ঢাকা ০১:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জম্মু-কাশ্মীর তারেক রহমানের খুলনার সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল বিএনপি জনগণের কাছে পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক দল: ড. মোশাররফ হোসেন এমএ কাইয়ুমের প্রার্থিতার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে নাহিদ ইসলামের রিট নারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করবে বিএনপি: ইশরাক হোসেন খালেদা জিয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে হিমালয়ের মত দাঁড়িয়েছিলেন: রিজভী নির্বাচিত হলে ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের প্রতিশ্রুতি আমিনুল হকের জাতীয়তাবাদী শক্তি ও ভোটাররা সঙ্গে থাকলে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যাপার: পার্থ বেহেশতের লোভ দেখিয়ে একটি দল ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে: মেজর হাফিজ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

টাঙ্গাইল-৬ আসনে নৌকার মাঝি হতে চান আশরাফ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান ব্যারিস্টার আশরাফ। দলীয় মনোনয়ন পেতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছেন তিনি। নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ, পথসভাসহ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি। জনসাধারণের কাছে তুলে ধরছেন বর্তমান সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড। এর মাধ্যমে তৃণমূলে দলকে শক্তিশালী করছেন তিনি।

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত শুধু নাগরপুর নিয়ে টাঙ্গাইল-৬ আসন ছিল। দেলদুয়ার উপজেলাটি তখন টাঙ্গাইল-৫ সদর আসনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ওই সময়ে সাংসদ নির্বাচিত হতেন সদর উপজেলা থেকে। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচন থেকে টাঙ্গাইল-৬ আসনে দেলদুয়ার-নাগরপুর সংযুক্ত করার পর থেকে সংসদ সদস্য হয়ে আসছেন নাগরপুরের প্রার্থী।

দেলদুয়ার উপজেলা থেকে বহুদিন পর প্রার্থী হতে চাচ্ছেন ব্যারিস্টার আশরাফ। একারণে দেলদুয়ার উপজেলার সাধারণ মানুষ তার মনোনয়ন চাওয়াটাকে অনেকটাই ইতিবাচক দেখছেন।

এদিকে নাগরপুরে তার জন্মস্থান এবং দেলদুয়ারে বাসস্থান হওয়াতে উভয় উপজেলাতেই রয়েছে তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা।

এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে বর্তমান তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, বর্তমান সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল বাতেন ও জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু নৌকার মনোনয়ন পেতে জোর চেষ্টা ও গণসংযোগ করছেন।

এতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মনোনয়ন প্রত্যাশীর সাথে গণসংযোগে অংশ নিতে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।

মনোনয়ন পেতে আশরাফুল ইসলা মাঠে নেমেছেন জোরালোভাবে। ঘরে ঘরে চাচ্ছেন নৌকার ভোট। প্রতিনিয়ত গণসংযোগ করছেন তিনি। তার প্রচারণা মূলত ঘরে ঘরে। আশরাফের সমর্থকদের একটি অংশ প্রতিনিয়ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে নৌকার জন্য ভোট চাইছেন।

মিছিল সমাবেশের চেয়ে তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বাড়ি-বাড়ি গিয়ে নৌকার জন্য ভোট চাওয়াটাকে। সাথে তুলে ধরছেন সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। প্রতিটি স্কুলে-স্কুলে শিক্ষার্থীদের গিয়ে শিশুদের পড়ালেখার প্রতি উৎসাহ, জয়ী ব্যক্তিদের জীবনী আলোচনা, ঝরে পড়া শিশুদের পড়ালেখায় ফেরাতে উৎসাহ দিয়ে আসছেন তিনি।

নিজেদের মেধায় নিজেদের পরিশ্রমে নিজেদের ভাগ্য গড়ার স্বপ্ন দেখিয়ে তরুণ ও যুব সম্প্রদায়কেও অনেকটা কাছে পেয়েছেন। এতে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবার কাছে সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

আশরাফুল ইসলাম ভারতের ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০০ সালে এল. এল. বি (অনার্স) শেষ করে দেশে ফিরে আসেন। ২০০২ সালে আশরাফ ঢাকা জর্জ কোট এবং ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০০৬ সালে তিনি আবার উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনে চলে যান। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১১ সালে ‘ইংল্যাড অ্যান্ড ওয়েলস এর সলিসিটর হিসেবে যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় নিজেকে নিয়োজিত হন। ২০১৪ সালে আশরাফ কৃতিত্বের সঙ্গে অনারেবল সোসাইটি অব লিংকনস ইন থেকে ‘ব্যারিস্টার-এট-ল উপাধি লাভ করেন।

