ঢাকা ১২:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ডিবির জালে ধরা পড়ল চক্রের ৪ সদস্য

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শামীমা আপা, আমি গরীব আমার জন্য কি বড় লোকের মেয়ে পাত্রী মেনেজ করা যাবে। পাত্রী যে রকমই হোক সমস্যা নাই। আমি চাই তাকে বিয়ে করে বড়লোক হতে। চাটুকর বিজ্ঞাপন দেখে বিয়ে করে বিদেশ কিংবা প্রচুর অর্থ সম্পদের মালিক হতে অনেক অবিবাহিত ছেলেরা ভয়ংকর প্রতারণার ফাঁদে পা দিচ্ছে। তাদের স্বপ্নকে পুঁজি করে প্রতারণার মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ছদ্মবেশি ঘটকরা। ঘটকালীর আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে তারা।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর বারিধারা এলাকার জগ্ননাথপুর সুপার মার্কেটের ৩য় তলা অফিস থেকে এই চক্রের মূলহোতা ঘটক দেলোয়ার হোসেন ওরফে করিম ঘটকসহ (৪৭) চারজনকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগ।

গ্রেফতারকৃত চক্রের বাকী তিন সদস্যরা হলো, আমিরুল হক (৫২), শামীম আক্তার (৪২) শ্রী তুলনা রানী দাস (২৭)। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নিশাত রহমান যুগান্তরকে বলেন, চাটুকর বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিল। বিদেশি পাত্রী ও ধণাঢ্য পরিবারের মেয়েদের সঙ্গে বিয়ে দেয়ার কথা বলে আগ্রহীদের কাছ থেকে ৫০ থেকে এক লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন চক্রটি। তাদের বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, বিজ্ঞাপন দেখে কেউ ফোন দিলে তাকে অফিসে ডেকে আনা হয়। অফিসে কর্মরত তুলনা রানীকে প্রবাসী পাত্রী ও শামীমা আক্তারকে তার মা সাজিয়ে পাত্রের সামনে হাজির করা হয়। আর চাচা সাজানো হয় আমিরুল হককে। এভাবে পাত্রী দেখিয়ে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করা হয়। কয়েকদিন পরে ৫০ থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে অফিসে আসতে বলা হয়। টাকা নিয়ে অফিসে আসার পর আপত্তিকর অবস্থায় মেয়ের সঙ্গে ছবি তুলা হয়। তার টাকা রেখে হুমকি দিয়ে বের করে দেয়া হয় আগ্রহী পাত্রকে।

সূত্রটি আরও জানায়, চক্রটি ২০০০ সাল থেকে ঘটকালির আড়ালে এভাবে প্রতারণা করে আসছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটি এ রকম ২০-২৫টি অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ডিবির জালে ধরা পড়ল চক্রের ৪ সদস্য

আপডেট সময় ০৮:৪৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শামীমা আপা, আমি গরীব আমার জন্য কি বড় লোকের মেয়ে পাত্রী মেনেজ করা যাবে। পাত্রী যে রকমই হোক সমস্যা নাই। আমি চাই তাকে বিয়ে করে বড়লোক হতে। চাটুকর বিজ্ঞাপন দেখে বিয়ে করে বিদেশ কিংবা প্রচুর অর্থ সম্পদের মালিক হতে অনেক অবিবাহিত ছেলেরা ভয়ংকর প্রতারণার ফাঁদে পা দিচ্ছে। তাদের স্বপ্নকে পুঁজি করে প্রতারণার মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ছদ্মবেশি ঘটকরা। ঘটকালীর আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে তারা।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর বারিধারা এলাকার জগ্ননাথপুর সুপার মার্কেটের ৩য় তলা অফিস থেকে এই চক্রের মূলহোতা ঘটক দেলোয়ার হোসেন ওরফে করিম ঘটকসহ (৪৭) চারজনকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগ।

গ্রেফতারকৃত চক্রের বাকী তিন সদস্যরা হলো, আমিরুল হক (৫২), শামীম আক্তার (৪২) শ্রী তুলনা রানী দাস (২৭)। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নিশাত রহমান যুগান্তরকে বলেন, চাটুকর বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিল। বিদেশি পাত্রী ও ধণাঢ্য পরিবারের মেয়েদের সঙ্গে বিয়ে দেয়ার কথা বলে আগ্রহীদের কাছ থেকে ৫০ থেকে এক লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন চক্রটি। তাদের বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, বিজ্ঞাপন দেখে কেউ ফোন দিলে তাকে অফিসে ডেকে আনা হয়। অফিসে কর্মরত তুলনা রানীকে প্রবাসী পাত্রী ও শামীমা আক্তারকে তার মা সাজিয়ে পাত্রের সামনে হাজির করা হয়। আর চাচা সাজানো হয় আমিরুল হককে। এভাবে পাত্রী দেখিয়ে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করা হয়। কয়েকদিন পরে ৫০ থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে অফিসে আসতে বলা হয়। টাকা নিয়ে অফিসে আসার পর আপত্তিকর অবস্থায় মেয়ের সঙ্গে ছবি তুলা হয়। তার টাকা রেখে হুমকি দিয়ে বের করে দেয়া হয় আগ্রহী পাত্রকে।

সূত্রটি আরও জানায়, চক্রটি ২০০০ সাল থেকে ঘটকালির আড়ালে এভাবে প্রতারণা করে আসছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটি এ রকম ২০-২৫টি অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।