ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ১৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অসৎ কাজ থেকে বিরত থেকেছি, তাই আমার বুকের জোড় বেশি: মির্জা ফখরুল নির্বাচন ও গণভোটে কঠোর নিরাপত্তায়, সারাদেশে ৩৭ হাজারের বেশি বিজিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে নওগাঁয় ট্রাকচাপায় প্রাণ গেল ৫ জনের ১৭ বছ‌রের গুম-খুন-কান্না, রিমান্ড অত‌্যাচার সহ্য ক‌রে‌ছি: পার্থ একটি দল টাকা দিয়ে ভোট কিনছে : সেলিমা রহমান তারেক রহমানকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই: আবু সাঈদের বাবা ‘ঘুম থেকে উঠে মানুষ আল্লাহর নাম নেয়, একজন আছে জেগেই আমার নাম নেন’:মির্জা আব্বাস সরকারি কর্মচারীরা ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোটের পক্ষে অবস্থান নিতে পারবেন না: ইসি সানাউল্লাহ গরিবের টিন-কম্বল কেউ আত্মসাৎ করতে পারবে না : মুফতি ফয়জুল করিম রাজধানীতে আবাসিক ভবনে আগুন, নিয়ন্ত্রণে চারটি ইউনিট

সরকারের কাঁপুনি দেখছেন রিজভী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির সমাবেশ উপস্থিতি দেখে সরকারের কাঁপুনি শুরু হয়ে গেছে বলে মনে করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বলেছেন, ‘সরকারি আক্রমণের বাধার মুখেও এত বিপুল মানুষের বিএনপির সমাবেশ দেখে তারা হতাশ হয়ে মনের বিকারে প্রলাপ বকছেন।’

সোমবার নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন রিজভী।

আগের দিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করে বিএনপি। আর সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের রাস্তার পাশের সমাবেশও এরচেয়ে বড় হয়।

জবাবে রিজভী বলেন, ‘এর উত্তরে নীরব হাসি ছাড়া আর কিই বা বলতে পারি?…জনসভায় বিপুল সমাগম দেখে সরকারের কাঁপুনি ধরে গেছে।’

কাদেরকে রিজভী বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় কোষাগারের টাকা, বিপুল পরিমাণ চাঁদাবাজির টাকা খরচ করেও সমাবেশে মানুষ আনতে পারেন না, আবার কিছু লোক এলেও ধরে রাখতে পারেন না ক্ষমতাসীন নেতারা। আর পথে পথে সরকারি আক্রমণের বাধার মুখেও এত বিপুল মানুষের বিএনপির সমাবেশ দেখে তারা হতাশ হয়ে মনের বিকারে প্রলাপ বকছেন।’

‘একতরফাভাবে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে আওয়ামী নেতারা কত তামাশা দেখাচ্ছেন, আর কত যে উদ্ভট কথা বলছেন তার শেষ নেই। দল হিসেবে আওয়ামী লীগের এখন হতভাগ্য দেউলিয়াগ্রস্ত রাজনীতি। সেজন্যই খাপছাড়া কথা বলছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।’

‘স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ’

রবিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশকে ইতিহাসে বৃহত্তম সমাবেশ বলেও দাবি করেন রিজভী।

‘গতকাল বিএনপির জনসভা মহাসাগরে পরিণত হয়। চারদিক থেকে ধেয়ে আসা জনস্রোতে সোহরাওয়ার্দীর বিশাল প্রান্তরকে কানায় কানায় পরিপূর্ণ করে। রমনা পার্কসহ আশেপাশের রাস্তাঘাট, মোড় ও ফুটপাত মিটিং শুনতে আসা মানুষে ঠাসা ছিল।’

‘শাহবাগ, কাকরাইল, মৎস্যভবন এলাকাসহ সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ছিল উর্মীমালার মতো জনতার ঢেউ। তিল ধারণের ঠাঁই নেই। মিছিলে মিছিলে কেঁপেছে ইট, পাথর কংক্রিটের রাজপথ। জনসভার আঙ্গিক বিস্তৃত হয়ে স্মরণকালের মহাসমাবেশে পরিণত হয়।’

‘গতকাল দুপুর থেকে জনসভা স্থলে আসা শুরু হয় মিছিলের প্রবাহ। দাবদাহ পীড়িত, পীপাসার্ত মানুষ নিজেদের কষ্টকে প্রশ্রয় না দিয়ে দেশনেত্রীর মুক্তির জন্য, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য বুকের মধ্যে চলকে ওঠা আবেগ নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে জনজোয়ারে পরিণত করে।’