১৯৯০ স্কুল ক্যাপটেন নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদ হঠাও আন্দোলনে রাজনৈতিক মামলায় অভিযুক্ত হন। ২৬ নভেম্বর জামিনে মুক্ত হন। রাজনীতিমুক্ত রাখতে তার পরিবার তাকে রাজনীতি মুক্ত ঢাকা কমার্স কলেজে ভর্তি করেন। এরপরও ১৯৯৩ সালে ২৫ এপ্রিল যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের ফাঁসির দাবির মিছিলে পুলিশের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই সময় শেখ হাসিনা আশরাফের চিকিৎসার সকল ব্যয়ভার গ্রহণ করেন।

১৯৯৫ সালে আশরাফ ব্যাঙ্গালোরে পড়াশোনার সময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ব্যাঙ্গালোর শাখা প্রতিষ্ঠা করেন।

২০০০ সালে দেশে ফিরে আশরাফ জামালপুরের ইসলামপুর সংসদীয় আসনের কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির রাজনৈতিক সহযোগী হিসেবে কাজ করেন।

২০০২ সালে জাতীয় নির্বাচনের পর আশরাফ শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে আরও সংগঠিত করার লিখিত প্রস্তাব দেন। এ সময় শেখ হাসিনা সরাসরি তাকে আইন পেশায় নিয়োজিত হতে অনুপ্রাণিত করেন। আশরাফ তখন থেকে আইন পেশায় নিয়োজিত হন।

ব্যারিস্টার আশরাফ বলেন, ‘শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে তৃণমূলে আমি কাজ করছি। তার মতো দেশ ও এলাকার জনগণের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। আমাকে বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে নির্বাচিত করা হলে এলাকার উন্নয়নে সাহায্য করতে পারব। নাগরপুর-দেলদুয়ারের সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।’

মনোনয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘৩০ বছর ধরে এলাকার তৃণমূল মানুষের সঙ্গে কাজ করছি। দল জনপ্রিয়তা দেখে মনোনয়ন দিলে আমার বিশ্বাস শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে দল আমাকে অবশ্যই মনোনয়ন দেবেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল জম্মু-কাশ্মীর

টাঙ্গাইল-৬ আসনে নৌকার মাঝি হতে চান আশরাফ

আপডেট সময় ০১:০৭:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসন থেকে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হতে চান ব্যারিস্টার আশরাফ। দলীয় মনোনয়ন পেতে ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছেন তিনি। নির্বাচনী এলাকায় গণসংযোগ, পথসভাসহ উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে জনগণের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন তিনি। জনসাধারণের কাছে তুলে ধরছেন বর্তমান সরকারের নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড। এর মাধ্যমে তৃণমূলে দলকে শক্তিশালী করছেন তিনি।

অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পর্যন্ত শুধু নাগরপুর নিয়ে টাঙ্গাইল-৬ আসন ছিল। দেলদুয়ার উপজেলাটি তখন টাঙ্গাইল-৫ সদর আসনের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ওই সময়ে সাংসদ নির্বাচিত হতেন সদর উপজেলা থেকে। ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচন থেকে টাঙ্গাইল-৬ আসনে দেলদুয়ার-নাগরপুর সংযুক্ত করার পর থেকে সংসদ সদস্য হয়ে আসছেন নাগরপুরের প্রার্থী।

দেলদুয়ার উপজেলা থেকে বহুদিন পর প্রার্থী হতে চাচ্ছেন ব্যারিস্টার আশরাফ। একারণে দেলদুয়ার উপজেলার সাধারণ মানুষ তার মনোনয়ন চাওয়াটাকে অনেকটাই ইতিবাচক দেখছেন।

এদিকে নাগরপুরে তার জন্মস্থান এবং দেলদুয়ারে বাসস্থান হওয়াতে উভয় উপজেলাতেই রয়েছে তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা।

এ আসনে আওয়ামী লীগ থেকে বর্তমান তথ্য প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম, বর্তমান সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল বাতেন ও জেলা আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক আহসানুল ইসলাম টিটু নৌকার মনোনয়ন পেতে জোর চেষ্টা ও গণসংযোগ করছেন।

এতে আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা মনোনয়ন প্রত্যাশীর সাথে গণসংযোগে অংশ নিতে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন।

