ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ছোট্ট সোনামণিদের কার্টুন আসক্তি দূর করবেন যেভাবে

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

কার্টুন দেখতে পছন্দ করে না এমন শিশু খুঁজে পাওয়া দায়। বেশিরভাগ শিশুরা কার্টুন দেখে ভাত খায়। তবে কার্টুন দেখা আসক্তির পর্যায়ে গেলে সমস্যা দেখা দেয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন বলছে, কার্টুন দেখে নানা ধরনের উদ্ভট আচরণ শিখে শিশুরা। এটা খুবই স্বাভাবিক। শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। তারা যা দেখে তাই করতে পছন্দ করে। এ কারণে শিশুরা যে কার্টুন দেখে সেটা যেন মানসম্পন্ন হয়, এ ব্যাপারটি নিশ্চিতের চেষ্টা করতে হবে।

শিশুদের কার্টুন দেখা বিষয়ে মনোবিদ কায়লা বইস ও ব্র্যাড বুশম্যান মিশিগান ইউনিভার্সিটিতে একটি গবেষণা করেন। এতে দেখা যায়, দুই থেকে পাঁচ বছরের শিশুরা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৩২ ঘণ্টা কার্টুন দেখে। ছয় থেকে এগারো বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ ২৮ ঘণ্টা।

গবেষণায় দেখা গেছে, কার্টুন দেখার ফলে বদলে যায় শিশুদের আচার-আচরণ। নিরীহ বাধ্য সন্তান হয়ে উঠতে পারে অবাধ্য-হিংস্র।

আসুন জেনে নেই শিশুদের কার্টুন আসক্তি দূর করবেন যেভাবে।

সময় বেঁধে দিন :

শিশুদের জন্য সারা দিনে কার্টুন দেখার সর্বোচ্চ সময় বেঁধে দিন দেড় ঘণ্টা। শিশুকে কার্টুন দেখতে দেয়ার আগে নিজে ভালো করে সেগুলো দেখুন। এরপর যেটা কম ক্ষতিকারক মনে হবে সেটাই তাকে দেখতে দিন।

বাইরে ঘুরে বেড়ানো :

শিশুর কার্টুনের আসক্তি দূর করতে সবচেয়ে ভালো সমাধান হতে পারে শিশুকে নিয়ে বাইরে ঘুরে বেড়ানো। নিয়মিত এমনটি করলে শিশুর স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকবে তেমনি কার্টুনের প্রতিও তার আসক্তি কমবে।

খেলাধুলা :

অনেক বাবা-মা মনে করেন শিশুরা খেলাধুলা করলে পড়ালেখার ক্ষতি হয়। এ ধারণা ভুল। শিশুকে বাসায় না রেখে তাকে বাইরে খেলতে দিন।এতে তার মানসিক বিকাশ হবে। কার্টুনের আসক্তি দূর হবে।

গল্প শোনানো :

শিশুরা গল্প শুনতে খুব পছন্দ করে। রাতে ঘুমানোর সময় তাকে গল্প শোনানোর অভ্যাস করুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন তথ্য: অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

ছোট্ট সোনামণিদের কার্টুন আসক্তি দূর করবেন যেভাবে

আপডেট সময় ০৯:৩৫:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ নভেম্বর ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

কার্টুন দেখতে পছন্দ করে না এমন শিশু খুঁজে পাওয়া দায়। বেশিরভাগ শিশুরা কার্টুন দেখে ভাত খায়। তবে কার্টুন দেখা আসক্তির পর্যায়ে গেলে সমস্যা দেখা দেয়।

ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদন বলছে, কার্টুন দেখে নানা ধরনের উদ্ভট আচরণ শিখে শিশুরা। এটা খুবই স্বাভাবিক। শিশুরা অনুকরণপ্রিয়। তারা যা দেখে তাই করতে পছন্দ করে। এ কারণে শিশুরা যে কার্টুন দেখে সেটা যেন মানসম্পন্ন হয়, এ ব্যাপারটি নিশ্চিতের চেষ্টা করতে হবে।

শিশুদের কার্টুন দেখা বিষয়ে মনোবিদ কায়লা বইস ও ব্র্যাড বুশম্যান মিশিগান ইউনিভার্সিটিতে একটি গবেষণা করেন। এতে দেখা যায়, দুই থেকে পাঁচ বছরের শিশুরা প্রতি সপ্তাহে গড়ে ৩২ ঘণ্টা কার্টুন দেখে। ছয় থেকে এগারো বছর বয়সীদের ক্ষেত্রে এই পরিমাণ ২৮ ঘণ্টা।

গবেষণায় দেখা গেছে, কার্টুন দেখার ফলে বদলে যায় শিশুদের আচার-আচরণ। নিরীহ বাধ্য সন্তান হয়ে উঠতে পারে অবাধ্য-হিংস্র।

আসুন জেনে নেই শিশুদের কার্টুন আসক্তি দূর করবেন যেভাবে।

সময় বেঁধে দিন :

শিশুদের জন্য সারা দিনে কার্টুন দেখার সর্বোচ্চ সময় বেঁধে দিন দেড় ঘণ্টা। শিশুকে কার্টুন দেখতে দেয়ার আগে নিজে ভালো করে সেগুলো দেখুন। এরপর যেটা কম ক্ষতিকারক মনে হবে সেটাই তাকে দেখতে দিন।

বাইরে ঘুরে বেড়ানো :

শিশুর কার্টুনের আসক্তি দূর করতে সবচেয়ে ভালো সমাধান হতে পারে শিশুকে নিয়ে বাইরে ঘুরে বেড়ানো। নিয়মিত এমনটি করলে শিশুর স্বাস্থ্য যেমন ভালো থাকবে তেমনি কার্টুনের প্রতিও তার আসক্তি কমবে।

খেলাধুলা :

অনেক বাবা-মা মনে করেন শিশুরা খেলাধুলা করলে পড়ালেখার ক্ষতি হয়। এ ধারণা ভুল। শিশুকে বাসায় না রেখে তাকে বাইরে খেলতে দিন।এতে তার মানসিক বিকাশ হবে। কার্টুনের আসক্তি দূর হবে।

গল্প শোনানো :

শিশুরা গল্প শুনতে খুব পছন্দ করে। রাতে ঘুমানোর সময় তাকে গল্প শোনানোর অভ্যাস করুন।