ঢাকা ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

ক্ষমা চাইলেন ‘ভিক্ষা করে ভাড়া’ দিতে বলা সেই বাড়ির মালিক

এই সেই বাড়ির ফটক

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের করোনা পরিস্থিতিতে বাসা ভাড়া দিতে না পারায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ১০ শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনে ভিক্ষা করে ভাড়া পরিশোধ করতে বলা সেই বাড়ি মালিক অবশেষে ক্ষমা চেয়ছেন। মানবিক বিষয় চিন্তা না করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে হুমকিও দেন এ বাড়ির মালিক।

আজ বুধবার দুপুরে খুলশী থানাধীন হাজী নূর আহমেদ সড়কের আলী ভিলার মালিক শামসুন্নাহার বেগমের সঙ্গে কথা বলতে যান পুলিশ কর্মকর্তারা। এসময় শামসুন্নাহার বেগম ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। নিজের দোষ স্বীকার করে পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমাও চান। শিক্ষার্থীদের ভাড়ার বিষয়টি সর্বোচ্চ বিবেচনা করবেন বলে জানান ওই বাড়ির মালিক।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রণব চৌধুরী বলেন, ১০ শিক্ষার্থীর বকেয়া মেস ভাড়ার বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। আমরা বিষয়টি জানার পর বুধবার দুপুরে বাসার মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। বাড়ির মালিক এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ক্ষমা চেয়েছেন।
তিনি বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি সর্বোচ্চ বিবেচনা করবেন বলে মালিক শামসুন্নাহার বেগম আমাদের জানিয়েছেন।

আলী ভিলায় ভাড়া থাকা চবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান বলেন, মেসের সদস্যদের অধিকাংশই টিউশন করে নিজের খরচ যোগান। কিন্তু গত দুইমাস শিক্ষার্থীদের কেউই টিউশন করাতে না পারায় বাসা ভাড়া নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় তাদের। ফলে এপ্রিল মাসের বাসা ভাড়া এখনও দিতে পারেননি তারা।

মিজানুর রহমান বলেন, সবার আর্থিক সংকটের বিষয়টি বাড়ির মালিক শামসুন্নাহার বেগমকে গতকাল জানালে তিনি ভিক্ষা করে হলেও ভাড়া এনে দিতে বলেন। এমনকি ভাড়ার টাকা না দিলে বাসা থেকে কোন জিনিসপত্র নামাতে দেবেন না বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে বাড়ির মালিক শামসুন্নাহার বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

ক্ষমা চাইলেন ‘ভিক্ষা করে ভাড়া’ দিতে বলা সেই বাড়ির মালিক

আপডেট সময় ০৫:১৭:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশের করোনা পরিস্থিতিতে বাসা ভাড়া দিতে না পারায় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ১০ শিক্ষার্থীকে প্রয়োজনে ভিক্ষা করে ভাড়া পরিশোধ করতে বলা সেই বাড়ি মালিক অবশেষে ক্ষমা চেয়ছেন। মানবিক বিষয় চিন্তা না করে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে হুমকিও দেন এ বাড়ির মালিক।

আজ বুধবার দুপুরে খুলশী থানাধীন হাজী নূর আহমেদ সড়কের আলী ভিলার মালিক শামসুন্নাহার বেগমের সঙ্গে কথা বলতে যান পুলিশ কর্মকর্তারা। এসময় শামসুন্নাহার বেগম ঘটে যাওয়া ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। নিজের দোষ স্বীকার করে পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষমাও চান। শিক্ষার্থীদের ভাড়ার বিষয়টি সর্বোচ্চ বিবেচনা করবেন বলে জানান ওই বাড়ির মালিক।

খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) প্রণব চৌধুরী বলেন, ১০ শিক্ষার্থীর বকেয়া মেস ভাড়ার বিষয়ে আমরা কথা বলেছি। আমরা বিষয়টি জানার পর বুধবার দুপুরে বাসার মালিকের সঙ্গে কথা বলেছি। বাড়ির মালিক এর জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। ক্ষমা চেয়েছেন।
তিনি বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি সর্বোচ্চ বিবেচনা করবেন বলে মালিক শামসুন্নাহার বেগম আমাদের জানিয়েছেন।

আলী ভিলায় ভাড়া থাকা চবির আইন বিভাগের শিক্ষার্থী মিজানুর রহমান বলেন, মেসের সদস্যদের অধিকাংশই টিউশন করে নিজের খরচ যোগান। কিন্তু গত দুইমাস শিক্ষার্থীদের কেউই টিউশন করাতে না পারায় বাসা ভাড়া নিয়ে বিপাকে পড়তে হয় তাদের। ফলে এপ্রিল মাসের বাসা ভাড়া এখনও দিতে পারেননি তারা।

মিজানুর রহমান বলেন, সবার আর্থিক সংকটের বিষয়টি বাড়ির মালিক শামসুন্নাহার বেগমকে গতকাল জানালে তিনি ভিক্ষা করে হলেও ভাড়া এনে দিতে বলেন। এমনকি ভাড়ার টাকা না দিলে বাসা থেকে কোন জিনিসপত্র নামাতে দেবেন না বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে জানতে বাড়ির মালিক শামসুন্নাহার বেগমের সঙ্গে মুঠোফোনে কয়েকবার যোগাযোগ করে তাকে পাওয়া যায়নি।