ঢাকা ১০:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাবার মুক্তির দাবিতে ফেস্টুন নিয়ে মহাসড়কে শিশুপুত্র

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেটের ওসমানীনগরের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের ওপর থেকে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ব্যবসায়ীরা। বুধবার দুপুরে উপজেলার গোয়ালাবাজারে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওপর সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

এতে এলাকার সহস্রাধিক ব্যবসায়ী অংশ নেন। মানববন্ধনে বাবার মুক্তির দাবিসংবলিত ফেস্টুন হাতে দাঁড়ানো শহিদুলের সাড়ে চার বছরের শিশুসন্তান সাফওয়ান চৌধুরী সবার হৃদয়ে নাড়া দেয়।

গোয়ালাবাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সেক্রেটারি তাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও ব্যবসায়ী মনির মিয়ার সঞ্চালনায় মানববন্ধন পরবর্তী প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য আশিক মিয়া, ব্যবসায়ী হাজী গৌছ মিয়া, সাহাব উদ্দিন শিকদার, ডা. সিরাজুল ইসলাম, গোয়ালাবাজার বণিক সমিতির সভাপতি হাজী আব্দুর রব গেদা মিয়া, সাবেক সভাপতি মিফতা রাজা চৌধুরী, সাবেক সহসভাপতি নিধির রঞ্জন সূত্রধর, সাধারণ সম্পাদক পরিমল দেব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমির খান, গোয়ালাবাজার পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি তাজ উদ্দিন, গোয়ালাবাজার কেমিস্ট সমিতির সভাপতি করবি রঞ্জন গোস্বামী, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিলদার আলী, উপজেলা প্রজন্মলীগের সাধারণ সম্পাদক রুয়েল আহমদ, ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান বাবলু, জাহাঙ্গীর আলম, মাহফুজুল হক আখলু, জামাল মিয়া, আমিরুল শিকদার, সোনা মিয়া গাজী, বশির আহমদ, উমরপুর গোয়ালাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাও. সুয়েব আহমদ, ব্যবসায়ী এমএ মতিন, আব্দুর রহিম, মিয়াদ আহমদ, মাসুদ আহমদ,শফিকুর রহমান, দিপংকর দেবনাথ প্রমুখ।

এছাড়া মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ডা. সিরাজুল ইসলাম, বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি মহসিন রাজা চৌধুরী মিফতা, ড্রাগ সমিতির সভাপতি করবী রঞ্জন গোস্বামী, ফার্মেসি ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম, অজিত দেব, শফিকুর রহমান, মিয়াদ আহমদ, মাসুদ আহমদ, ব্যবসায়ী নিধির রঞ্জন সূত্রধর, শফিকুল ইসলাম, সুখময়, শিকদার মোহাম্মদ কিবরীয়াহ, লেছু শিকদার, কামাল শিকদার, ফারুক মিয়া ঠিকাদার, বাবলু মিয়া, আবদুল মতিন গজনভী, বণিক সমিতি নেতা আমির খান, এমএ মতিন, আবদুল কাইয়ুম, ফিরুজ মিয়া, শশাঙ্ক, ওয়াহিদুর রহমান, কবির মিয়া, হাবিবুর রহমান, ইউপি সদস্য আমিরুল শিকদার, জামাল মিয়া, সোনা মিয়া গাজী, আবদুল বশির প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রোববার রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে তিন ভাই একসঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে আটক হয়। কিছুক্ষণ পর দুই ভাইকে ছেড়ে দিয়ে শহিদুলকে নিয়ে যাওয়া হয়। শহিদুল ইয়াবা ব্যবসায়ী হলে মানববন্ধনে এত লোক অংশ নিত না। তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তাই বিষয়টি অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা এবং মামলা প্রত্যাহার করে শহিদুলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে শহিদুলের বড় ভাই নূরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, একটি পক্ষের সঙ্গে তাদের ভূমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এর জেরে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে ১ ডজন মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এর ধারাবাহিকতায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে শহিদুলকে ফাঁসানো হয়েছে।

এদিকে র‌্যাব দাবি করেছে, র‌্যাব-৯ এর একটি দল গত রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে গোয়ালাবাজার এলাকা থেকে সহস্রাধিক ইয়াবাসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী কচপুরাই গ্রামের শহিদুল ইসলামকে আটক করে। পরদিন তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে ওসমানীনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় তাকে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার মুক্তির দাবিতে ফেস্টুন নিয়ে মহাসড়কে শিশুপুত্র

আপডেট সময় ০৯:৩০:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সিলেটের ওসমানীনগরের ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের ওপর থেকে মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে ব্যবসায়ীরা। বুধবার দুপুরে উপজেলার গোয়ালাবাজারে সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের ওপর সর্বস্তরের ব্যবসায়ীদের ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।

