ঢাকা ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করবে বিএনপি: ইশরাক হোসেন খালেদা জিয়া গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে হিমালয়ের মত দাঁড়িয়েছিলেন: রিজভী নির্বাচিত হলে ঘরে ঘরে গ্যাস সংযোগের প্রতিশ্রুতি আমিনুল হকের জাতীয়তাবাদী শক্তি ও ভোটাররা সঙ্গে থাকলে তারেক রহমানের প্রধানমন্ত্রী হওয়া সময়ের ব্যাপার: পার্থ বেহেশতের লোভ দেখিয়ে একটি দল ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা করছে: মেজর হাফিজ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ ও উৎসবমুখর নির্বাচনের সকল প্রস্তুতি নিয়েছে প্রশাসন: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বর্তমান সরকারের গণভোটের আয়োজন দেশদ্রোহিতা: জি এম কাদের বিশ্বকাপ খেলবে পাকিস্তান, বয়কট করবে ভারত ম্যাচ হাদি হত্যার দায় স্বীকার, জবানবন্দি রুবেলের পুরুষই নারীর পরিচালক, এটা মেনে নিয়েই আমরা রাজনীতিতে এসেছি: জামায়াত নেত্রী

ড. কামালের আসল চেহারা দেখেছেন জয়

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হরতাল অবরোধের নামে নিরীহ মানুষদের পুড়িয়ে মারায় অভিযুক্ত বিএনপি ও স্বাধীনতাবিরোধী দল জামায়াতের সঙ্গে জোট করায় ড. কামাল হোসেনের আসল চেহারা সবার সামনে উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। বলেছেন, তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশে বিদেশি হস্তক্ষেপ।

সোমবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে করা এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘তার (ড. কামাল) এক জোটসঙ্গী বিএনপি ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত নিরীহ মানুষদের জ্যান্ত পুড়িয়ে মেরেছে। তার আরেক সঙ্গী জামাত মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতন, ধর্ষণ ও গণহত্যায় জড়িত ছিল।’

‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক রহমান আমার মা ও আওয়ামী লীগের উপর গ্রেনেড হামলার দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী। তাদের সভাপতি খালেদা জিয়াও দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত একজন অপরাধী।’

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ‘জাতীয় ঐক্য’ গঠনে মরিয়া হয়ে ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম এবং তৃতীয় শক্তি হওয়ার ঘোষণা দেয়া যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনা চালাতে থাকে।

এর আগে কামাল হোসেন আবার জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া নামে আরও একটি উদ্যোগ নিয়ে আগান যেখানে মূলত গণফোরাম এবং আওয়ামী লীগের দলছুট কয়েকজন নেতা ছিলেন।

তবে যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এই প্রক্রিয়া থেকে ছিটকে গেছেন আর তাকে বাদ দিয়েই গত ১৩ অক্টোবর ঘোষণা এসেছে ঐক্যের। নাম দেয়া হয়েছে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’।

বিএনপির সঙ্গে জামায়াত থাকলে ঐক্য নয়- এই ঘোষণা ভুলে কামাল হোসেন ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন বিএনপির সঙ্গে। আরও আছে জেএসডি ও নাগরিক ঐক্য।

গণফোরাম নেতাকে এরই মধ্যে একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জয়ের সমালোচনাতেও একই ঢং।

প্রধানমন্ত্রী পুত্র লেখেন, ‘১/১১ এর সেনা সমর্থিত সরকার আনার পেছনে অন্যতম ভূমিকা পালন করেছিল এই কামাল হোসেন। তার ইহুদি জামাতা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে লড়াই করে গেছেন অনেক বছর আর এখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনবরত মিথ্যাচার করেই যাচ্ছেন। কামাল হোসেন এর মেয়ে ও জামাতা উভয়ই বিদেশে বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বিদেশিদের বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করানোর উদ্দেশ্যে।’

‘এই ধরনের মানুষদের উপর আমার বিতৃষ্ণা এসে গেছে। তাদের কোনো নৈতিকতা নেই, সততা নেই, নেই বাংলাদেশের জন্য কোনো ভালোবাসা। ক্ষমতার লোভে তারা দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসীদের হাত মেলাতে পারে স্বাচ্ছন্দ্যে। তারা দেশপ্রেমিক নয়, তারা বাংলাদেশ বিরোধী।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের অধিকার সমুন্নত রাখতে কাজ করবে বিএনপি: ইশরাক হোসেন

