ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

অর্থ আত্মসাৎ: সিভিল সার্জনসহ দুজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. শাহ মোজাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুদক।

এ ছাড়াও একই অভিযোগে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলাদারের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার পটুয়াখালী দুদকের উপসহকারী পরিচালক মানিক লাল দাস বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শহিদুল ইসলাম এম এস কোর্সে দুই বছরের ছুটিতে যান। ওই পদে দায়িত্ব দেয়া হয় পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. শাহ মোজাহেদুল ইসলামকে।

২০১৭-১৯ অর্থ বছরে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে কমিউনিটি বেইজ হেলথ কেয়ার (সিপিএইসসি) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন খাতে ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

সিভিল সার্জন ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে বরাদ্ধের অনুকূলে খরচ দেখিয়ে পটুয়াখালী ইসলামী ব্যাংক শাখার মাধ্যমে নিজ নামে রংপুর সাউথ ইস্ট ব্যাংক এবং তার ছেলে ডা. জাহিদুল ইসলামের সৈয়দপুর সিটি ব্যাংক শাখার মাধ্যমে ২৬ লাখ ৬৭ হাজার ৯৮৯ টাকা পাঠিয়ে আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় দুদকের প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে পটুয়াখালী দুদকের উপসহকারী পরিচালক মানিক লাল দাস ১৩ নভেম্বর পটুয়াখালী সদর থানায় সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

এদিকে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. শাহ মোজাহেদুল ইসলাম ও কলাপাড়া স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে কলাপাড়া থানায় একই দিনে আরও একটি মামলা দায়ের করেন।

দুদক মামলায় উল্লেখ করে,স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কলাপাড়া উপজেলায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও মেরামত এবং রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। উল্লেখিত দুই ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশ করে ১০ লাখ টাকার মধ্যে ৯ লাখ ২৯ হাজার ৬৮৫ টাকা আত্মসাৎ করে অফিসে ভুয়া বিল ভাউচার সংরক্ষণ করেন।

আত্মসাতকৃত ৯ লাখ ২৯ হাজার ৬৮৫ টাকার মধ্যে ডা. চিন্ময় হাওলাদার পটুয়াখালী সিভিল সার্জনকে ৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা দেন এবং বাকি অর্থ নিজেই আত্মসাৎ করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অর্থ আত্মসাৎ: সিভিল সার্জনসহ দুজনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

আপডেট সময় ০৮:০৭:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. শাহ মোজাহেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করেছে দুদক।

এ ছাড়াও একই অভিযোগে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. চিন্ময় হাওলাদারের বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মঙ্গলবার পটুয়াখালী দুদকের উপসহকারী পরিচালক মানিক লাল দাস বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শহিদুল ইসলাম এম এস কোর্সে দুই বছরের ছুটিতে যান। ওই পদে দায়িত্ব দেয়া হয় পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. শাহ মোজাহেদুল ইসলামকে।

২০১৭-১৯ অর্থ বছরে দুমকি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ে কমিউনিটি বেইজ হেলথ কেয়ার (সিপিএইসসি) স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন খাতে ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়।

সিভিল সার্জন ভুয়া বিল ভাউচার তৈরি করে বরাদ্ধের অনুকূলে খরচ দেখিয়ে পটুয়াখালী ইসলামী ব্যাংক শাখার মাধ্যমে নিজ নামে রংপুর সাউথ ইস্ট ব্যাংক এবং তার ছেলে ডা. জাহিদুল ইসলামের সৈয়দপুর সিটি ব্যাংক শাখার মাধ্যমে ২৬ লাখ ৬৭ হাজার ৯৮৯ টাকা পাঠিয়ে আত্মসাৎ করেন।

এ ঘটনায় দুদকের প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেলে পটুয়াখালী দুদকের উপসহকারী পরিচালক মানিক লাল দাস ১৩ নভেম্বর পটুয়াখালী সদর থানায় সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

এদিকে পটুয়াখালী সিভিল সার্জন ডা. শাহ মোজাহেদুল ইসলাম ও কলাপাড়া স্বাস্থ্য পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে কলাপাড়া থানায় একই দিনে আরও একটি মামলা দায়ের করেন।

দুদক মামলায় উল্লেখ করে,স্বাস্থ্য অধিদফতর থেকে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে কলাপাড়া উপজেলায় পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও মেরামত এবং রক্ষণাবেক্ষণ খাতে ১০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়। উল্লেখিত দুই ব্যক্তি পরস্পর যোগসাজশ করে ১০ লাখ টাকার মধ্যে ৯ লাখ ২৯ হাজার ৬৮৫ টাকা আত্মসাৎ করে অফিসে ভুয়া বিল ভাউচার সংরক্ষণ করেন।

আত্মসাতকৃত ৯ লাখ ২৯ হাজার ৬৮৫ টাকার মধ্যে ডা. চিন্ময় হাওলাদার পটুয়াখালী সিভিল সার্জনকে ৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা দেন এবং বাকি অর্থ নিজেই আত্মসাৎ করেন।