ঢাকা ০৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
স্মরণকালের সেরা দুর্গাপূজা উপহার দিলেন দেশনায়ক  তারেক রহমান ঢাকার বাস টার্মিনাল ও অটোরিকশা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সোহেল গরিবের বিচার, ধনীর বিচার এক করতে হবে —এটাই তারেক রহমানের নতুন বাংলাদেশ আইএইচএফ নেশনস ট্রফিতে ভারতের কাছে হেরে রানার্সআপ বাংলাদেশ কাতার, তুরস্ক, পাকিস্তান ও ইন্দোনেশিয়ার ঐতিহাসিক বদর প্রতিরক্ষা চুক্তি দ্বিগুণ যাত্রী সামলাতে হিমশিম দেশের বিমানবন্দরগুলো মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির মূল দলিল পেশ করলো তুরস্ক সাইবার আইনে মতপ্রকাশ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা হুমকিতে ফাঁসের ঘটনায় বিএআরসির সহকারী পরিচালক আটক: যুব উন্নয়নের ৪৫তম বিসিএসে গেজেট থেকে বাদ: অনিশ্চিত জীবনে ৫৬ মেধাবী

আপিল করে তারেক রহমানসহ সবাইকে মুক্ত করব: জয়নুল আবেদীন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিকে আপিলের মাধ্যমে খালাস করা হবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

তিনি বলেন, আমরা আশা করি তারেক রহমান এবং যাদেরকে এ মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে তাদের সব আসামিকে খালাস করাতে সক্ষম হব।

বুধবার দুপুরে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার রায়ের প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন।

জয়নুল আবেদীন বলেন, মুফতি হান্নানকে ৪১০ দিন রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। অথচ আমাদের আইনে আছে একটি মামলায় ১৫ দিনের বেশি কাউকে রিমান্ডে নেয়া যাবে না। কিন্তু মুফতি হান্নানকে ৪১০ দিন রিমান্ডে রেখে অমানুষিক নির্যাতন করে তারেক রহমানের নাম বলানো হয়েছে। যদিও তারেক রহমানের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।

তিনি বলেন, এই মামলায় সাক্ষী ছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা)। মুফতি হান্নান ও প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাতে তারেকের নাম বললে বুঝতাম তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। কিন্তু একদিকে তিনি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) তারেক রহমানের নাম বলেননি (সাক্ষ্যে) অন্যদিকে তিনি সাক্ষ্য দিতেও আদালতে যাননি। তাই এই মামলায় তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়ার কিছু নেই।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, মুফতি হান্নানের ১৬৪ ধারায় যে জবানবন্দি নেয়া হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে বিএনপির অনেককে সাজা দেয়া হয়েছে। লুৎফুজ্জামান বাবার, পিন্টুকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। সেই ১৬৪ ধারার জবানবন্দি আদালতে না দেয়া পর্যন্ত তাদের সাজা হতে পারে না। তাই এই সাজা হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই সরকার আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদেরকে সাজা দিয়েছে, অথচ মামলায় সাজা দেয়ার মতো কোনো কিছুই ছিল না। একদিকে তারা আদালতকে ব্যবহার করেছেন অন্যদিকে তারা নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য, সারা বাংলাদেশে একটি নৈরাজ্যকর অবস্থার সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

আশাবাদ ব্যক্ত করে জয়নুল বলেন, আমরা আশা করি তারেক রহমান এবং যাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে এই মামলায় আমরা আশা করি আপিল করে তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস করতে সক্ষম হব। সমাবেশে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

যুক্তরাজ্যে মানব পাচারকারী চক্রের ২১ সদস্যের কারাদণ্ড

আপিল করে তারেক রহমানসহ সবাইকে মুক্ত করব: জয়নুল আবেদীন

আপডেট সময় ০৭:৩৮:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সব আসামিকে আপিলের মাধ্যমে খালাস করা হবে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন।

তিনি বলেন, আমরা আশা করি তারেক রহমান এবং যাদেরকে এ মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে তাদের সব আসামিকে খালাস করাতে সক্ষম হব।

বুধবার দুপুরে সুপ্রিমকোর্ট প্রাঙ্গণে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলার রায়ের প্রতিবাদে জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ কথা বলেন।

জয়নুল আবেদীন বলেন, মুফতি হান্নানকে ৪১০ দিন রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। অথচ আমাদের আইনে আছে একটি মামলায় ১৫ দিনের বেশি কাউকে রিমান্ডে নেয়া যাবে না। কিন্তু মুফতি হান্নানকে ৪১০ দিন রিমান্ডে রেখে অমানুষিক নির্যাতন করে তারেক রহমানের নাম বলানো হয়েছে। যদিও তারেক রহমানের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না।

তিনি বলেন, এই মামলায় সাক্ষী ছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী (শেখ হাসিনা)। মুফতি হান্নান ও প্রধানমন্ত্রী সাক্ষাতে তারেকের নাম বললে বুঝতাম তার সম্পৃক্ততা রয়েছে। কিন্তু একদিকে তিনি (প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) তারেক রহমানের নাম বলেননি (সাক্ষ্যে) অন্যদিকে তিনি সাক্ষ্য দিতেও আদালতে যাননি। তাই এই মামলায় তারেক রহমানকে যাবজ্জীবন সাজা দেয়ার কিছু নেই।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে, মুফতি হান্নানের ১৬৪ ধারায় যে জবানবন্দি নেয়া হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে বিএনপির অনেককে সাজা দেয়া হয়েছে। লুৎফুজ্জামান বাবার, পিন্টুকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। সেই ১৬৪ ধারার জবানবন্দি আদালতে না দেয়া পর্যন্ত তাদের সাজা হতে পারে না। তাই এই সাজা হয়েছে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই সরকার আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে তাদেরকে সাজা দিয়েছে, অথচ মামলায় সাজা দেয়ার মতো কোনো কিছুই ছিল না। একদিকে তারা আদালতকে ব্যবহার করেছেন অন্যদিকে তারা নির্বাচনকে প্রভাবিত করার জন্য, সারা বাংলাদেশে একটি নৈরাজ্যকর অবস্থার সৃষ্টির চেষ্টা করছে।

আশাবাদ ব্যক্ত করে জয়নুল বলেন, আমরা আশা করি তারেক রহমান এবং যাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে এই মামলায় আমরা আশা করি আপিল করে তারেক রহমানসহ সব আসামিকে খালাস করতে সক্ষম হব। সমাবেশে সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সম্পাদক এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, একেএম এহসানুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।