ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

৭৩ বছরের ভালোবাসার সংসার শেষ করে দিল সর্বনাশা করোনা

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুজন এক ছাদের নিচে বাস করছেন দীর্ঘ ৭৩ বছর। একজনকে ছাড়া অন্যজনের বেঁচে থাকা ভাবাই যেত না।বয়স বাড়লেও এতটুকু কমেনি তাদের প্রেম।

সেই বন্ধন মুহূর্তেই শেষ করে দিল সর্বনাশা করোনা ব্যাধী।আর তাইতো মৃত্যুর আগে দুজন দুজনকে বলে গেলেন ভালোবাসি। খবর সিএনএনের।

মহামারি কোভিড-১৯ কেড়ে নি্ল এই দুই প্রাণ। করোনায় আক্রান্ত হয়ে একসঙ্গে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী এই দম্পতি। হাতে হাত রেখে তাদের মৃত্যুর আগে শেষ কথাটি ছিল ‘আই লাভ ইউ’।

মারা যাওয়া দম্পতিদের একজন মেরি কেপলার ও তার স্বামী উইলফোর্ড। মেরির মৃত্যুর ৬ ঘণ্টা আগেই উইলফোর্ড বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এরপর পরিবারের অনুরোধে তাদের এক ঘরে রাখা হয়। মৃত্যুর পূর্বে এভাবেই তারা শয্যাশায়ী হয়ে শেষ ঘণ্টা একসঙ্গে কাটান। উইসকনসিনের মিলওয়াকির ফ্রয়েডের্ট হাসপাতালে শনিবার এই দম্পতির মৃত্যু হয়।

তাদের নাতনি নাটালি লামেকা বলেন, ‘সৃষ্টিকর্তাও বোধ হয় চাননি তারা একে অপরকে রেখে বেঁচে থাকুক। এজন্যই বোধ হয় তাঁরা একসঙ্গে মারা গেলেন। মৃত্যুর আগে তারা একে অন্যের হাত ধরে ভালোবাসি কথাটি অন্তত বলতে পেরেছেন, এটাই আমাদের সান্ত্বনা।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোস্টাল ভোটে অনিয়ম করলে প্রবাসীদের দেশে ফেরত আনার হুঁশিয়ারি ইসির

৭৩ বছরের ভালোবাসার সংসার শেষ করে দিল সর্বনাশা করোনা

আপডেট সময় ০৩:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২০

আকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দুজন এক ছাদের নিচে বাস করছেন দীর্ঘ ৭৩ বছর। একজনকে ছাড়া অন্যজনের বেঁচে থাকা ভাবাই যেত না।বয়স বাড়লেও এতটুকু কমেনি তাদের প্রেম।

সেই বন্ধন মুহূর্তেই শেষ করে দিল সর্বনাশা করোনা ব্যাধী।আর তাইতো মৃত্যুর আগে দুজন দুজনকে বলে গেলেন ভালোবাসি। খবর সিএনএনের।

মহামারি কোভিড-১৯ কেড়ে নি্ল এই দুই প্রাণ। করোনায় আক্রান্ত হয়ে একসঙ্গে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী এই দম্পতি। হাতে হাত রেখে তাদের মৃত্যুর আগে শেষ কথাটি ছিল ‘আই লাভ ইউ’।

মারা যাওয়া দম্পতিদের একজন মেরি কেপলার ও তার স্বামী উইলফোর্ড। মেরির মৃত্যুর ৬ ঘণ্টা আগেই উইলফোর্ড বেশি অসুস্থ হয়ে পড়েন।

এরপর পরিবারের অনুরোধে তাদের এক ঘরে রাখা হয়। মৃত্যুর পূর্বে এভাবেই তারা শয্যাশায়ী হয়ে শেষ ঘণ্টা একসঙ্গে কাটান। উইসকনসিনের মিলওয়াকির ফ্রয়েডের্ট হাসপাতালে শনিবার এই দম্পতির মৃত্যু হয়।

তাদের নাতনি নাটালি লামেকা বলেন, ‘সৃষ্টিকর্তাও বোধ হয় চাননি তারা একে অপরকে রেখে বেঁচে থাকুক। এজন্যই বোধ হয় তাঁরা একসঙ্গে মারা গেলেন। মৃত্যুর আগে তারা একে অন্যের হাত ধরে ভালোবাসি কথাটি অন্তত বলতে পেরেছেন, এটাই আমাদের সান্ত্বনা।’