ঢাকা ০৯:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী বাহাত্তরের সংবিধান থেকেই ফ্যাসিবাদের ভিত্তি তৈরি হয়েছিল: ড. দিলারা চৌধুরী দলীয় পদধারীদের নিয়োগ দিলে গণতন্ত্র অবশিষ্ট থাকে না: আখতার হোসেন তিন সীমান্তে ২২ জনকে পুশইন চেষ্টা নস্যাৎ বিজিবির ভালো কাজ না করলে সমর্থনের প্রয়োজন নেই: সারজিস দেশের প্রথম কমিউনিটিভিত্তিক এগ্রো ট্যুরিজম প্রকল্পে ১০০০ ফাউন্ডারের হাতে জমির দলিল শাহজালাল বিমানবন্দর কার্গো ভিলেজের পাশে আগুন জুলাই সনদে ফাঁকফোকর ছিল: মান্না ১১ দলীয় জোটের সমাবেশ থেকে কর্নেল অলির ‘হুংকার’ তৃণমূল সংগঠনের খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শব্দের সঠিক ব্যবহার করা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ। মানবীয় সব ধরনের প্রস্তুতি জ্ঞান থাকলেও আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা ও অনুগ্রহ নিশ্চিত না হলে কোনো কাজই সম্পন্ন করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

এজন্য ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিটি কাজে ইনশাআল্লাহ বলার বিধান রয়েছে ইসলামি শরিয়ায়।

আল্লাহ তায়ালা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী- এটা প্রকৃত ঈমানদার যে কেউ বিশ্বাস করেন। তিনি যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই। তিনি কোনো কিছু করতে বাধ্যও নন। ঈমানের দাবি হলো- ভবিষ্যতের কোনো কাজ সম্পাদন হওয়া না হওয়ার ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া এবং বলে দেওয়া ইনশাআল্লাহ।

অর্থ : ইনশাআল্লাহর শাব্দিক অর্থ হলো- যদি আল্লাহ তায়ালা ইচ্ছা করেন। আল্লাহ বান্দার পূর্বাপর সবকিছু জানেন। সুতরাং কোনো বিষয় বান্দার জন্য মঙ্গলজনক হলে তিনি তা সম্পাদন করে দেবেন, আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখবেন।

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ : ইনশাআল্লাহ বলা ফজিলতপূর্ণ হলেও অবৈধ কাজ করার আশা করে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার, দুর্নীতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ইত্যাদি। এমনকি কোনো কোনো বৈধ কাজেও ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন এভাবে দোয়া করা ‘হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে অমুক জিনিসটি দান করো। তোমার মর্জি হলে আমাকে আরোগ্য দান করো। তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো ইত্যাদি।’ কারণ এর মধ্যে এক ধরনের অবজ্ঞা ও দোয়ায় নিজের দুর্বলতার দিকটি প্রকাশ পায়।

হযজরত মুহাম্মদ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন দোয়ায় এভাবে না বলে— হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো। তুমি চাইলে আমার প্রতি দয়া করো বরং দৃঢ়তার সঙ্গে দোয়া করবে। কেননা, আল্লাহ যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই।’ (বুখারি, মুসলিম)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪ মাসেই অন্তর্বর্তী সরকারের ১১৭ অধ্যাদেশ আইনে পরিণত করেছে সরকার: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ

আপডেট সময় ০৫:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শব্দের সঠিক ব্যবহার করা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ। মানবীয় সব ধরনের প্রস্তুতি জ্ঞান থাকলেও আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা ও অনুগ্রহ নিশ্চিত না হলে কোনো কাজই সম্পন্ন করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

এজন্য ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিটি কাজে ইনশাআল্লাহ বলার বিধান রয়েছে ইসলামি শরিয়ায়।

আল্লাহ তায়ালা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী- এটা প্রকৃত ঈমানদার যে কেউ বিশ্বাস করেন। তিনি যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই। তিনি কোনো কিছু করতে বাধ্যও নন। ঈমানের দাবি হলো- ভবিষ্যতের কোনো কাজ সম্পাদন হওয়া না হওয়ার ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া এবং বলে দেওয়া ইনশাআল্লাহ।

অর্থ : ইনশাআল্লাহর শাব্দিক অর্থ হলো- যদি আল্লাহ তায়ালা ইচ্ছা করেন। আল্লাহ বান্দার পূর্বাপর সবকিছু জানেন। সুতরাং কোনো বিষয় বান্দার জন্য মঙ্গলজনক হলে তিনি তা সম্পাদন করে দেবেন, আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখবেন।

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ : ইনশাআল্লাহ বলা ফজিলতপূর্ণ হলেও অবৈধ কাজ করার আশা করে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার, দুর্নীতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ইত্যাদি। এমনকি কোনো কোনো বৈধ কাজেও ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন এভাবে দোয়া করা ‘হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে অমুক জিনিসটি দান করো। তোমার মর্জি হলে আমাকে আরোগ্য দান করো। তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো ইত্যাদি।’ কারণ এর মধ্যে এক ধরনের অবজ্ঞা ও দোয়ায় নিজের দুর্বলতার দিকটি প্রকাশ পায়।

হযজরত মুহাম্মদ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন দোয়ায় এভাবে না বলে— হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো। তুমি চাইলে আমার প্রতি দয়া করো বরং দৃঢ়তার সঙ্গে দোয়া করবে। কেননা, আল্লাহ যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই।’ (বুখারি, মুসলিম)।