ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী ‘যুগপৎ আন্দোলনের সময় ঘোষিত ৩১ দফা অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করা হবে’:মির্জা ফখরুল পুষ্টি ও সুস্বাস্থ্যেই গড়ে উঠবে আন্তর্জাতিক মানের ক্রীড়াবিদ: আমিনুল হক বাধ্যতামূলক অবসরে অতিরিক্ত ডিআইজি জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার কবরে রাশেদ খাঁনের শ্রদ্ধা নিবেদন মার্কিন সেনা হত্যার জন্য ইরানকে বহুগুণ বেশি মূল্য চোকাতে হবে: ট্রাম্প প্রতিটি কর্মঘণ্টা ও করের প্রতিটি টাকার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:জনপ্রশাসন উপদেষ্টা জমির উদ্দিন সরকার ছিলেন ‘জেন্টলম্যান ফর এক্সেলেন্স’: প্রধান বিচারপতি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিমসটেকের সক্রিয় ভূমিকা চায় ঢাকা কাপ্তাই হৃদে নিখোঁজ বিএনপি নেতার লাশ উদ্ধার

শিশুদের করোনা থেকে দূরে রাখতে করণীয়

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও করোনা পরিস্থিতি খারাপের দিকে চলে যাচ্ছে। প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। মারা যাচ্ছেও বেশকিছু। করোনাভাইরাসে বয়স্কদের ঝুঁকি বেশি থাকলেও শিশুদের ক্ষেত্রেও কম ঝুঁকি নয়। কারণ সহজেই শিশুদের রোগে আক্রান্ত করে ফেলতে পারে। এজন্য বয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদেরও বিশেষ নজর দিতে হবে।

করোনায় শিশুদের নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কে রয়েছেন অভিভাবকরা। এ পরিস্থিতি থেকে সন্তানদের দূরে রাখতে বিশেষজ্ঞের তথ্য অনুযায়ী কিছু করণীয় সম্পর্কে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

ভারতের মুম্বাইয়ে ক্লাউড নাইন হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. বিনয় জোশী জানান, আতঙ্ক না ছড়িয়ে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে।

এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, অন্তত ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া। হাতের দুই পিঠ খুব ভালো করে ধুতে হবে। আঙুলের খাঁজ যাতে ভালোভাবে পরিষ্কার হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

স্কুলে বা পড়তে যাওয়ার সময় অথবা বাইরে গেলে আপনার সন্তানকে ভালো হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখতে বলুন।

স্কুল যখন চালু হবে তখন সহপাঠীর জ্বর হলে খুব বেশি কাছে না ঘেঁষাই ভালো। এ সময় শিশুরা যেন হ্যান্ডশেক না করে। অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে সবাইকে।

যেসব দেশে করোনার আক্রমণ হচ্ছে, সম্প্রতি সেসব দেশ থেকে ফিরলে আপনার সন্তানকে প্রথম কয়েকদিন স্কুলে পাঠাবেন না।

যদিও স্কুল এখন বন্ধ রয়েছে। যদি খুলে দেওয়া হয়ে সেক্ষেত্রে স্কুল কর্তৃপক্ষের উচিত ক্লাসরুমের টেবিল-চেয়ার পরিচ্ছন্ন রাখা। মেঝে, দেয়াল, বাথরুম জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

হাঁচি-কাশি হলে সন্তানদের মুখে মাস্ক পরার পরামর্শ দিন। বাইরে গেলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখুন। মশলাদার খাবার খাবেন না। মাংস খাওয়ার সময় বিশেষ করে সতর্ক হোন। এখন যেকোনো অনুষ্ঠান বর্জন করতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারি হাসপাতালই যেন মানুষের একমাত্র ভরসার জায়গা হয়: প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের করোনা থেকে দূরে রাখতে করণীয়

আপডেট সময় ১০:৫৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২০

আকাশ নিউজ ডেস্ক: 

বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও করোনা পরিস্থিতি খারাপের দিকে চলে যাচ্ছে। প্রতিদিন আক্রান্তের সংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। মারা যাচ্ছেও বেশকিছু। করোনাভাইরাসে বয়স্কদের ঝুঁকি বেশি থাকলেও শিশুদের ক্ষেত্রেও কম ঝুঁকি নয়। কারণ সহজেই শিশুদের রোগে আক্রান্ত করে ফেলতে পারে। এজন্য বয়স্কদের পাশাপাশি শিশুদেরও বিশেষ নজর দিতে হবে।

করোনায় শিশুদের নিয়ে রীতিমতো আতঙ্কে রয়েছেন অভিভাবকরা। এ পরিস্থিতি থেকে সন্তানদের দূরে রাখতে বিশেষজ্ঞের তথ্য অনুযায়ী কিছু করণীয় সম্পর্কে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস।

ভারতের মুম্বাইয়ে ক্লাউড নাইন হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. বিনয় জোশী জানান, আতঙ্ক না ছড়িয়ে কিছু নির্দিষ্ট নিয়ম মানতে হবে।

এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, অন্তত ২০ সেকেন্ড সাবান দিয়ে ভালোভাবে হাত ধোয়া। হাতের দুই পিঠ খুব ভালো করে ধুতে হবে। আঙুলের খাঁজ যাতে ভালোভাবে পরিষ্কার হয়, সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

স্কুলে বা পড়তে যাওয়ার সময় অথবা বাইরে গেলে আপনার সন্তানকে ভালো হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখতে বলুন।

স্কুল যখন চালু হবে তখন সহপাঠীর জ্বর হলে খুব বেশি কাছে না ঘেঁষাই ভালো। এ সময় শিশুরা যেন হ্যান্ডশেক না করে। অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে সবাইকে।

যেসব দেশে করোনার আক্রমণ হচ্ছে, সম্প্রতি সেসব দেশ থেকে ফিরলে আপনার সন্তানকে প্রথম কয়েকদিন স্কুলে পাঠাবেন না।

যদিও স্কুল এখন বন্ধ রয়েছে। যদি খুলে দেওয়া হয়ে সেক্ষেত্রে স্কুল কর্তৃপক্ষের উচিত ক্লাসরুমের টেবিল-চেয়ার পরিচ্ছন্ন রাখা। মেঝে, দেয়াল, বাথরুম জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করতে হবে।

হাঁচি-কাশি হলে সন্তানদের মুখে মাস্ক পরার পরামর্শ দিন। বাইরে গেলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার সঙ্গে রাখুন। মশলাদার খাবার খাবেন না। মাংস খাওয়ার সময় বিশেষ করে সতর্ক হোন। এখন যেকোনো অনুষ্ঠান বর্জন করতে হবে।