ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ জুলাই ২০২৬, ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সার্ক কার্যকর করতে বাংলাদেশ-নেপাল একমত শীর্ষ সন্ত্রাসী ডেভিড ইমন গ্রেফতার রাত ১২টায় পুকুরপাড়ে দেখা করলে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড:বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ৬.৫ টনের শক্তিশালী চুম্বকের সফল পরীক্ষা, বিশাল ‘সূর্য’ বানাচ্ছে চীন ৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় নতুন দাবানল নিয়ে শঙ্কায় ফ্রান্স নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কি মির্জা ফখরুলের জুতা টানার যোগ্যতা রাখে: রাশেদ খাঁন ইসিকে স্বাধীনভাবে চোখ কান খুলে দায়িত্ব পালন করতে বলেছি: গোলাম পরওয়ার মধ্য বাড্ডায় গৃহকর্ত্রী হত্যায় গাড়িচালকের মৃত্যুদণ্ড ‘ইরান ভেনেজুয়েলা নয়’, তেহরান-কারাকাস ঐতিহাসিক সম্পর্কে ফাটল সিআইডির নতুন প্রধান ব্যারিস্টার মোশাররফ হোছাইন

ইবির ‘সি’ ইউনিটের প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি, পরীক্ষা বাতিলের আশঙ্কা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে।

সোমাবার প্রথম শিফটে সকাল সাড়ে ৯টায় ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে এ অসঙ্গতি পাওয়া যায়।

পরীক্ষা শুরুর পরপরই উত্তরপত্রের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের অমিল নজরে আসে পরীক্ষার্থীদের। এতে বিপাকে পড়েন সাত হাজার ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থী।

এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ভর্তিচ্ছুরা। একই সঙ্গে পুনঃভর্তি পরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অসঙ্গতি লক্ষ্য করার সঙ্গে সঙ্গেই পরীক্ষার হলে কর্তব্যরত শিক্ষকরা ‘সি’ ইউনিটের কন্ট্রোলরুমের দ্বারস্থ হন।

এ সময় কন্ট্রোলরুম থেকে ভিন্ন ভিন্ন হলে ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভর্তিচ্ছুরা বৈষম্যের শিকার হবেন বলে ধারণা করছেন শিক্ষকরা।

এতে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভর্তিচ্ছুরা জানান, ‘সি’ ইউনিটের প্রশ্নপত্রে চার বিষয়ের মান বণ্টন রয়েছে। এতে প্রথম অংশে ১ থেকে ৩০টি প্রশ্ন ইংরেজি, দ্বিতীয় অংশে ৩১ থেকে ৪৫ ব্যবসায় শিক্ষা, তৃতীয় অংশে ৪৬ থেকে ৬০ হিসাববিজ্ঞান এবং চতুর্থ অংশে ৬১ থেকে ৮০টি লিখিত প্রশ্ন থাকলেও ওএমআর শিটের ক্রমবিন্যাসে ছিল সম্পূর্ণ অসঙ্গতি।

তারা জানান, ওএমআর শিটে যথাক্রমে ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও লিখিত প্রশ্ন অংশ ছিল। ফলে প্রশ্নপত্রে যেখানে ব্যবসায় শিক্ষা ওএমআরে সেখানে হিসাববিজ্ঞান এবং প্রশ্নে যেখানে হিসাববিজ্ঞান ওএমআরে সেখানে ব্যবসায় শিক্ষা রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রশ্নপত্রে ক্রমিক নম্বর ১ থেকে ৮০ থাকলেও ওএমআর শিটে লিখিত অংশের আলাদা ক্রমিক (১ থেকে ২০) ব্যবহার করা হয়েছে।

এতে অনেক শিক্ষার্থী বিভ্রান্তিতে পড়েন। প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ওএমআর শিটের এমন অসঙ্গতিতে শিক্ষার্থীরা তাদের ফল নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ভর্তিচ্ছু আশরাফুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, যথেষ্ট প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষার ফল নিয়ে চিন্তিত রয়েছি।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বেলা পৌনে ৩টা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা বসব। এ নিয়ে আলোচনা করব।