এতে এলাকার সহস্রাধিক ব্যবসায়ী অংশ নেন। মানববন্ধনে বাবার মুক্তির দাবিসংবলিত ফেস্টুন হাতে দাঁড়ানো শহিদুলের সাড়ে চার বছরের শিশুসন্তান সাফওয়ান চৌধুরী সবার হৃদয়ে নাড়া দেয়।

গোয়ালাবাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সেক্রেটারি তাজ উদ্দিনের সভাপতিত্বে ও ব্যবসায়ী মনির মিয়ার সঞ্চালনায় মানববন্ধন পরবর্তী প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য দেন সিলেট জেলা পরিষদের সদস্য আশিক মিয়া, ব্যবসায়ী হাজী গৌছ মিয়া, সাহাব উদ্দিন শিকদার, ডা. সিরাজুল ইসলাম, গোয়ালাবাজার বণিক সমিতির সভাপতি হাজী আব্দুর রব গেদা মিয়া, সাবেক সভাপতি মিফতা রাজা চৌধুরী, সাবেক সহসভাপতি নিধির রঞ্জন সূত্রধর, সাধারণ সম্পাদক পরিমল দেব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমির খান, গোয়ালাবাজার পরিচালনা কমিটির সেক্রেটারি তাজ উদ্দিন, গোয়ালাবাজার কেমিস্ট সমিতির সভাপতি করবি রঞ্জন গোস্বামী, উপজেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিলদার আলী, উপজেলা প্রজন্মলীগের সাধারণ সম্পাদক রুয়েল আহমদ, ইউপি সদস্য আব্দুর রহমান বাবলু, জাহাঙ্গীর আলম, মাহফুজুল হক আখলু, জামাল মিয়া, আমিরুল শিকদার, সোনা মিয়া গাজী, বশির আহমদ, উমরপুর গোয়ালাবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাও. সুয়েব আহমদ, ব্যবসায়ী এমএ মতিন, আব্দুর রহিম, মিয়াদ আহমদ, মাসুদ আহমদ,শফিকুর রহমান, দিপংকর দেবনাথ প্রমুখ।

এছাড়া মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন ডা. সিরাজুল ইসলাম, বণিক সমিতির সাবেক সভাপতি মহসিন রাজা চৌধুরী মিফতা, ড্রাগ সমিতির সভাপতি করবী রঞ্জন গোস্বামী, ফার্মেসি ব্যবসায়ী আব্দুর রহিম, অজিত দেব, শফিকুর রহমান, মিয়াদ আহমদ, মাসুদ আহমদ, ব্যবসায়ী নিধির রঞ্জন সূত্রধর, শফিকুল ইসলাম, সুখময়, শিকদার মোহাম্মদ কিবরীয়াহ, লেছু শিকদার, কামাল শিকদার, ফারুক মিয়া ঠিকাদার, বাবলু মিয়া, আবদুল মতিন গজনভী, বণিক সমিতি নেতা আমির খান, এমএ মতিন, আবদুল কাইয়ুম, ফিরুজ মিয়া, শশাঙ্ক, ওয়াহিদুর রহমান, কবির মিয়া, হাবিবুর রহমান, ইউপি সদস্য আমিরুল শিকদার, জামাল মিয়া, সোনা মিয়া গাজী, আবদুল বশির প্রমুখ।

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রোববার রাতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে তিন ভাই একসঙ্গে বাড়ি ফেরার পথে আটক হয়। কিছুক্ষণ পর দুই ভাইকে ছেড়ে দিয়ে শহিদুলকে নিয়ে যাওয়া হয়। শহিদুল ইয়াবা ব্যবসায়ী হলে মানববন্ধনে এত লোক অংশ নিত না। তাকে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে ফাঁসানো হয়েছে। তাই বিষয়টি অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা এবং মামলা প্রত্যাহার করে শহিদুলের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানান বক্তারা।

মানববন্ধনে শহিদুলের বড় ভাই নূরুল ইসলাম চৌধুরী জানান, একটি পক্ষের সঙ্গে তাদের ভূমিসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। এর জেরে বিভিন্ন সময়ে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যে মামলা দিয়ে আসছে। ইতিমধ্যে ১ ডজন মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। এর ধারাবাহিকতায় ষড়যন্ত্রমূলকভাবে শহিদুলকে ফাঁসানো হয়েছে।

এদিকে র‌্যাব দাবি করেছে, র‌্যাব-৯ এর একটি দল গত রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে গোয়ালাবাজার এলাকা থেকে সহস্রাধিক ইয়াবাসহ স্থানীয় ব্যবসায়ী কচপুরাই গ্রামের শহিদুল ইসলামকে আটক করে। পরদিন তার বিরুদ্ধে মাদক আইনে মামলা দায়ের করে ওসমানীনগর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয় তাকে।