ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিতে মাঠ পর্যায় পরিদর্শনে নৌবাহিনী প্রধান জামায়াত আমিরের এক্স অ্যাকাউন্ট হ্যাকের ঘটনায় বঙ্গভবনের কর্মকর্তা আটক আমরা বসন্তের কোকিল নই, জুলুম-নির্যাতনের পরও দেশ ছাড়িনি: শফিকুর রহমান ‘শুধু একদিন আমার হাঁসটাকে পাহারা দেন, নির্বাচিত হলে ৫ বছর আপনাদেরকে পাহারা দেব’:রুমিন ফারহানা ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ রুখতে ছাত্র-জনতাকে রাজপথে থাকতে হবে: মামুনুল হক সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য জনমুখী নীতিমালার আহ্বান বাংলাদেশের অনলাইন গেমে আসক্তি, নবম তলা থেকে লাফিয়ে তিন বোনের আত্মহত্যা ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দিয়ে ধানের শীষে ভোট চাইলেন যুবলীগ নেতা সবার জন্য সমান অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই বিএনপির লক্ষ্য: ডা. জুবাইদা জাপানে ভারী তুষারপাতে ৩৫ জনের মৃত্যু

ইরানের জেনারেলকে হত্যা করতে চেয়েছিল সৌদি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের বিশেষ বাহিনী আল কুদস ব্রিগেডের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যা করতে চেয়েছিলো সৌদি আরব। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনটি অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালের মার্চে রিয়াদে সৌদি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন সম্প্রতি খাশোগি হত্যাকাণ্ডে পদচ্যুত সৌদি গোয়েন্দা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আহমেদ আল-আসিরি। যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ এই জেনারেল সৌদি ব্যবসায়ীদের বলেন, যেকোনো উপায়ে ইরানের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিতে হবে। বৈঠকে এ লক্ষ্যে ২০০ কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেয়ার কথা বলা হয়।

একইসঙ্গে আসিরি ইরানের জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যার উপায় নিয়েও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অন্যতম একটি ব্রিগেড হলো আল কুদস। মোহাম্মাদ বিন সালমান সৌদি আরবের যুবরাজের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর যখন ক্ষমতা সংহত করার কাজে হাত দেন তখন রিয়াদে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, বিন সালমান ক্ষমতা গ্রহণ করার পরপরই তার বিরোধীদের দমনের উদ্দেশ্যে জামাল খাশোগির মতো হত্যাকাণ্ডকে অনুমোদন দেন।তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি সৌদি সরকার।

গত দুই অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি দূতাবাসে নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। শুরুতে তাকে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তা স্বীকার করতে বাধ্য হয় সৌদি। এর সঙ্গে রাজ পরিবারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই জানিয়ে এ ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে সৌদি পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত খাসোগির মৃহদেহের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে যে খাসোগিকে হত্যার পর মৃহদেহ টুকরো টুকরো করে এসিড দিয়ে গলিয়ে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো আন্তর্জাতিক সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছে সৌদি। অপর দিকে ইয়েমেনে সৌদি জোটের হামলায় বেসামরিক লোক নিহতের ঘটনায়ও আন্তর্জাতিক সমালোচনার শিকার হচ্ছে দেশটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশু মোহনাকে দেখতে হাসপাতালে বিমান উপদেষ্টা

ইরানের জেনারেলকে হত্যা করতে চেয়েছিল সৌদি

আপডেট সময় ১২:১১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক: 

ইরানের বিশেষ বাহিনী আল কুদস ব্রিগেডের কমান্ডার জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যা করতে চেয়েছিলো সৌদি আরব। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত তিনটি অজ্ঞাত সূত্রের বরাত দিয়ে এ খবর দিয়েছে মার্কিন গণমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১৭ সালের মার্চে রিয়াদে সৌদি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠক করেন সম্প্রতি খাশোগি হত্যাকাণ্ডে পদচ্যুত সৌদি গোয়েন্দা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল আহমেদ আল-আসিরি। যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের ঘনিষ্ঠ এই জেনারেল সৌদি ব্যবসায়ীদের বলেন, যেকোনো উপায়ে ইরানের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দিতে হবে। বৈঠকে এ লক্ষ্যে ২০০ কোটি ডলার বাজেট বরাদ্দ দেয়ার কথা বলা হয়।

একইসঙ্গে আসিরি ইরানের জেনারেল কাসেম সোলায়মানিকে হত্যার উপায় নিয়েও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর অন্যতম একটি ব্রিগেড হলো আল কুদস। মোহাম্মাদ বিন সালমান সৌদি আরবের যুবরাজের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর যখন ক্ষমতা সংহত করার কাজে হাত দেন তখন রিয়াদে ওই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

নিউইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, বিন সালমান ক্ষমতা গ্রহণ করার পরপরই তার বিরোধীদের দমনের উদ্দেশ্যে জামাল খাশোগির মতো হত্যাকাণ্ডকে অনুমোদন দেন।তবে নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি সৌদি সরকার।

গত দুই অক্টোবর ইস্তাম্বুলের সৌদি দূতাবাসে নির্বাসিত সাংবাদিক জামাল খাসোগিকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়। শুরুতে তাকে হত্যার অভিযোগ অস্বীকার করলেও পরে আন্তর্জাতিক চাপের মুখে তা স্বীকার করতে বাধ্য হয় সৌদি। এর সঙ্গে রাজ পরিবারের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই জানিয়ে এ ঘটনায় ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে সৌদি পুলিশ। তবে এখন পর্যন্ত খাসোগির মৃহদেহের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে উঠে এসেছে যে খাসোগিকে হত্যার পর মৃহদেহ টুকরো টুকরো করে এসিড দিয়ে গলিয়ে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো আন্তর্জাতিক সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছে সৌদি। অপর দিকে ইয়েমেনে সৌদি জোটের হামলায় বেসামরিক লোক নিহতের ঘটনায়ও আন্তর্জাতিক সমালোচনার শিকার হচ্ছে দেশটি।