ঢাকা ১১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এলো স্বয়ংক্রিয় করোনা প্রতিরোধক স্প্রেয়ার

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ রোগ থেকে সুরক্ষা পেতে শরীরকে জীবাণুনাশক সাবান বা স্প্রে দিয়ে পরিষ্কারের বিকল্প নেই। জরুরি প্রয়োজনে মানুষকে বাসা থেকে বের হতে হয়। বাসায় বা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সময় সারা শরীর বিশেষ করে শরীরের যেসব অঙ্গ মানুষের সংস্পর্শে আসে সেসব অংশ পরিষ্কার করা উচিত। স্বয়ংক্রিয় মেশিনে যদি এই স্প্রেয়ার ব্যবহার করা যায় তবে সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।

ট্যাসলক নিয়ে এলো এমন একটি স্বয়ংক্রিয় মেশিন যা বাসা বা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের মুখে স্থাপন করে মানুষ প্রবেশের সময় জীবাণুনাশক স্প্রে দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। ডিভাইসটির নাম অটোমেটিক অ্যান্টি করোনা স্প্রেয়ার।

ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে জীবাণুনাশক স্প্রে করতে পারে। অ্যান্টি করোনা স্প্রেয়ারের উদ্ভাবক ট্যাসলকের কর্ণধার রাদবী রেজা বলেন, করোনা ভাইরাস সারা পৃথিবীতে আতঙ্কের নাম। সামাজিক দুরত্ব এবং জীবাণুনাশক দিয়ে নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এই রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রধান হাতিয়ার। আমি যে ডিভাইসটি উদ্ভাবন করেছি সেটি বাসা, অফিস, বাজার বা মসজিদের প্রবেশ বা বাহিরের পথে স্থাপন করা যাবে। যেকেউ এই পথে ঢুকলে বা বের হলে সেন্সরের মাধ্যমে ডিভাইসটি চালু হবে। যতক্ষণ মানুষটি যন্ত্রটির মধ্যে থাকবে ততক্ষণ স্প্রেয়ারটি জীবাণুনাশক (ব্লিচ বা স্যানিটাইজার) ছেটাতে থাকবে।

অটোমেটিক অ্যান্টি করোনা স্প্রেয়ার সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, ডিভাইসটি চালু বা বন্ধ করার কোন ঝামেলা নেই। এর মধ্যে সেন্সর রয়েছে। ফলে মানুষ প্রবেশ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি চালু হয়ে যাবে। আবার মানুষ সরে গেলেই এটি বন্ধ হয়ে যাবে। যে স্প্রেয়ারটি এই ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়েছে সেটি এত নিখুঁতভাবে স্প্রে করতে পারে যে এতে ভিজে যাওয়ার কোন আশঙ্কা নেই। সহজে বহন করা যায় বলে যেকোন স্থানে এই ডিভাইসটিকে স্থাপন করে ব্যবহার করা যায়। বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলেও ১২ ভোল্টের ব্যাটারি দিয়েও এই ডিভাইসকে চালু করে ব্যবহার করা যাবে।

এই ডিভাইসের বিদ্যুৎ খরচ সামান্য। তাই বিল বাড়বে এমন আশঙ্কাও নেই। তাছাড়া এই ডিভাইসটি শুধুমাত্র মানুষ চলাচলের সময় সক্রিয় হয়। অন্যসময় বন্ধ থাকে। তাই সব সময় বিদ্যুৎ খরচ হয় না। শুধু হাত নয়, মানুষের সারা শরীর এমনকি জুতাও এই স্প্রেয়ারের মাধ্যমে জীবাণুনাশক করা সম্ভব। মোটকথা, অটোমেটিক অ্যান্টি করোনা স্প্রেয়ার ৩৬০ ডিগ্রি রোটেশনে পুরো শরীর জীবাণুমুক্ত করতে পারে। ইতোমধ্যে কুমিল্লা পুলিশ লাইনে ডিভাইসটির কার্যকারিতা সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে।অটোমেটিক অ্যান্টি করোনা স্প্রেয়ার ব্যবহার করার সময় বিশেষ সতর্কতার জন্য চোখ এবং মুখ বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন ডিভাইসটির উদ্ভাবক রাদবী রেজা।

তিনি বলেন, বাসা বা কর্মস্থলের প্রবেশদ্বারে ঝুলিয়ে বা কোন স্ট্যান্ডে রেখেও এই ডিভাইসটি ব্যবহার করা যাবে। মাত্র ১০ সেকেন্ডেই পুরো শরীরে এই স্প্রেয়ার দ্বারা স্যনিটারাইজ করা যাবে। ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০টি ডিভাইস বিক্রি হয়েছে।

শতভাগ রাসায়নিক মুক্ত এই ডিভাইসটির মূল্য ৩ হাজার ৯৯৯ টাকা। রাজধানীতে বিনামূল্যে হোম ডেলিভারি সেবা মিলবে। অগ্রিম ফরমায়েশে ঢাকার বাইরেও এই ডিভাইসটি কুরিয়ার করে পাঠানো হবে। সরকারি সহায়তা পেলে ডিভাইসটির উৎপাদন খরচ অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব বলেও জানান ট্যাসলকের স্বত্তাধিকারী রাদবী রেজা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এলো স্বয়ংক্রিয় করোনা প্রতিরোধক স্প্রেয়ার

