ঢাকা ০৯:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

ইতালি বা স্পেনের পরিস্থিতি না চাইলে ঘরে থাকুন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এসময় সাধারণ মানুষকে ঘরের থাকার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, আপনারা কী ইতালি বা স্পেনের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখতে চান? যদি না দেখতে চান তাহলে আমাদের দেয়া দিক-নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন। আপনারা ঘরে থাকুন।

রবিবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকের মাধ্যমে দেশবাসীকে এই আহ্বান জানান মন্ত্রী। এর আগে মন্ত্রী করোনা ভাইরাসে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য করণীয় বিষয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় যোগ দেন।

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ রাস্তায় বের হলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘হোম কোয়ারেন্টাইন না মানলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা বিদেশ থেকে আসছেন এবং কোয়ারেন্টাইন মানছেন না; আপনারা কী ইতালি বা স্পেনের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখতে চান? যদি না দেখতে চান তাহলে আমাদের দেয়া দিক-নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন। আপনারা বাসায় থাকুন। দেশের প্রতি মমতা থাকলে আপনারা ঘর থেকে বের হবেন না, আইসোলেশন থেকে বের হবেন না।’

প্রবাসীদের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাচাই-বাছাই করে বাংলাদেশে ফেরত আনা হবে। তবে তাদের মধ্যে কেউ যদি গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকে তাহলে তাদের ব্যাপারে অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে। দেশে ফেরত আনা প্রবাসীকে বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে।

সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন বলেন, প্রবাসীরা দেশের সম্পদ। এই দুঃসময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। বিভিন্ন দেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু প্রবাসী বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হচ্ছে। এর ফলে সেসব দেশের সাথে বাংলাদেশের শ্রম কূটনৈতিক সম্পর্ক সুসংহত হবে এবং কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রাধান্য পাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

ইতালি বা স্পেনের পরিস্থিতি না চাইলে ঘরে থাকুন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৯:০৫:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২০

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দেশে ক্রমেই বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এসময় সাধারণ মানুষকে ঘরের থাকার আহ্বান জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, আপনারা কী ইতালি বা স্পেনের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখতে চান? যদি না দেখতে চান তাহলে আমাদের দেয়া দিক-নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন। আপনারা ঘরে থাকুন।

রবিবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে জরুরি বৈঠক শেষে সাংবাদিকের মাধ্যমে দেশবাসীকে এই আহ্বান জানান মন্ত্রী। এর আগে মন্ত্রী করোনা ভাইরাসে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য করণীয় বিষয়ে একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় যোগ দেন।

জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ রাস্তায় বের হলে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে মন্ত্রী বলেন, ‘হোম কোয়ারেন্টাইন না মানলে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে। যারা বিদেশ থেকে আসছেন এবং কোয়ারেন্টাইন মানছেন না; আপনারা কী ইতালি বা স্পেনের মতো ভয়াবহ পরিস্থিতি দেখতে চান? যদি না দেখতে চান তাহলে আমাদের দেয়া দিক-নির্দেশনাগুলো মেনে চলুন। আপনারা বাসায় থাকুন। দেশের প্রতি মমতা থাকলে আপনারা ঘর থেকে বের হবেন না, আইসোলেশন থেকে বের হবেন না।’

প্রবাসীদের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাচাই-বাছাই করে বাংলাদেশে ফেরত আনা হবে। তবে তাদের মধ্যে কেউ যদি গুরুতর অপরাধে জড়িত থাকে তাহলে তাদের ব্যাপারে অন্য কোনো সিদ্ধান্ত নেয়া হতে পারে। দেশে ফেরত আনা প্রবাসীকে বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টিনে রাখা হবে।

সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ. কে আব্দুল মোমেন বলেন, প্রবাসীরা দেশের সম্পদ। এই দুঃসময়ে তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের মানবিক দায়িত্ব। বিভিন্ন দেশের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে কিছু প্রবাসী বাংলাদেশিকে ফেরত আনা হচ্ছে। এর ফলে সেসব দেশের সাথে বাংলাদেশের শ্রম কূটনৈতিক সম্পর্ক সুসংহত হবে এবং কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ প্রাধান্য পাবে।