তবে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হবে কিনা সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সার্ক কার্যকর করতে বাংলাদেশ-নেপাল একমত

ইবির ‘সি’ ইউনিটের প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতি, পরীক্ষা বাতিলের আশঙ্কা

আপডেট সময় ০৩:৩০:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ নভেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে।

সোমাবার প্রথম শিফটে সকাল সাড়ে ৯টায় ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে এ অসঙ্গতি পাওয়া যায়।

পরীক্ষা শুরুর পরপরই উত্তরপত্রের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের অমিল নজরে আসে পরীক্ষার্থীদের। এতে বিপাকে পড়েন সাত হাজার ভর্তিচ্ছু পরীক্ষার্থী।

এ নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন ভর্তিচ্ছুরা। একই সঙ্গে পুনঃভর্তি পরীক্ষার দাবি জানিয়েছেন তারা।

অসঙ্গতি লক্ষ্য করার সঙ্গে সঙ্গেই পরীক্ষার হলে কর্তব্যরত শিক্ষকরা ‘সি’ ইউনিটের কন্ট্রোলরুমের দ্বারস্থ হন।

এ সময় কন্ট্রোলরুম থেকে ভিন্ন ভিন্ন হলে ভিন্ন ভিন্ন সিদ্ধান্ত দেয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ফলে উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভর্তিচ্ছুরা বৈষম্যের শিকার হবেন বলে ধারণা করছেন শিক্ষকরা।

এতে ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ভর্তিচ্ছুরা জানান, ‘সি’ ইউনিটের প্রশ্নপত্রে চার বিষয়ের মান বণ্টন রয়েছে। এতে প্রথম অংশে ১ থেকে ৩০টি প্রশ্ন ইংরেজি, দ্বিতীয় অংশে ৩১ থেকে ৪৫ ব্যবসায় শিক্ষা, তৃতীয় অংশে ৪৬ থেকে ৬০ হিসাববিজ্ঞান এবং চতুর্থ অংশে ৬১ থেকে ৮০টি লিখিত প্রশ্ন থাকলেও ওএমআর শিটের ক্রমবিন্যাসে ছিল সম্পূর্ণ অসঙ্গতি।

তারা জানান, ওএমআর শিটে যথাক্রমে ইংরেজি, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও লিখিত প্রশ্ন অংশ ছিল। ফলে প্রশ্নপত্রে যেখানে ব্যবসায় শিক্ষা ওএমআরে সেখানে হিসাববিজ্ঞান এবং প্রশ্নে যেখানে হিসাববিজ্ঞান ওএমআরে সেখানে ব্যবসায় শিক্ষা রাখা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রশ্নপত্রে ক্রমিক নম্বর ১ থেকে ৮০ থাকলেও ওএমআর শিটে লিখিত অংশের আলাদা ক্রমিক (১ থেকে ২০) ব্যবহার করা হয়েছে।

এতে অনেক শিক্ষার্থী বিভ্রান্তিতে পড়েন। প্রশ্নপত্রের সঙ্গে ওএমআর শিটের এমন অসঙ্গতিতে শিক্ষার্থীরা তাদের ফল নিয়েও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

ভর্তিচ্ছু আশরাফুল ইসলাম যুগান্তরকে জানান, যথেষ্ট প্রস্তুতি থাকা সত্ত্বেও পরীক্ষার ফল নিয়ে চিন্তিত রয়েছি।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির সঙ্গে জরুরি বৈঠকে বসেছে।

এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বেলা পৌনে ৩টা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল।

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ড. রাশিদ আসকারী সাংবাদিকদের বলেন, বিষয়টি নিয়ে আমরা বসব। এ নিয়ে আলোচনা করব।

তবে ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা নেয়া হবে কিনা সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।