ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান; বাগেরহাটে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুঁটছে আতঙ্কিত মানুষ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অধিক শক্তিশালী হয়ে সুপার সাইক্লোন আম্ফান ধেয়ে আসার খবরে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আতঙ্কিত লোকজন আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরী সভায় ক্ষয়খতি যাতে কম হয় সেজন্য আগাম ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহনের পাশাপাশি জেলার ৯৭৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেয়। এরপর থেকে মানুষ গবাদী পশু ও হাঁস মুরগী নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে শুরু করে।

এদিকে ৮৫টি মেডিকেল টিমসহ দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলায় রেড ক্রিসেন্টসহ ১১ হাজার ৭০৮ জন স্বেচ্ছাসেক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সকাল থেকে মাইকিং করে জনসাধারণকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলা হচ্ছে। সুপার সাইক্লোন সিডরের ছোবলে মৃত্যুপুরী শরনখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল ও মোংলা উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্রে বিকাল থেকে আতংকিত লোকজন আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। সুন্দরবনের ঝঁকিপূর্ণ ১০টি ষ্টেশন অফিস ও টহল ফাড়ির সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পার্শ্ববর্তী বন অফিসে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এইক সাথে সুন্দরবনে অবস্থানরত সকল কর্মচারীদের সর্তক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মোংলা বন্দরে পণ্য ওঠানামা বন্ধ করে জেটি ও বহিনোঙ্গরে অবস্থানরত ১১টি জাহাজকে বন্দরের মূল চ্যানেল থেকে সরিয়ে নিরাপদে রাখা হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, এবার করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে যাওয়ায় জেলার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আগের মতো লোক গাদাগাদি করে রাখা যাবে না। সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই আশ্রয় কেন্দ্র রাখতে সংখ্যা বাড়িয়ে ৯৭৭টি করা হয়েছে। আমরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এসব আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৫ লাখ মানুষকে নিরাপদে রাখতে পারবো। সকালে সব আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। লোকজন ইতিম্যেই উঠতে শুরু করেছে। সরকার বাগেরহাট জেলার জন্য ২০০ মেট্রিক টন চাল, নগত ৩ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকার শিশু খাদ্যে, গো-খাদ্যের জন্য ২ লাখ টাকা ও ২ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ দিয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘূর্ণিঝড় আম্ফান; বাগেরহাটে আশ্রয়কেন্দ্রে ছুঁটছে আতঙ্কিত মানুষ

আপডেট সময় ০৪:২৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অধিক শক্তিশালী হয়ে সুপার সাইক্লোন আম্ফান ধেয়ে আসার খবরে আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে আতঙ্কিত লোকজন আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাটের জেলা প্রশাসন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরী সভায় ক্ষয়খতি যাতে কম হয় সেজন্য আগাম ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহনের পাশাপাশি জেলার ৯৭৭টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলে দেয়। এরপর থেকে মানুষ গবাদী পশু ও হাঁস মুরগী নিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে আসতে শুরু করে।

এদিকে ৮৫টি মেডিকেল টিমসহ দুর্যোগ মোকাবেলায় জেলায় রেড ক্রিসেন্টসহ ১১ হাজার ৭০৮ জন স্বেচ্ছাসেক প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সকাল থেকে মাইকিং করে জনসাধারণকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বলা হচ্ছে। সুপার সাইক্লোন সিডরের ছোবলে মৃত্যুপুরী শরনখোলা, মোরেলগঞ্জ, রামপাল ও মোংলা উপজেলার আশ্রয়কেন্দ্রে বিকাল থেকে আতংকিত লোকজন আশ্রয় নিতে শুরু করেছে। সুন্দরবনের ঝঁকিপূর্ণ ১০টি ষ্টেশন অফিস ও টহল ফাড়ির সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পার্শ্ববর্তী বন অফিসে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এইক সাথে সুন্দরবনে অবস্থানরত সকল কর্মচারীদের সর্তক থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। মোংলা বন্দরে পণ্য ওঠানামা বন্ধ করে জেটি ও বহিনোঙ্গরে অবস্থানরত ১১টি জাহাজকে বন্দরের মূল চ্যানেল থেকে সরিয়ে নিরাপদে রাখা হয়েছে।

বাগেরহাটের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ জানান, এবার করোনা পরিস্থিতির মধ্যে ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে যাওয়ায় জেলার আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আগের মতো লোক গাদাগাদি করে রাখা যাবে না। সবাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখেই আশ্রয় কেন্দ্র রাখতে সংখ্যা বাড়িয়ে ৯৭৭টি করা হয়েছে। আমরা সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এসব আশ্রয় কেন্দ্রে প্রায় ৫ লাখ মানুষকে নিরাপদে রাখতে পারবো। সকালে সব আশ্রয় কেন্দ্র খুলে দেয়া হয়েছে। লোকজন ইতিম্যেই উঠতে শুরু করেছে। সরকার বাগেরহাট জেলার জন্য ২০০ মেট্রিক টন চাল, নগত ৩ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকার শিশু খাদ্যে, গো-খাদ্যের জন্য ২ লাখ টাকা ও ২ হাজার প্যাকেট শুকনা খাবার বরাদ্দ দিয়েছে।