ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

শরণার্থী শিবিরে টর্নোডোতে উড়ে গেল শিশু

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকের মসুল শহরের একটি শরণার্থী শিবিরে আঘাত হানা টর্নোডো উড়িয়ে নিয়েছে এক শিশুকে। এতে শিশুটি গুরুতর জখম হয়েছে। গত ১১ আগস্ট ওই শরণার্থী শিবিরে আঘাত হানে টর্নেডো। সম্প্রতি ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। খবর- এবিসি নিউজের।

টর্নেডোর আঘাতে শিবিরের কয়েকটি তাবুসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র উড়িয়ে নিয়ে যায় তীব্র বাতাস। এ সময় তাবুতে থাকা এক শিশুকে উড়িয়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে ঘূর্ণিবায়ু। গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত মে মাসে মসুলের ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে সালামিয়া নামে ওই শরণার্থী শিবির চালু করা হয়। শিবিরের ধারণক্ষমতা ৩০ হাজার। মসুলে ইরাকের সরকারি বাহিনী ও আইএস জঙ্গিদের চলমান যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ও উদ্বাস্তু হয়ে পালিয়ে আসা মানুষের জন্য এ শরণার্থী শিবির গড়ে ওঠে। কিন্তু এ যুদ্ধের ফলে ইরাকের নাগরিকরা চরম মানবিক সংকটে ভুগছেন।

মসুলে দুইপক্ষের যুদ্ধের কারণে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ লাখ মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে তারা দেশের বিভিন্ন শরণার্থী শিবির ও নিরাপদ স্থানে গিয়ে বসবাস করছে। তবে এসব শিবিরে ঠাঁই পেয়েছেন পালিয়ে আসা লোকজনের সামান্য অংশ। কিন্তু তীব্র গরম থেকে বাঁচতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে তাদের। এসব এলাকায় তাপমাত্রা কখনো কখনো ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

শরণার্থী শিবিরে টর্নোডোতে উড়ে গেল শিশু

আপডেট সময় ০১:৫৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

যুদ্ধবিধ্বস্ত ইরাকের মসুল শহরের একটি শরণার্থী শিবিরে আঘাত হানা টর্নোডো উড়িয়ে নিয়েছে এক শিশুকে। এতে শিশুটি গুরুতর জখম হয়েছে। গত ১১ আগস্ট ওই শরণার্থী শিবিরে আঘাত হানে টর্নেডো। সম্প্রতি ওই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়েছে। খবর- এবিসি নিউজের।

টর্নেডোর আঘাতে শিবিরের কয়েকটি তাবুসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র উড়িয়ে নিয়ে যায় তীব্র বাতাস। এ সময় তাবুতে থাকা এক শিশুকে উড়িয়ে নিয়ে ছুঁড়ে ফেলে ঘূর্ণিবায়ু। গুরুতর অবস্থায় শিশুটিকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গত মে মাসে মসুলের ৩০ কিলোমিটার দক্ষিণে সালামিয়া নামে ওই শরণার্থী শিবির চালু করা হয়। শিবিরের ধারণক্ষমতা ৩০ হাজার। মসুলে ইরাকের সরকারি বাহিনী ও আইএস জঙ্গিদের চলমান যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্ত ও উদ্বাস্তু হয়ে পালিয়ে আসা মানুষের জন্য এ শরণার্থী শিবির গড়ে ওঠে। কিন্তু এ যুদ্ধের ফলে ইরাকের নাগরিকরা চরম মানবিক সংকটে ভুগছেন।

মসুলে দুইপক্ষের যুদ্ধের কারণে এখন পর্যন্ত অন্তত ১০ লাখ মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন। বর্তমানে তারা দেশের বিভিন্ন শরণার্থী শিবির ও নিরাপদ স্থানে গিয়ে বসবাস করছে। তবে এসব শিবিরে ঠাঁই পেয়েছেন পালিয়ে আসা লোকজনের সামান্য অংশ। কিন্তু তীব্র গরম থেকে বাঁচতে সংগ্রাম করতে হচ্ছে তাদের। এসব এলাকায় তাপমাত্রা কখনো কখনো ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে যাচ্ছে।