ঢাকা ১১:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬, ১৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন আমাদের ব্যবহার করতে চেয়েছিল, বের হয়েছি ইসলামের কল্যাণে: রেজাউল করীম ‘যারা দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে, তারা বেঈমান’:আজহারুল ইসলাম ১২ ফেব্রুয়ারি রাজনীতির চেহারা পাল্টে দিতে পারে: রুমিন ফারহানা তারেক রহমানের ওপর বিশ্বাসে করে দেখেন ইনশাআল্লাহ বাংলাদেশ ঠকবে না: পার্থ নির্বাচনে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা গণভোটের পক্ষে–বিপক্ষে যাবেন না: ইসি আনোয়ারুল রাষ্ট্র পরিচালানার জন্য অভিজ্ঞতার দরকার আছে: নজরুল ইসলাম একটি দল ‘স্বৈরাচারী ভাষায়’ বিএনপির বিরুদ্ধে মিথ্যাচার করছে: তারেক রহমান নির্বাচনে পুলিশ নিরপেক্ষতা ও দায়িত্ববোধের প্রমাণ রাখবে: আইজিপি ‘বাংলাদেশের জন্য খারাপ লাগছে, এভাবে বিশ্বকাপ খেলতে চাইনি’

ফখরুল কথায় কথায় গণতন্ত্র জপেন কিন্তু সংসদে আসতে চান না: হানিফ

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী দলীয় জনপ্রতিনিধিদের শপথ নিয়ে বিএনপি মহাসচিবের কড়াকড়ি অবস্থানের সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি বলেছেন, মির্জা ফখরুল কথায় কথায় গণতন্ত্রের কথা বলেন। কিন্তু কাজ করেন উল্টো, গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদে আসতে চান না। দলের জনপ্রতিনিধিদের সংসদে আসতে দিতে চান না।

শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চার নারী সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, হতে পারে একাদশ নির্বাচনে ভরাডুবির লজ্জায় বিএনপি সংসদে আসতে চাইছে না। তবে আমরা মনে করি জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে নৈতিক দায় থেকে তাদের সংসদে আসা উচিত। সংসদে না এলে জনগণ আর কোনো দিন তাদের ভোট দেবে না। অপকর্ম করলে মানুষ ভোট দেবে কেন-এমন প্রশ্নও রাখেন তিনি।

ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা আরও বলেন, বিএনপির একজন ইতিমধ্যে শপথ নিয়েছেন। আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই। বাকিরা ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই শপথ নিয়ে জনগণের রায়কে সম্মান করবেন বলে আশা করছি।

আওয়ামী লীগের এ মুখপাত্র বলেন, তারেক রহমান অপরাধ করে দেশ ও তার পরিবারের বদনাম করেছেন। বেগম জিয়া তার পুত্রদের ভালো সন্তান হিসেবে গড়ে তুলতে পারেননি। তিনি (খালেদা জিয়া) মা ও প্রধানমন্ত্রী উভয় ক্ষেত্রেই ব্যর্থ খালেদা।

মোবাইল, ফেসবুকের অপব্যবহার বিষয়ে মায়েদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে হানিফ বলেন, ২০১৭ সালে ৯০ শতাংশ বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে ফেসবুকের কারণে। ছেলেমেয়েরা সার্বক্ষণিক ফেসবুকে থাকছে। অভিভাবকদের এদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। অভিভাবকদের লক্ষ্য রাখতে হবে তাদের সন্তানরা কী করে কোথায় যায়।

ঢাকা মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেরা বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাফিয়া খাতুন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মহিলা সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা, নার্গিস রহমান, শবনম শিলা, জিন্নাতুল বাকিয়াকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে নাসীরুদ্দীনের ক্রমাগত মিথ্যাচার ভাইরাল হওয়ার কৌশল: মাহদী আমিন

ফখরুল কথায় কথায় গণতন্ত্র জপেন কিন্তু সংসদে আসতে চান না: হানিফ

আপডেট সময় ০২:৪৪:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৯

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

একাদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী দলীয় জনপ্রতিনিধিদের শপথ নিয়ে বিএনপি মহাসচিবের কড়াকড়ি অবস্থানের সমালোচনা করেছেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল আলম হানিফ। তিনি বলেছেন, মির্জা ফখরুল কথায় কথায় গণতন্ত্রের কথা বলেন। কিন্তু কাজ করেন উল্টো, গণতান্ত্রিক নির্বাচনে জয়ী হয়ে সংসদে আসতে চান না। দলের জনপ্রতিনিধিদের সংসদে আসতে দিতে চান না।

শুক্রবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে চার নারী সংসদ সদস্যের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

মাহবুব-উল আলম হানিফ বলেন, হতে পারে একাদশ নির্বাচনে ভরাডুবির লজ্জায় বিএনপি সংসদে আসতে চাইছে না। তবে আমরা মনে করি জনগণের রায়ের প্রতি সম্মান জানিয়ে নৈতিক দায় থেকে তাদের সংসদে আসা উচিত। সংসদে না এলে জনগণ আর কোনো দিন তাদের ভোট দেবে না। অপকর্ম করলে মানুষ ভোট দেবে কেন-এমন প্রশ্নও রাখেন তিনি।

ক্ষমতাসীন দলের এই নেতা আরও বলেন, বিএনপির একজন ইতিমধ্যে শপথ নিয়েছেন। আমরা তাকে অভিনন্দন জানাই। বাকিরা ৩০ এপ্রিলের মধ্যেই শপথ নিয়ে জনগণের রায়কে সম্মান করবেন বলে আশা করছি।

আওয়ামী লীগের এ মুখপাত্র বলেন, তারেক রহমান অপরাধ করে দেশ ও তার পরিবারের বদনাম করেছেন। বেগম জিয়া তার পুত্রদের ভালো সন্তান হিসেবে গড়ে তুলতে পারেননি। তিনি (খালেদা জিয়া) মা ও প্রধানমন্ত্রী উভয় ক্ষেত্রেই ব্যর্থ খালেদা।

মোবাইল, ফেসবুকের অপব্যবহার বিষয়ে মায়েদের সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়ে হানিফ বলেন, ২০১৭ সালে ৯০ শতাংশ বিবাহবিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে ফেসবুকের কারণে। ছেলেমেয়েরা সার্বক্ষণিক ফেসবুকে থাকছে। অভিভাবকদের এদিকে দৃষ্টি দিতে হবে। অভিভাবকদের লক্ষ্য রাখতে হবে তাদের সন্তানরা কী করে কোথায় যায়।

ঢাকা মহানগর মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাবেরা বেগমের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাফিয়া খাতুন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মহিলা সংসদ সদস্য ফজিলাতুন্নেছা ইন্দিরা, নার্গিস রহমান, শবনম শিলা, জিন্নাতুল বাকিয়াকে সংবর্ধনা দেয়া হয়।