক।

বিয়েতে ওকালতির দায়িত্বপালন করেন গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম। এ সময় উপস্থিত ছিলেন গাংনী পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি সানোয়ার হোসেন বাবলু, সাধারণ সম্পাদক আনারুল ইসলাম বাবু, বুড়িপোতা ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) সানোয়ার হোসেন ও ছেলের বাবা আনসারুল হক।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা ইয়াসমীনের গাংনী পৌরসভার চৌগাছা এলাকার ভাড়া বাসা থেকে তাদের দুইজনকে আটক করে স্থানীয়রা। এরপর খবর পেয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান এমএ খালেক, গাংনী পৌরসভার মেয়র আশরাফুল ইসলাম, গাংনী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবাইদুর রহমানসহ স্থানীয় লোকজন জড়ো হন।

পরকীয়া প্রেমের কথা অস্বীকার করে প্রথমে ধর্মভাই পরিচয় দিলেও পরে ছেলের মোবাইল রেকর্ডে দুইজনের বিভিন্ন কথোপকথন এবং অসামাজিক ছবি পাওয়া যায়। এরপর ছেলে সব কথা স্বীকার করাই তাদের বিয়ের আয়োজন করা হয়।

গাংনী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এমএ খালেক বলেন, দুইজনের মধ্যে অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক থাকায় হাতেনাতে তাদের আটক করে স্থানীয়রা। তাদের কথা শুনে এবং সিদ্ধান্ত মোতাবেক বিয়ের আয়োজন করেছি আমরা।