ঢাকা ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শব্দের সঠিক ব্যবহার করা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ। মানবীয় সব ধরনের প্রস্তুতি জ্ঞান থাকলেও আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা ও অনুগ্রহ নিশ্চিত না হলে কোনো কাজই সম্পন্ন করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

এজন্য ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিটি কাজে ইনশাআল্লাহ বলার বিধান রয়েছে ইসলামি শরিয়ায়।

আল্লাহ তায়ালা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী- এটা প্রকৃত ঈমানদার যে কেউ বিশ্বাস করেন। তিনি যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই। তিনি কোনো কিছু করতে বাধ্যও নন। ঈমানের দাবি হলো- ভবিষ্যতের কোনো কাজ সম্পাদন হওয়া না হওয়ার ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া এবং বলে দেওয়া ইনশাআল্লাহ।

অর্থ : ইনশাআল্লাহর শাব্দিক অর্থ হলো- যদি আল্লাহ তায়ালা ইচ্ছা করেন। আল্লাহ বান্দার পূর্বাপর সবকিছু জানেন। সুতরাং কোনো বিষয় বান্দার জন্য মঙ্গলজনক হলে তিনি তা সম্পাদন করে দেবেন, আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখবেন।

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ : ইনশাআল্লাহ বলা ফজিলতপূর্ণ হলেও অবৈধ কাজ করার আশা করে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার, দুর্নীতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ইত্যাদি। এমনকি কোনো কোনো বৈধ কাজেও ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন এভাবে দোয়া করা ‘হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে অমুক জিনিসটি দান করো। তোমার মর্জি হলে আমাকে আরোগ্য দান করো। তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো ইত্যাদি।’ কারণ এর মধ্যে এক ধরনের অবজ্ঞা ও দোয়ায় নিজের দুর্বলতার দিকটি প্রকাশ পায়।

হযজরত মুহাম্মদ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন দোয়ায় এভাবে না বলে— হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো। তুমি চাইলে আমার প্রতি দয়া করো বরং দৃঢ়তার সঙ্গে দোয়া করবে। কেননা, আল্লাহ যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই।’ (বুখারি, মুসলিম)।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ

আপডেট সময় ০৫:৫৬:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ অগাস্ট ২০১৭

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

শব্দের সঠিক ব্যবহার করা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) এর আদর্শ। মানবীয় সব ধরনের প্রস্তুতি জ্ঞান থাকলেও আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছা ও অনুগ্রহ নিশ্চিত না হলে কোনো কাজই সম্পন্ন করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়।

এজন্য ভবিষ্যতের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রতিটি কাজে ইনশাআল্লাহ বলার বিধান রয়েছে ইসলামি শরিয়ায়।

আল্লাহ তায়ালা সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী- এটা প্রকৃত ঈমানদার যে কেউ বিশ্বাস করেন। তিনি যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই। তিনি কোনো কিছু করতে বাধ্যও নন। ঈমানের দাবি হলো- ভবিষ্যতের কোনো কাজ সম্পাদন হওয়া না হওয়ার ব্যাপারটি সম্পূর্ণভাবে আল্লাহর ওপর ছেড়ে দেওয়া এবং বলে দেওয়া ইনশাআল্লাহ।

অর্থ : ইনশাআল্লাহর শাব্দিক অর্থ হলো- যদি আল্লাহ তায়ালা ইচ্ছা করেন। আল্লাহ বান্দার পূর্বাপর সবকিছু জানেন। সুতরাং কোনো বিষয় বান্দার জন্য মঙ্গলজনক হলে তিনি তা সম্পাদন করে দেবেন, আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে তাকে দূরে সরিয়ে রাখবেন।

যেখানে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ : ইনশাআল্লাহ বলা ফজিলতপূর্ণ হলেও অবৈধ কাজ করার আশা করে ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন চুরি, ডাকাতি, ব্যভিচার, দুর্নীতি, সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ইত্যাদি। এমনকি কোনো কোনো বৈধ কাজেও ইনশাআল্লাহ বলা নিষিদ্ধ। যেমন এভাবে দোয়া করা ‘হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে অমুক জিনিসটি দান করো। তোমার মর্জি হলে আমাকে আরোগ্য দান করো। তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো ইত্যাদি।’ কারণ এর মধ্যে এক ধরনের অবজ্ঞা ও দোয়ায় নিজের দুর্বলতার দিকটি প্রকাশ পায়।

হযজরত মুহাম্মদ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন দোয়ায় এভাবে না বলে— হে আল্লাহ, তুমি চাইলে আমাকে ক্ষমা করো। তুমি চাইলে আমার প্রতি দয়া করো বরং দৃঢ়তার সঙ্গে দোয়া করবে। কেননা, আল্লাহ যা চান, তাই করেন। তাকে বাধ্য করার মতো কেউ নেই।’ (বুখারি, মুসলিম)।