ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের একটা বালুর ওপরও কাউকে কর্তৃত্ব করতে দেব না: শফিকুর রহমান ‘একটি দল দেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্ত করছে’ বিএনপি সরকার কোনো সময় হারিয়ে যায় না: তথ্যমন্ত্রী সাবেক ডিসি সারওয়ারকে ফিরিয়ে আনার দাবিতে শাহজালাল মাজারের দানবাক্সে চিঠি অতীতের সরকার ভোট চুরি করত, এই সরকার ফল চুরি করেছে: হাসনাত আবদুল্লাহ সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে : ডিএনসিসি প্রশাসক দেশে আগামী ১০০ বছরেও আর কোনো গণ-অভ্যুত্থান হবে না: রুমিন ফারহানা ১৬ জুলাই পর্যন্ত চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত নাম থেকে বাবার পদবি মুছে ফেললেন নেতানিয়াহুর ছেলে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীদের ক্ষমা চাইতে হবে: মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

শহীদ মিনারে নায়করাজকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী অভিনেতা রাজ্জাকের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ সেখানে নেওয়া হয়। সেখানে নায়করাজ রাজ্জাককে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়েদুল কাদের, , সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খানসহ সর্বস্তরের মানুষ।

শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দুপুর সোয়া ১টার দিকে তার মরদেহ গুলশানে আজাদ মসজিদ প্রাঙ্গণে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে। এর আগে সকাল ১১টার দিকে গুণী এই চলচ্চিত্র অভিনেতার মরদেহ এফডিসিতে নেওয়া হয়। সেখানে চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, শিল্পী ও কলাকুশলীরা রাজ্জাককে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের প্রবাদপুরুষ ও কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি পাঁচ সন্তানসহ, অসংখ্য বন্ধু-বান্ধব, ভক্ত, অনুসারী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রাজ্জাক ১৯৪২ সালে ২৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা সিনেমায় ‘নায়করাজ’ উপাধি পেয়েছিলেন তিনি।

ষাটের দশকের মাঝামাঝি তিনি চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। সত্তরের দশকে তাকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে প্রধান অভিনেতা হিসেবে বিবেচনা করা হত। তিনি একাধারে অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে সুনাম অর্জন করেন। আখেরি স্টেশন, বেহুলা, আগুন নিয়ে খেলা, এতটুকু আশা, নীল আকাশের নীচে, জীবন থেকে নেয়া, নাচের পুতুল, অশ্রু দিয়ে লেখা, ওরা ১১ জন, অবুঝ মন, রংবাজ, আলোর মিছিল তার ক্যারিয়ারের অন্যতম মাইলফলক।

নায়করাজ রাজ্জাক পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পান। এছাড়া ইন্দো-বাংলা কলা মিউজিক পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কার, আজীবন সম্মাননা (চলচ্চিত্র), ইফাদ ফিল্ম ক্লাব পুরস্কার পান তিনি। নায়করাজের মৃত্যুর খবর শুনে ইউনাইটেড হাসপাতালে ছুটে যান নায়ক আলমগীর, ফেরদৌস, ওমরসানি, গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও চলচ্চিত্র জগতের কলাকুশলীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যে বাড়িতে সংসার শুরু সেই বাড়িটি কিনলেন শাহরুখ

শহীদ মিনারে নায়করাজকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা

আপডেট সময় ০১:৪৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলা চলচ্চিত্রের কিংবদন্তী অভিনেতা রাজ্জাকের মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদনের জন্য তার মরদেহ সেখানে নেওয়া হয়। সেখানে নায়করাজ রাজ্জাককে শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেতুমন্ত্রী ওবায়েদুল কাদের, , সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর, বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম খানসহ সর্বস্তরের মানুষ।

শহীদ মিনারে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পর দুপুর সোয়া ১টার দিকে তার মরদেহ গুলশানে আজাদ মসজিদ প্রাঙ্গণে নেওয়া হবে। সেখানে জানাজা শেষে বনানী কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে। এর আগে সকাল ১১টার দিকে গুণী এই চলচ্চিত্র অভিনেতার মরদেহ এফডিসিতে নেওয়া হয়। সেখানে চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, শিল্পী ও কলাকুশলীরা রাজ্জাককে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার (২১ আগস্ট) রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে সন্ধ্যা ৬টা ১৩ মিনিটে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বাংলা চলচ্চিত্রের প্রবাদপুরুষ ও কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাক। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি পাঁচ সন্তানসহ, অসংখ্য বন্ধু-বান্ধব, ভক্ত, অনুসারী ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। রাজ্জাক ১৯৪২ সালে ২৩ জানুয়ারি পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার টালিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। বাংলা সিনেমায় ‘নায়করাজ’ উপাধি পেয়েছিলেন তিনি।

ষাটের দশকের মাঝামাঝি তিনি চলচ্চিত্র জীবন শুরু করেন। সত্তরের দশকে তাকে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পে প্রধান অভিনেতা হিসেবে বিবেচনা করা হত। তিনি একাধারে অভিনেতা, প্রযোজক ও পরিচালক হিসেবে সুনাম অর্জন করেন। আখেরি স্টেশন, বেহুলা, আগুন নিয়ে খেলা, এতটুকু আশা, নীল আকাশের নীচে, জীবন থেকে নেয়া, নাচের পুতুল, অশ্রু দিয়ে লেখা, ওরা ১১ জন, অবুঝ মন, রংবাজ, আলোর মিছিল তার ক্যারিয়ারের অন্যতম মাইলফলক।

নায়করাজ রাজ্জাক পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ অভিনেতার পুরস্কার পান। এছাড়া ইন্দো-বাংলা কলা মিউজিক পুরস্কার, বাচসাস পুরস্কার, আজীবন সম্মাননা (চলচ্চিত্র), ইফাদ ফিল্ম ক্লাব পুরস্কার পান তিনি। নায়করাজের মৃত্যুর খবর শুনে ইউনাইটেড হাসপাতালে ছুটে যান নায়ক আলমগীর, ফেরদৌস, ওমরসানি, গীতিকার গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও চলচ্চিত্র জগতের কলাকুশলীরা।