অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
টেকনাফের নয়াপাড়া শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিবের রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন এস বার্গনার।
শনিবার সকাল সাড়ে ১০টায় টেকনাফ নয়াপাড়ার শালবাগানের (ক্যাম্প নং- ২৬) শরণার্থী ক্যাম্পের পাশে এলপিজি ওয়ারহাউস ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টারের একটি কক্ষে ঘণ্টাব্যাপী রোহিঙ্গা নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয়।
সেখানে টেকনাফ নয়াপাড়া শালবাগানের ডেভলমেন্ট কমিটির নারী চেয়ারম্যান রমিদা বেগমসহ ৯ রোহিঙ্গা নেতা ছিলেন। এদের মধ্যে চারজন রোহিঙ্গা নারী ছিল। রোহিঙ্গা লিডার রমিদা বেগম জানান, জাতিসংঘেরর মহাসচিবের রোহিঙ্গা সংকটবিষয়ক বিশেষ দূত ক্রিস্টিন এস বার্গনার তাদের কাছে মিয়ানমারের পরিস্থিতি জানতে চাইলে রোহিঙ্গা নেতা রাহমত উল্লাহ ও লায়লা বেগম তাদের জানান, মিয়ানমার সেনারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে নির্মূল করতে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। মা-বোনদের ধর্ষণ ও বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগসহ নানা রকমের নির্যাতন চালিয়েছিল। ফলে তারা প্রাণে বাঁচতে এপারে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন। এসব নির্যাতনের বিচার দাবি করেন নেতারা।
পরে রোহিঙ্গা নেতারা মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে দেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো রোহিঙ্গাকে ফেরত পাঠাবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন বলে রমিদা বেগম জানিয়েছেন।
বৈঠক শেষে ক্রিস্টিন এস বার্গনার সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি। দুপুর ১২ টারদিকে জাতিসংঘের এ বিশেষ দূত কুতুপালংয়ের উদ্দেশে টেকনাফ ত্যাগ করেন।
শনিবার সকালে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কযোগে তিনি ক্যাম্পে আসেন। রমিদা বেগমের মিয়ানমার রাইম্যাবিল গ্রামের বাসিন্দা। সে বতর্মানে নয়াপাড়ার শালবাগান রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি ব্লকে বসবাস করছেন। গত বছর মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে এখানে আশ্রয় নেন। গত ৪ মাস আগে ইউএনএইচসিআরের মাধ্যমে রমিদা বেগমকে টিম লিডার করে ১২ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছিলেন।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