আপডেট সময় ০৯:২৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২০

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ রোগ থেকে সুরক্ষা পেতে শরীরকে জীবাণুনাশক সাবান বা স্প্রে দিয়ে পরিষ্কারের বিকল্প নেই। জরুরি প্রয়োজনে মানুষকে বাসা থেকে বের হতে হয়। বাসায় বা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের সময় সারা শরীর বিশেষ করে শরীরের যেসব অঙ্গ মানুষের সংস্পর্শে আসে সেসব অংশ পরিষ্কার করা উচিত। স্বয়ংক্রিয় মেশিনে যদি এই স্প্রেয়ার ব্যবহার করা যায় তবে সুরক্ষা নিশ্চিত হয়।

ট্যাসলক নিয়ে এলো এমন একটি স্বয়ংক্রিয় মেশিন যা বাসা বা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের মুখে স্থাপন করে মানুষ প্রবেশের সময় জীবাণুনাশক স্প্রে দিয়ে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। ডিভাইসটির নাম অটোমেটিক অ্যান্টি করোনা স্প্রেয়ার।

ডিভাইসটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে জীবাণুনাশক স্প্রে করতে পারে। অ্যান্টি করোনা স্প্রেয়ারের উদ্ভাবক ট্যাসলকের কর্ণধার রাদবী রেজা বলেন, করোনা ভাইরাস সারা পৃথিবীতে আতঙ্কের নাম। সামাজিক দুরত্ব এবং জীবাণুনাশক দিয়ে নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এই রোগ থেকে রক্ষা পাওয়ার প্রধান হাতিয়ার। আমি যে ডিভাইসটি উদ্ভাবন করেছি সেটি বাসা, অফিস, বাজার বা মসজিদের প্রবেশ বা বাহিরের পথে স্থাপন করা যাবে। যেকেউ এই পথে ঢুকলে বা বের হলে সেন্সরের মাধ্যমে ডিভাইসটি চালু হবে। যতক্ষণ মানুষটি যন্ত্রটির মধ্যে থাকবে ততক্ষণ স্প্রেয়ারটি জীবাণুনাশক (ব্লিচ বা স্যানিটাইজার) ছেটাতে থাকবে।

অটোমেটিক অ্যান্টি করোনা স্প্রেয়ার সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, ডিভাইসটি চালু বা বন্ধ করার কোন ঝামেলা নেই। এর মধ্যে সেন্সর রয়েছে। ফলে মানুষ প্রবেশ করলেই স্বয়ংক্রিয়ভাবে এটি চালু হয়ে যাবে। আবার মানুষ সরে গেলেই এটি বন্ধ হয়ে যাবে। যে স্প্রেয়ারটি এই ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়েছে সেটি এত নিখুঁতভাবে স্প্রে করতে পারে যে এতে ভিজে যাওয়ার কোন আশঙ্কা নেই। সহজে বহন করা যায় বলে যেকোন স্থানে এই ডিভাইসটিকে স্থাপন করে ব্যবহার করা যায়। বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকলেও ১২ ভোল্টের ব্যাটারি দিয়েও এই ডিভাইসকে চালু করে ব্যবহার করা যাবে।

এই ডিভাইসের বিদ্যুৎ খরচ সামান্য। তাই বিল বাড়বে এমন আশঙ্কাও নেই। তাছাড়া এই ডিভাইসটি শুধুমাত্র মানুষ চলাচলের সময় সক্রিয় হয়। অন্যসময় বন্ধ থাকে। তাই সব সময় বিদ্যুৎ খরচ হয় না। শুধু হাত নয়, মানুষের সারা শরীর এমনকি জুতাও এই স্প্রেয়ারের মাধ্যমে জীবাণুনাশক করা সম্ভব। মোটকথা, অটোমেটিক অ্যান্টি করোনা স্প্রেয়ার ৩৬০ ডিগ্রি রোটেশনে পুরো শরীর জীবাণুমুক্ত করতে পারে। ইতোমধ্যে কুমিল্লা পুলিশ লাইনে ডিভাইসটির কার্যকারিতা সফলভাবে পরীক্ষা করা হয়েছে।অটোমেটিক অ্যান্টি করোনা স্প্রেয়ার ব্যবহার করার সময় বিশেষ সতর্কতার জন্য চোখ এবং মুখ বন্ধ রাখার পরামর্শ দিয়েছেন ডিভাইসটির উদ্ভাবক রাদবী রেজা।

তিনি বলেন, বাসা বা কর্মস্থলের প্রবেশদ্বারে ঝুলিয়ে বা কোন স্ট্যান্ডে রেখেও এই ডিভাইসটি ব্যবহার করা যাবে। মাত্র ১০ সেকেন্ডেই পুরো শরীরে এই স্প্রেয়ার দ্বারা স্যনিটারাইজ করা যাবে। ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০টি ডিভাইস বিক্রি হয়েছে।

শতভাগ রাসায়নিক মুক্ত এই ডিভাইসটির মূল্য ৩ হাজার ৯৯৯ টাকা। রাজধানীতে বিনামূল্যে হোম ডেলিভারি সেবা মিলবে। অগ্রিম ফরমায়েশে ঢাকার বাইরেও এই ডিভাইসটি কুরিয়ার করে পাঠানো হবে। সরকারি সহায়তা পেলে ডিভাইসটির উৎপাদন খরচ অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব বলেও জানান ট্যাসলকের স্বত্তাধিকারী রাদবী রেজা।