ঢাকা ০৯:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২৬, ১৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভোটের হিসাব কড়ায়-গণ্ডায় বুঝে আনতে হবে: তারেক রহমান স্ত্রী-সন্তান হারানো ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দামের হাইকোর্টে জামিন মিরসরাইয়ে সামরিক ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন করবে সরকার : বিডা চেয়ারম্যান এত তালা কেনার টাকা নেই যে নারীদের ঘরে বদ্ধ করে রাখব: জামায়াত আমির একটি দল ভাবছে দেশটা তাদের হয়ে গেছে : মির্জা আব্বাস সব হাসপাতালকে জরুরি নির্দেশনা শিক্ষিত, ভদ্র ও নীতিবান মানুষদের নেতৃত্বে নিয়ে আসুন: মামুনুল হক যুক্তরাষ্ট্রে ৮ যাত্রী নিয়ে বোম্বার্ডিয়ার জেট বিধ্বস্ত শেখ হাসিনা পালিয়ে আমাদের বিপদে ফেলে গেছেন,তিনি থাকলে অন্তত একটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চলত: মির্জা ফখরুল দুই হত্যা মামলায় হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

ডিবির জালে ধরা পড়ল চক্রের ৪ সদস্য

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শামীমা আপা, আমি গরীব আমার জন্য কি বড় লোকের মেয়ে পাত্রী মেনেজ করা যাবে। পাত্রী যে রকমই হোক সমস্যা নাই। আমি চাই তাকে বিয়ে করে বড়লোক হতে। চাটুকর বিজ্ঞাপন দেখে বিয়ে করে বিদেশ কিংবা প্রচুর অর্থ সম্পদের মালিক হতে অনেক অবিবাহিত ছেলেরা ভয়ংকর প্রতারণার ফাঁদে পা দিচ্ছে। তাদের স্বপ্নকে পুঁজি করে প্রতারণার মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ছদ্মবেশি ঘটকরা। ঘটকালীর আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে তারা।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর বারিধারা এলাকার জগ্ননাথপুর সুপার মার্কেটের ৩য় তলা অফিস থেকে এই চক্রের মূলহোতা ঘটক দেলোয়ার হোসেন ওরফে করিম ঘটকসহ (৪৭) চারজনকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগ।

গ্রেফতারকৃত চক্রের বাকী তিন সদস্যরা হলো, আমিরুল হক (৫২), শামীম আক্তার (৪২) শ্রী তুলনা রানী দাস (২৭)। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নিশাত রহমান যুগান্তরকে বলেন, চাটুকর বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিল। বিদেশি পাত্রী ও ধণাঢ্য পরিবারের মেয়েদের সঙ্গে বিয়ে দেয়ার কথা বলে আগ্রহীদের কাছ থেকে ৫০ থেকে এক লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন চক্রটি। তাদের বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, বিজ্ঞাপন দেখে কেউ ফোন দিলে তাকে অফিসে ডেকে আনা হয়। অফিসে কর্মরত তুলনা রানীকে প্রবাসী পাত্রী ও শামীমা আক্তারকে তার মা সাজিয়ে পাত্রের সামনে হাজির করা হয়। আর চাচা সাজানো হয় আমিরুল হককে। এভাবে পাত্রী দেখিয়ে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করা হয়। কয়েকদিন পরে ৫০ থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে অফিসে আসতে বলা হয়। টাকা নিয়ে অফিসে আসার পর আপত্তিকর অবস্থায় মেয়ের সঙ্গে ছবি তুলা হয়। তার টাকা রেখে হুমকি দিয়ে বের করে দেয়া হয় আগ্রহী পাত্রকে।

সূত্রটি আরও জানায়, চক্রটি ২০০০ সাল থেকে ঘটকালির আড়ালে এভাবে প্রতারণা করে আসছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটি এ রকম ২০-২৫টি অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টাঙ্গাইলে মেডিকেল কলেজে নারী ওয়াশরুমে গোপন ক্যামেরা, চিকিৎসক আটক

ডিবির জালে ধরা পড়ল চক্রের ৪ সদস্য

আপডেট সময় ০৮:৪৬:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ ডিসেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শামীমা আপা, আমি গরীব আমার জন্য কি বড় লোকের মেয়ে পাত্রী মেনেজ করা যাবে। পাত্রী যে রকমই হোক সমস্যা নাই। আমি চাই তাকে বিয়ে করে বড়লোক হতে। চাটুকর বিজ্ঞাপন দেখে বিয়ে করে বিদেশ কিংবা প্রচুর অর্থ সম্পদের মালিক হতে অনেক অবিবাহিত ছেলেরা ভয়ংকর প্রতারণার ফাঁদে পা দিচ্ছে। তাদের স্বপ্নকে পুঁজি করে প্রতারণার মাধ্যমে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন ছদ্মবেশি ঘটকরা। ঘটকালীর আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে তারা।

সোমবার দুপুরে রাজধানীর বারিধারা এলাকার জগ্ননাথপুর সুপার মার্কেটের ৩য় তলা অফিস থেকে এই চক্রের মূলহোতা ঘটক দেলোয়ার হোসেন ওরফে করিম ঘটকসহ (৪৭) চারজনকে গ্রেফতার করে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উত্তর বিভাগ।

গ্রেফতারকৃত চক্রের বাকী তিন সদস্যরা হলো, আমিরুল হক (৫২), শামীম আক্তার (৪২) শ্রী তুলনা রানী দাস (২৭)। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার নিশাত রহমান যুগান্তরকে বলেন, চাটুকর বিজ্ঞাপন দিয়ে মানুষের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণা করে আসছিল। বিদেশি পাত্রী ও ধণাঢ্য পরিবারের মেয়েদের সঙ্গে বিয়ে দেয়ার কথা বলে আগ্রহীদের কাছ থেকে ৫০ থেকে এক লাখ টাকা হাতিয়ে নিতেন চক্রটি। তাদের বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় একটি মামলা করা হয়েছে।

ডিবি সূত্রে জানা গেছে, বিজ্ঞাপন দেখে কেউ ফোন দিলে তাকে অফিসে ডেকে আনা হয়। অফিসে কর্মরত তুলনা রানীকে প্রবাসী পাত্রী ও শামীমা আক্তারকে তার মা সাজিয়ে পাত্রের সামনে হাজির করা হয়। আর চাচা সাজানো হয় আমিরুল হককে। এভাবে পাত্রী দেখিয়ে প্রথমে রেজিষ্ট্রেশন করা হয়। কয়েকদিন পরে ৫০ থেকে এক লাখ টাকা নিয়ে অফিসে আসতে বলা হয়। টাকা নিয়ে অফিসে আসার পর আপত্তিকর অবস্থায় মেয়ের সঙ্গে ছবি তুলা হয়। তার টাকা রেখে হুমকি দিয়ে বের করে দেয়া হয় আগ্রহী পাত্রকে।

সূত্রটি আরও জানায়, চক্রটি ২০০০ সাল থেকে ঘটকালির আড়ালে এভাবে প্রতারণা করে আসছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চক্রটি এ রকম ২০-২৫টি অপরাধের কথা স্বীকার করেছে।