ড. কামালের আসল চেহারা দেখেছেন জয়

আপডেট সময় ০১:৫৯:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

হরতাল অবরোধের নামে নিরীহ মানুষদের পুড়িয়ে মারায় অভিযুক্ত বিএনপি ও স্বাধীনতাবিরোধী দল জামায়াতের সঙ্গে জোট করায় ড. কামাল হোসেনের আসল চেহারা সবার সামনে উন্মোচিত হয়েছে বলে মনে করেন প্রধানমন্ত্রীর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। বলেছেন, তাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশে বিদেশি হস্তক্ষেপ।

সোমবার রাতে নিজের ফেসবুক পেজে করা এক পোস্টে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা বলেন, ‘তার (ড. কামাল) এক জোটসঙ্গী বিএনপি ২০১৩ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত নিরীহ মানুষদের জ্যান্ত পুড়িয়ে মেরেছে। তার আরেক সঙ্গী জামাত মুক্তিযুদ্ধের সময় নির্যাতন, ধর্ষণ ও গণহত্যায় জড়িত ছিল।’

‘বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি তারেক রহমান আমার মা ও আওয়ামী লীগের উপর গ্রেনেড হামলার দণ্ডপ্রাপ্ত অপরাধী। তাদের সভাপতি খালেদা জিয়াও দুর্নীতির মামলায় সাজাপ্রাপ্ত একজন অপরাধী।’

আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি ‘জাতীয় ঐক্য’ গঠনে মরিয়া হয়ে ড. কামাল হোসেনের গণফোরাম এবং তৃতীয় শক্তি হওয়ার ঘোষণা দেয়া যুক্তফ্রন্টের সঙ্গে আলোচনা চালাতে থাকে।

এর আগে কামাল হোসেন আবার জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়া নামে আরও একটি উদ্যোগ নিয়ে আগান যেখানে মূলত গণফোরাম এবং আওয়ামী লীগের দলছুট কয়েকজন নেতা ছিলেন।

তবে যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এই প্রক্রিয়া থেকে ছিটকে গেছেন আর তাকে বাদ দিয়েই গত ১৩ অক্টোবর ঘোষণা এসেছে ঐক্যের। নাম দেয়া হয়েছে ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’।

বিএনপির সঙ্গে জামায়াত থাকলে ঐক্য নয়- এই ঘোষণা ভুলে কামাল হোসেন ঐক্যবদ্ধ হয়েছেন বিএনপির সঙ্গে। আরও আছে জেএসডি ও নাগরিক ঐক্য।

গণফোরাম নেতাকে এরই মধ্যে একহাত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। জয়ের সমালোচনাতেও একই ঢং।

প্রধানমন্ত্রী পুত্র লেখেন, ‘১/১১ এর সেনা সমর্থিত সরকার আনার পেছনে অন্যতম ভূমিকা পালন করেছিল এই কামাল হোসেন। তার ইহুদি জামাতা যুদ্ধাপরাধীদের বাঁচানোর জন্য মরিয়া হয়ে লড়াই করে গেছেন অনেক বছর আর এখন বাংলাদেশের বিরুদ্ধে অনবরত মিথ্যাচার করেই যাচ্ছেন। কামাল হোসেন এর মেয়ে ও জামাতা উভয়ই বিদেশে বাংলাদেশবিরোধী তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন বিদেশিদের বাংলাদেশে হস্তক্ষেপ করানোর উদ্দেশ্যে।’

‘এই ধরনের মানুষদের উপর আমার বিতৃষ্ণা এসে গেছে। তাদের কোনো নৈতিকতা নেই, সততা নেই, নেই বাংলাদেশের জন্য কোনো ভালোবাসা। ক্ষমতার লোভে তারা দুর্নীতিবাজ ও সন্ত্রাসীদের হাত মেলাতে পারে স্বাচ্ছন্দ্যে। তারা দেশপ্রেমিক নয়, তারা বাংলাদেশ বিরোধী।’