মনোনয়ন পেতে আশরাফুল ইসলা মাঠে নেমেছেন জোরালোভাবে। ঘরে ঘরে চাচ্ছেন নৌকার ভোট। প্রতিনিয়ত গণসংযোগ করছেন তিনি। তার প্রচারণা মূলত ঘরে ঘরে। আশরাফের সমর্থকদের একটি অংশ প্রতিনিয়ত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে নৌকার জন্য ভোট চাইছেন।

মিছিল সমাবেশের চেয়ে তারা বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন বাড়ি-বাড়ি গিয়ে নৌকার জন্য ভোট চাওয়াটাকে। সাথে তুলে ধরছেন সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড। প্রতিটি স্কুলে-স্কুলে শিক্ষার্থীদের গিয়ে শিশুদের পড়ালেখার প্রতি উৎসাহ, জয়ী ব্যক্তিদের জীবনী আলোচনা, ঝরে পড়া শিশুদের পড়ালেখায় ফেরাতে উৎসাহ দিয়ে আসছেন তিনি।

নিজেদের মেধায় নিজেদের পরিশ্রমে নিজেদের ভাগ্য গড়ার স্বপ্ন দেখিয়ে তরুণ ও যুব সম্প্রদায়কেও অনেকটা কাছে পেয়েছেন। এতে শিশু থেকে বৃদ্ধ পর্যন্ত সবার কাছে সাদা মনের মানুষ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।

আশরাফুল ইসলাম ভারতের ব্যাঙ্গালোর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ২০০০ সালে এল. এল. বি (অনার্স) শেষ করে দেশে ফিরে আসেন। ২০০২ সালে আশরাফ ঢাকা জর্জ কোট এবং ২০০৪ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবীর যোগ্যতা অর্জন করেন। ২০০৬ সালে তিনি আবার উচ্চশিক্ষার জন্য লন্ডনে চলে যান। লন্ডন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১১ সালে ‘ইংল্যাড অ্যান্ড ওয়েলস এর সলিসিটর হিসেবে যুক্তরাজ্যে আইন পেশায় নিজেকে নিয়োজিত হন। ২০১৪ সালে আশরাফ কৃতিত্বের সঙ্গে অনারেবল সোসাইটি অব লিংকনস ইন থেকে ‘ব্যারিস্টার-এট-ল উপাধি লাভ করেন।

১৯৯০ স্কুল ক্যাপটেন নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে রাজনীতি শুরু করেন। ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদ হঠাও আন্দোলনে রাজনৈতিক মামলায় অভিযুক্ত হন। ২৬ নভেম্বর জামিনে মুক্ত হন। রাজনীতিমুক্ত রাখতে তার পরিবার তাকে রাজনীতি মুক্ত ঢাকা কমার্স কলেজে ভর্তি করেন। এরপরও ১৯৯৩ সালে ২৫ এপ্রিল যুদ্ধাপরাধী গোলাম আযমের ফাঁসির দাবির মিছিলে পুলিশের আঘাতে গুরুতর আহত হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হন। ওই সময় শেখ হাসিনা আশরাফের চিকিৎসার সকল ব্যয়ভার গ্রহণ করেন।

১৯৯৫ সালে আশরাফ ব্যাঙ্গালোরে পড়াশোনার সময় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ব্যাঙ্গালোর শাখা প্রতিষ্ঠা করেন।

২০০০ সালে দেশে ফিরে আশরাফ জামালপুরের ইসলামপুর সংসদীয় আসনের কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতির রাজনৈতিক সহযোগী হিসেবে কাজ করেন।

২০০২ সালে জাতীয় নির্বাচনের পর আশরাফ শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে আরও সংগঠিত করার লিখিত প্রস্তাব দেন। এ সময় শেখ হাসিনা সরাসরি তাকে আইন পেশায় নিয়োজিত হতে অনুপ্রাণিত করেন। আশরাফ তখন থেকে আইন পেশায় নিয়োজিত হন।

ব্যারিস্টার আশরাফ বলেন, ‘শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে তৃণমূলে আমি কাজ করছি। তার মতো দেশ ও এলাকার জনগণের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই। আমাকে বঙ্গবন্ধুর সৈনিক হিসেবে নির্বাচিত করা হলে এলাকার উন্নয়নে সাহায্য করতে পারব। নাগরপুর-দেলদুয়ারের সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা করবো।’

মনোনয়নের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘৩০ বছর ধরে এলাকার তৃণমূল মানুষের সঙ্গে কাজ করছি। দল জনপ্রিয়তা দেখে মনোনয়ন দিলে আমার বিশ্বাস শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে দল আমাকে অবশ্যই মনোনয়ন দেবেন।’