ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

ফেনীতে করোনা আক্রান্তের ঘটনায় গণসংক্রমণের আশঙ্কা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ফেনীর সোনাগাজী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাব টেকনেশিয়ান আক্রান্তের ঘটনায় করোনা ভাইরাসের গণসংক্রমণ ঝুঁকিতে রয়েছে সং‌শ্লিষ্টরা। অন্য এলাকা থেকে না এসেও সংক্রমিত হওয়ায় দু‌শ্চিন্তায় পড়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, উপসর্গ ছাড়াই উপজেলায় একজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে বুধবার ১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সাতজন করোনা সংক্রমণ ব্যক্তির পরিবারের সদস্য ও পাঁচজন তার প্রতিবেশী।

সোনাগাজী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ডা. নুরুল্লাহ দৈনিক আকাশকে জানান, তার প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী আসা-যাওয়া করতেন। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তিও এলাকায় ঘোরাফেরা করতেন। এতে সামাজিক সংক্রমণ হয়েছে বলে তার আশঙ্কা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উৎপল দাশ দৈনিক আকাশসকে বলেন, অন্য কোথাও থেকে আসা-যাওয়া না করায় করোনা আক্রান্ত হওয়া দুঃশ্চিন্তার বিষয়। তবুও শনাক্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অজিত দেব দৈনিক আকাশকে জানান, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা লোকজন গণপরিবহনে চলাচল করেছে। অপরিচিতদের সঙ্গে মিশেছে। সামাজিক সংক্রমণ হওয়ায় কিছু করার নেই। তবে ল্যাবে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা ব্যক্তিদের নাম্বার দেখে তাদের নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

জানতে চাইলে সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন দৈনিক আকাশকে বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তি সোনাগাজী ক্লিনিকে কর্মরত অবস্থায় অনেকে সেবা নিতে এসেছেন। তাদের মাধ্যমেও তিনি সংক্রমিত হতে পারেন। এছাড়া তার সহকর্মীরা বাসা-বাড়ি ও স্বজনদের সংস্পর্শে ছিলেন। কতজন সংক্রমিত হয়েছেন তা নিরূপন করা সম্ভব নয়। তবে তার সঙ্গে কথা বলে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কাজ করছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

ফেনীতে করোনা আক্রান্তের ঘটনায় গণসংক্রমণের আশঙ্কা

আপডেট সময় ১১:২৮:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ফেনীর সোনাগাজী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাব টেকনেশিয়ান আক্রান্তের ঘটনায় করোনা ভাইরাসের গণসংক্রমণ ঝুঁকিতে রয়েছে সং‌শ্লিষ্টরা। অন্য এলাকা থেকে না এসেও সংক্রমিত হওয়ায় দু‌শ্চিন্তায় পড়েছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, উপসর্গ ছাড়াই উপজেলায় একজনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪১ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে বুধবার ১২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সাতজন করোনা সংক্রমণ ব্যক্তির পরিবারের সদস্য ও পাঁচজন তার প্রতিবেশী।

সোনাগাজী ক্লিনিক অ্যান্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক ডা. নুরুল্লাহ দৈনিক আকাশকে জানান, তার প্রতিষ্ঠানে প্রতিদিন অসংখ্য রোগী আসা-যাওয়া করতেন। এছাড়া আক্রান্ত ব্যক্তিও এলাকায় ঘোরাফেরা করতেন। এতে সামাজিক সংক্রমণ হয়েছে বলে তার আশঙ্কা।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. উৎপল দাশ দৈনিক আকাশসকে বলেন, অন্য কোথাও থেকে আসা-যাওয়া না করায় করোনা আক্রান্ত হওয়া দুঃশ্চিন্তার বিষয়। তবুও শনাক্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদের নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অজিত দেব দৈনিক আকাশকে জানান, আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা লোকজন গণপরিবহনে চলাচল করেছে। অপরিচিতদের সঙ্গে মিশেছে। সামাজিক সংক্রমণ হওয়ায় কিছু করার নেই। তবে ল্যাবে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করা ব্যক্তিদের নাম্বার দেখে তাদের নমুনা সংগ্রহের উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে।

জানতে চাইলে সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন দৈনিক আকাশকে বলেন, আক্রান্ত ব্যক্তি সোনাগাজী ক্লিনিকে কর্মরত অবস্থায় অনেকে সেবা নিতে এসেছেন। তাদের মাধ্যমেও তিনি সংক্রমিত হতে পারেন। এছাড়া তার সহকর্মীরা বাসা-বাড়ি ও স্বজনদের সংস্পর্শে ছিলেন। কতজন সংক্রমিত হয়েছেন তা নিরূপন করা সম্ভব নয়। তবে তার সঙ্গে কথা বলে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা কাজ করছেন।