ঢাকা ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ জুলাই ২০২৬, ২৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি সংস্কার নিয়ে বিএনপির প্রতারণা জনগণের সঙ্গে: বিরোধীদলীয় নেতা এসডিজি অর্জনে নারী নেতৃত্ব অপরিহার্য : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সাংবাদিকদের নিবন্ধন ও ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা নির্ধারণে আইন সংশোধনের প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীকে ঢাকার বাইরে রাত্রিযাপন না করার পরামর্শ কর্নেল অলির সংসদে ব্যাংক ডাকাতদের ‘ডিম থেরাপি’ দেওয়ার দাবি রেহানা আক্তার রানুর স্বাস্থ্যখাতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে: সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রোহিঙ্গা সংকটের শান্তিপূর্ণ ও দ্রুততম সমাধানে সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী দুর্যোগ মোকাবিলায় সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর ইনকিলাব কালচারাল সেন্টারের দায়িত্ব ছাড়ার ঘোষণা জাবের-জুমার

করোনায় সারাদেশে পুলিশে আক্রান্ত ১১৯০, ঢাকাতে ৫৭৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সম্মুখযুদ্ধে লড়ছে পুলিশ সদস্যরা। কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত, সাধারণ মানুষকে ঘরবন্দি রাখতে, অসুস্থ মানুষকে হাসপাতালে নেয়া, করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির দাফন-কাফন সবই করছে বাহিনীটি। সংক্রমণরোধে সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখতে মাঠপর্যায়ের সামনের সারিতে থাকা পুলিশের আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। বিশেষ করে ঢাকা মহানগরীতে কর্মরত পুলিশ সদস্যরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। পুলিশের মোট আক্রান্তের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত।

সারাদেশে বুধবার পর্যন্ত পুলিশে শনাক্ত হওয়া করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৯০ জনে। এরমধ্যে ডিএমপিতে ৫৭৬ জন। আবার আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৮৫ জন পুলিশ সদস্য। এছাড়া কোয়ারেন্টাইনে আছেন এক হাজার ২৬০ জন এবং আইসোলশেন আছেন আরও ১০৮৯ জন সদস্য। মারা গেছেন ছয়জন।

পুলিশ সদরদপ্তরের একটি সূত্র দৈনিক আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সদরদপ্তর বলছে, ব্যারাকে স্বল্প জায়গার মধ্যে গাদাগাদি করে থাকা, পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে বাড়ছে সংক্রমণ। এত ঝুঁকি সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে পুলিশের দুই লক্ষাধিক সদস্য কাজ করছে। কারণ পুলিশিং একটি ইউনিক প্রফেশন। এই প্রফেশনে থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যে মেলামেশার সুযোগ রয়েছে তা অন্য কোনো প্রফেশনে নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই দিকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। তাছাড়া কোয়ারেন্টাইন এবং আইসোলেশন নিশ্চিত করতে পুলিশকে মানুষের বাড়ি বাড়ি যেতে হয়েছে। কারণ এগুলো মানুষের খুব কাছে থেকে নিশ্চিত করতে হয়।

সদরদপ্তর মনে করছে, যখন কোনো রোগীর চিকিৎসা প্রয়োজন তাকে হাসপাতালে নেওয়া সেগুলোও পুলিশকে করতে হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যানবাহনের একটু সংকট রয়েছে, তাই পুলিশের গাড়িতে করে রোগীদের পৌঁছে দিতে হয়েছে। এমনকি তাদের চিকিৎসাটাও সুনিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে। তাছাড়া দ্রব্যমূল্য, কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ করা দরকার তখনও খুব কাছে থেকে মানুষের জন্য পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। ধর্মীয় কোনো অনুষ্ঠানে ব্যাপক মানুষের সমাগম, গার্মেন্টস কিংবা অন্য পেশার মানুষ যখন সমবেত হচ্ছেন, বিক্ষোভ করছেন সেই পাবলিক অর্ডার ম্যানেজ করতে মানুষের মাঝে যেতে হচ্ছে। এই কারণেও পুলিশে আক্রান্ত বাড়ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে লক্ষ্য করে গুলি

করোনায় সারাদেশে পুলিশে আক্রান্ত ১১৯০, ঢাকাতে ৫৭৬

আপডেট সময় ১১:০১:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সম্মুখযুদ্ধে লড়ছে পুলিশ সদস্যরা। কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত, সাধারণ মানুষকে ঘরবন্দি রাখতে, অসুস্থ মানুষকে হাসপাতালে নেয়া, করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তির দাফন-কাফন সবই করছে বাহিনীটি। সংক্রমণরোধে সাধারণ মানুষকে ঘরে রাখতে মাঠপর্যায়ের সামনের সারিতে থাকা পুলিশের আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছেই। বিশেষ করে ঢাকা মহানগরীতে কর্মরত পুলিশ সদস্যরাই বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। পুলিশের মোট আক্রান্তের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) কর্মরত।

সারাদেশে বুধবার পর্যন্ত পুলিশে শনাক্ত হওয়া করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১৯০ জনে। এরমধ্যে ডিএমপিতে ৫৭৬ জন। আবার আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৮৫ জন পুলিশ সদস্য। এছাড়া কোয়ারেন্টাইনে আছেন এক হাজার ২৬০ জন এবং আইসোলশেন আছেন আরও ১০৮৯ জন সদস্য। মারা গেছেন ছয়জন।

পুলিশ সদরদপ্তরের একটি সূত্র দৈনিক আকাশকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সদরদপ্তর বলছে, ব্যারাকে স্বল্প জায়গার মধ্যে গাদাগাদি করে থাকা, পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী না থাকাসহ বিভিন্ন কারণে বাড়ছে সংক্রমণ। এত ঝুঁকি সত্ত্বেও সাধারণ মানুষের পাশে থেকে পুলিশের দুই লক্ষাধিক সদস্য কাজ করছে। কারণ পুলিশিং একটি ইউনিক প্রফেশন। এই প্রফেশনে থেকে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যে মেলামেশার সুযোগ রয়েছে তা অন্য কোনো প্রফেশনে নেই। বর্তমান পরিস্থিতিতে এই দিকটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে ওঠেছে। তাছাড়া কোয়ারেন্টাইন এবং আইসোলেশন নিশ্চিত করতে পুলিশকে মানুষের বাড়ি বাড়ি যেতে হয়েছে। কারণ এগুলো মানুষের খুব কাছে থেকে নিশ্চিত করতে হয়।

সদরদপ্তর মনে করছে, যখন কোনো রোগীর চিকিৎসা প্রয়োজন তাকে হাসপাতালে নেওয়া সেগুলোও পুলিশকে করতে হচ্ছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে যানবাহনের একটু সংকট রয়েছে, তাই পুলিশের গাড়িতে করে রোগীদের পৌঁছে দিতে হয়েছে। এমনকি তাদের চিকিৎসাটাও সুনিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে। তাছাড়া দ্রব্যমূল্য, কালোবাজারি নিয়ন্ত্রণ করা দরকার তখনও খুব কাছে থেকে মানুষের জন্য পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। ধর্মীয় কোনো অনুষ্ঠানে ব্যাপক মানুষের সমাগম, গার্মেন্টস কিংবা অন্য পেশার মানুষ যখন সমবেত হচ্ছেন, বিক্ষোভ করছেন সেই পাবলিক অর্ডার ম্যানেজ করতে মানুষের মাঝে যেতে হচ্ছে। এই কারণেও পুলিশে আক্রান্ত বাড়ছে।