ঢাকা ০৩:০২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ভেবেছিলাম সবাই খামেনিকে ঘৃণা করে, কিন্তু এতো মানুষকে কাঁদতে দেখে অবাক হয়েছি’: ট্রাম্প কার্বন ক্রেডিট বাড়াতে কর্মপরিকল্পনার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর টেকসই স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি উদ্ভাবন এখন গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ : ঢাবি উপাচার্য এমডির অণ্ডকোষ চেপে চেক-স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর আদায়, সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল সশস্ত্র বাহিনী দেশ ও জনগণের গৌরবের প্রতীক: প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক নাসির উদ্দিনকে প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি নস্যাৎ করার সুযোগ ইসরাইলকে দেওয়া যাবে না: এরদোগান সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিক চতুর্মাত্রিক বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ: রাষ্ট্রপতি ৪ নির্দেশনা দিয়ে করদাতাদের সতর্ক করল এনবিআর হামে মেয়ের মৃত্যু, ড. ইউনূসসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন

টেকনাফে রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে জাতিসংঘের বিশেষ দূতের বৈঠক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টেকনাফের নয়াপাড়া শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিবের রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন এস বার্গনার।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় টেকনাফ নয়াপাড়ার শালবাগানের (ক্যাম্প নং- ২৬) শরণার্থী ক্যাম্পের পাশে এলপিজি ওয়ারহাউস ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারের একটি কক্ষে ঘণ্টাব্যাপী রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়।

সেখানে টেকনাফ নয়াপাড়া শালবাগানের ডেভলমেন্ট কমিটির নারী চেয়ারম্যান রমিদা বেগমসহ ৯ রোহিঙ্গা নেতা ছিলেন। এদের মধ্যে চারজন রোহিঙ্গা নারী ছিল। রোহিঙ্গা লিডার রমিদা বেগম জানান, জাতিসংঘেরর মহাসচিবের রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন এস বার্গনার তাদের কাছে মিয়ানমারের পরিস্থিতি জানতে চাইলে রোহিঙ্গা নেতা রাহমত উল্লাহ ও লায়লা বেগম তাদের জানান, মিয়ানমার সেনারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নির্মূল করতে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। মা-বোনদের ধর্ষণ ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগসহ নানা রকমের নির্যাতন চালিয়েছিল। ফলে তারা প্রাণে বাঁচতে এপারে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। এসব নির্যাতনের বিচার দাবি করেন নেতারা।

পরে রোহিঙ্গা নেতারা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠাবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন বলে রমিদা বেগম জানিয়েছেন।

বৈঠক শেষে ক্রিস্টিন এস বার্গনার সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। দুপুর ১২ টারদিকে জাতিসংঘের এ বিশেষ দূত কুতুপালংয়ের উদ্দেশে টেকনাফ ত্যাগ করেন।

শনিবার সকালে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কযোগে তিনি ক্যাম্পে আসেন। রমিদা বেগমের মিয়ানমার রাইম্যাবিল গ্রামের বাসিন্দা। সে বতর্মানে নয়াপাড়ার শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি ব্লকে বসবাস করছেন। গত বছর মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে এখানে আশ্রয় নেন। গত ৪ মাস আগে ইউএনএইচসিআরের মাধ্যমে রমিদা বেগমকে টিম লিডার করে ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

ভেবেছিলাম সবাই খামেনিকে ঘৃণা করে, কিন্তু এতো মানুষকে কাঁদতে দেখে অবাক হয়েছি’: ট্রাম্প

টেকনাফে রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে জাতিসংঘের বিশেষ দূতের বৈঠক

আপডেট সময় ১২:০৫:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১১ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টেকনাফের নয়াপাড়া শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিবের রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন এস বার্গনার।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় টেকনাফ নয়াপাড়ার শালবাগানের (ক্যাম্প নং- ২৬) শরণার্থী ক্যাম্পের পাশে এলপিজি ওয়ারহাউস ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারের একটি কক্ষে ঘণ্টাব্যাপী রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়।

সেখানে টেকনাফ নয়াপাড়া শালবাগানের ডেভলমেন্ট কমিটির নারী চেয়ারম্যান রমিদা বেগমসহ ৯ রোহিঙ্গা নেতা ছিলেন। এদের মধ্যে চারজন রোহিঙ্গা নারী ছিল। রোহিঙ্গা লিডার রমিদা বেগম জানান, জাতিসংঘেরর মহাসচিবের রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন এস বার্গনার তাদের কাছে মিয়ানমারের পরিস্থিতি জানতে চাইলে রোহিঙ্গা নেতা রাহমত উল্লাহ ও লায়লা বেগম তাদের জানান, মিয়ানমার সেনারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নির্মূল করতে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। মা-বোনদের ধর্ষণ ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগসহ নানা রকমের নির্যাতন চালিয়েছিল। ফলে তারা প্রাণে বাঁচতে এপারে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। এসব নির্যাতনের বিচার দাবি করেন নেতারা।

পরে রোহিঙ্গা নেতারা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠাবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন বলে রমিদা বেগম জানিয়েছেন।

বৈঠক শেষে ক্রিস্টিন এস বার্গনার সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। দুপুর ১২ টারদিকে জাতিসংঘের এ বিশেষ দূত কুতুপালংয়ের উদ্দেশে টেকনাফ ত্যাগ করেন।

শনিবার সকালে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কযোগে তিনি ক্যাম্পে আসেন। রমিদা বেগমের মিয়ানমার রাইম্যাবিল গ্রামের বাসিন্দা। সে বতর্মানে নয়াপাড়ার শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি ব্লকে বসবাস করছেন। গত বছর মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে এখানে আশ্রয় নেন। গত ৪ মাস আগে ইউএনএইচসিআরের মাধ্যমে রমিদা বেগমকে টিম লিডার করে ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছিলেন।