ঢাকা ০৮:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
পাতানো নির্বাচনের স্বপ্ন দেখে লাভ নেই, অধিকার আদায়ে জনগণ জীবন দিতে প্রস্তুত: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দিলেন সেনাপ্রধান ছাত্র-ছাত্রীদের ফ্রি ওয়াইফাই সেবা পৌঁছে দিবেন তারেক রহমান: আব্দুস সালাম আমিও আ.লীগের দায়িত্ব নিয়ে নিলাম: নুর ব্যবহৃত মোবাইল কেনাবেচায় নতুন নিয়ম, সতর্ক করল বিটিআরসি নির্বাচন সুষ্ঠু করতে অর্থ বরাদ্দে সরকার কার্পণ্য করছে না : অর্থ উপদেষ্টা ‘জনগণ জানে চুলার মুখ দিয়ে কখনো স্বর্ণ বের হয় না আর স্বর্ণের খনি থেকে কখনো ছাই বের হয় না: মির্জা আব্বাস সারা দেশে ১৩৭টি উইকেট বানানোর পরিকল্পনা বিসিবির দোয়া করবেন যেন সংসদে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হতে পারি: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বাংলাদেশ এক ধরনের ক্রান্তিলগ্নে রয়েছে : আলী রীয়াজ

সুশীল বাবুদের হুমকি আ’লীগ পরোয়া করে না: জয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপিকে জঙ্গি দল বলে আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেছেন, বিএনপি খুনির দল। আমরা (আওয়ামী লীগ) খুনি নই। আমরা শান্তিকামী গণতন্ত্রকামী ও স্বাধীনতার দল।

শনিবার বিকালে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। সুচিন্তা ফাউন্ডেশন আয়োজিত দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

জয় বলেন, ঐক্যফ্রন্টের লক্ষ্য বিএনপিকে পুনর্বাসন করা এবং তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানানো। ঠিক যেভাবে জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করে দেশে ফিরিয়ে এনেছিল, এই সুশীলরা এখন নেমেছে তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে। আওয়ামী লীগ বিএনপির মতো হলে খালেদা জিয়া কেবল জেলে থাকত না? এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলার মানুষ যত দিন আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে যাবে, তত দিন এ রকম জঙ্গিদল, এ রকম খুনিরা বাংলাদেশে আর কোনো দিন আশ্রয় পাবে না। এদের বিচার হতে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীপুত্র বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি, ১৫ আগস্টের বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার করেছি, একুশ আগস্টে বিচার হয়েছে এবং তাদের বিচার বাস্তবায়ন হবে। তারেক রহমানকেও দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা দেব- এটা আমাদের ওয়াদা।

তিনি বলেন, আর যারা মানুষ পুড়িয়েছে, যারা জঙ্গিদের আশ্রয় দিয়েছে, যারা মানুষ হত্যা করেছে, তাদের কোনো ছাড় হবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নিতে থাকব।

জয় বলেন, আমাদের সুশীলরা-জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিরপেক্ষতার কথা বলে। সন্ত্রাস, মানুষ হত্যা, হত্যাকাণ্ড নিয়ে কি নিরপেক্ষতা হতে পারে? যারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লজ্জা পায় তারা সন্ত্রাসকে আশ্রয় দিচ্ছে, যারা খুনিদের বিরুদ্ধে কথা বলতে লজ্জা পায় তারা খুনিদের বাঁচিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে।

নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ঐক্যের উদ্দেশে জয় বলেন, নির্বাচন নিয়ে তারা ভয় দেখাতে চায়। যারা একটি ভোট পায় না তাদেরকে আমরা ভয় পাই না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক দল। আওয়ামী লীগ শুধুমাত্র মানুষের ভোটে ক্ষমতায় এসেছে। বন্দুকের নালা দিয়ে আওয়ামী লীগ কোনো দিন ক্ষমতায় আসেনি। এই সুশীল বাবুদের হুমকিতে আওয়ামী লীগের কিছু যায় আসে না। আমরা পরোয়া করি না।

জয় বলেন, আমার বিশ্বাস- শুধু আমার বিশ্বাস না, আমি মানুষকে জরিপ করে জানি বাংলাদেশের মানুষ এখন আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেই। বিএনপি, সুশীল, জামায়াত এক হয়েও এখন বাংলাদেশে কোনো শক্তি নেই আওয়ামী লীগকে ভোটে হারাতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রীপুত্র বলেন, তাই আমাদের আর কোনো ভয় নেই। আওয়ামী লীগের কখনোই কোনো ভয় থাকে না। তবে এখন দেশ এগিয়ে এসেছে, দেশের মানুষ সুখে আছে, শান্তিতে আছে। আওয়ামী লীগ এখন কাউকেই ভয় পায় না। সব ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করেই আমরা এত বছর পর এখানে এসেছি। আওয়ামী লীগকে সরানো এত সহজ নয়।

জয় বলেন, আসুন আজকে আমরা ওয়াদা করি- এ রকম ঘটনা বাংলাদেশের মাটিতে আমরা আর কোনো দিন হতে দেব না। আর যারা এই ষড়যন্ত্রকারীদের, খুনিদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে সব সময় কঠোর ব্যবস্থা নেব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হান্নান মাসউদের স্ত্রীকে স্বর্ণের আংটি উপহার দিলেন বৃদ্ধা

সুশীল বাবুদের হুমকি আ’লীগ পরোয়া করে না: জয়

আপডেট সময় ১০:২৬:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপিকে জঙ্গি দল বলে আখ্যা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীপুত্র এবং তার তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়। তিনি বলেছেন, বিএনপি খুনির দল। আমরা (আওয়ামী লীগ) খুনি নই। আমরা শান্তিকামী গণতন্ত্রকামী ও স্বাধীনতার দল।

শনিবার বিকালে রাজধানীর হোটেল রেডিসন ব্লুতে এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। সুচিন্তা ফাউন্ডেশন আয়োজিত দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়।

জয় বলেন, ঐক্যফ্রন্টের লক্ষ্য বিএনপিকে পুনর্বাসন করা এবং তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী বানানো। ঠিক যেভাবে জিয়াউর রহমান যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন করে দেশে ফিরিয়ে এনেছিল, এই সুশীলরা এখন নেমেছে তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে। আওয়ামী লীগ বিএনপির মতো হলে খালেদা জিয়া কেবল জেলে থাকত না? এমন প্রশ্ন রাখেন তিনি।

তিনি বলেন, বাংলার মানুষ যত দিন আওয়ামী লীগকে ভোট দিয়ে যাবে, তত দিন এ রকম জঙ্গিদল, এ রকম খুনিরা বাংলাদেশে আর কোনো দিন আশ্রয় পাবে না। এদের বিচার হতে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রীপুত্র বলেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছি, ১৫ আগস্টের বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের বিচার করেছি, একুশ আগস্টে বিচার হয়েছে এবং তাদের বিচার বাস্তবায়ন হবে। তারেক রহমানকেও দেশে ফিরিয়ে এনে সাজা দেব- এটা আমাদের ওয়াদা।

তিনি বলেন, আর যারা মানুষ পুড়িয়েছে, যারা জঙ্গিদের আশ্রয় দিয়েছে, যারা মানুষ হত্যা করেছে, তাদের কোনো ছাড় হবে না। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা নিতে থাকব।

জয় বলেন, আমাদের সুশীলরা-জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিরপেক্ষতার কথা বলে। সন্ত্রাস, মানুষ হত্যা, হত্যাকাণ্ড নিয়ে কি নিরপেক্ষতা হতে পারে? যারা সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লজ্জা পায় তারা সন্ত্রাসকে আশ্রয় দিচ্ছে, যারা খুনিদের বিরুদ্ধে কথা বলতে লজ্জা পায় তারা খুনিদের বাঁচিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছে।

নির্বাচন নিয়ে জাতীয় ঐক্যের উদ্দেশে জয় বলেন, নির্বাচন নিয়ে তারা ভয় দেখাতে চায়। যারা একটি ভোট পায় না তাদেরকে আমরা ভয় পাই না। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ গণতান্ত্রিক দল। আওয়ামী লীগ শুধুমাত্র মানুষের ভোটে ক্ষমতায় এসেছে। বন্দুকের নালা দিয়ে আওয়ামী লীগ কোনো দিন ক্ষমতায় আসেনি। এই সুশীল বাবুদের হুমকিতে আওয়ামী লীগের কিছু যায় আসে না। আমরা পরোয়া করি না।

জয় বলেন, আমার বিশ্বাস- শুধু আমার বিশ্বাস না, আমি মানুষকে জরিপ করে জানি বাংলাদেশের মানুষ এখন আওয়ামী লীগকে ভোট দেবেই। বিএনপি, সুশীল, জামায়াত এক হয়েও এখন বাংলাদেশে কোনো শক্তি নেই আওয়ামী লীগকে ভোটে হারাতে পারবে।

প্রধানমন্ত্রীপুত্র বলেন, তাই আমাদের আর কোনো ভয় নেই। আওয়ামী লীগের কখনোই কোনো ভয় থাকে না। তবে এখন দেশ এগিয়ে এসেছে, দেশের মানুষ সুখে আছে, শান্তিতে আছে। আওয়ামী লীগ এখন কাউকেই ভয় পায় না। সব ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করেই আমরা এত বছর পর এখানে এসেছি। আওয়ামী লীগকে সরানো এত সহজ নয়।

জয় বলেন, আসুন আজকে আমরা ওয়াদা করি- এ রকম ঘটনা বাংলাদেশের মাটিতে আমরা আর কোনো দিন হতে দেব না। আর যারা এই ষড়যন্ত্রকারীদের, খুনিদের সহযোগিতা করার চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে সব সময় কঠোর ব্যবস্থা নেব।