রিজভীর অভিযোগ, গতকাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসভা ঘিরে ঢাকার ভিতরে ও আশেপাশের বিভিন্ন পয়েন্টে গণপরিবহন বন্ধ করে দেয় ক্ষমতাসীন দলের সশস্ত্র নেতাকর্মীরা। বিএনপি নেতাকর্মীদের সন্দেহ করে পথে পথে বাধা দিয়েছে তারা। মারধরের ঘটনাও ঘটেছে বিভিন্ন স্থানে।

‘সকাল থেকেই ঢাকা মহানগরীর প্রবেশ পথ আগলে রেখে পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী ক্যাডাররা। গত শনিবার রাত থেকেই ঢাকা মহানগরীসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় বাসায় চলে পুলিশি তল্লাশি।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের কাঁপুনি দেখছেন রিজভী

আপডেট সময় ০২:৫৮:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১ অক্টোবর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিএনপির সমাবেশ উপস্থিতি দেখে সরকারের কাঁপুনি শুরু হয়ে গেছে বলে মনে করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। বলেছেন, ‘সরকারি আক্রমণের বাধার মুখেও এত বিপুল মানুষের বিএনপির সমাবেশ দেখে তারা হতাশ হয়ে মনের বিকারে প্রলাপ বকছেন।’

সোমবার নয়াপল্টনে দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন রিজভী।

আগের দিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশ করে বিএনপি। আর সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, আওয়ামী লীগের রাস্তার পাশের সমাবেশও এরচেয়ে বড় হয়।

জবাবে রিজভী বলেন, ‘এর উত্তরে নীরব হাসি ছাড়া আর কিই বা বলতে পারি?…জনসভায় বিপুল সমাগম দেখে সরকারের কাঁপুনি ধরে গেছে।’

কাদেরকে রিজভী বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় কোষাগারের টাকা, বিপুল পরিমাণ চাঁদাবাজির টাকা খরচ করেও সমাবেশে মানুষ আনতে পারেন না, আবার কিছু লোক এলেও ধরে রাখতে পারেন না ক্ষমতাসীন নেতারা। আর পথে পথে সরকারি আক্রমণের বাধার মুখেও এত বিপুল মানুষের বিএনপির সমাবেশ দেখে তারা হতাশ হয়ে মনের বিকারে প্রলাপ বকছেন।’

‘একতরফাভাবে নির্বাচনী বৈতরণী পার হতে আওয়ামী নেতারা কত তামাশা দেখাচ্ছেন, আর কত যে উদ্ভট কথা বলছেন তার শেষ নেই। দল হিসেবে আওয়ামী লীগের এখন হতভাগ্য দেউলিয়াগ্রস্ত রাজনীতি। সেজন্যই খাপছাড়া কথা বলছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।’

‘স্মরণকালের সর্ববৃহৎ সমাবেশ’

রবিবার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশকে ইতিহাসে বৃহত্তম সমাবেশ বলেও দাবি করেন রিজভী।

‘গতকাল বিএনপির জনসভা মহাসাগরে পরিণত হয়। চারদিক থেকে ধেয়ে আসা জনস্রোতে সোহরাওয়ার্দীর বিশাল প্রান্তরকে কানায় কানায় পরিপূর্ণ করে। রমনা পার্কসহ আশেপাশের রাস্তাঘাট, মোড় ও ফুটপাত মিটিং শুনতে আসা মানুষে ঠাসা ছিল।’

‘শাহবাগ, কাকরাইল, মৎস্যভবন এলাকাসহ সংলগ্ন এলাকাগুলোতে ছিল উর্মীমালার মতো জনতার ঢেউ। তিল ধারণের ঠাঁই নেই। মিছিলে মিছিলে কেঁপেছে ইট, পাথর কংক্রিটের রাজপথ। জনসভার আঙ্গিক বিস্তৃত হয়ে স্মরণকালের মহাসমাবেশে পরিণত হয়।’

‘গতকাল দুপুর থেকে জনসভা স্থলে আসা শুরু হয় মিছিলের প্রবাহ। দাবদাহ পীড়িত, পীপাসার্ত মানুষ নিজেদের কষ্টকে প্রশ্রয় না দিয়ে দেশনেত্রীর মুক্তির জন্য, গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য বুকের মধ্যে চলকে ওঠা আবেগ নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানকে জনজোয়ারে পরিণত করে।’

রিজভীর অভিযোগ, গতকাল সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিএনপির জনসভা ঘিরে ঢাকার ভিতরে ও আশেপাশের বিভিন্ন পয়েন্টে গণপরিবহন বন্ধ করে দেয় ক্ষমতাসীন দলের সশস্ত্র নেতাকর্মীরা। বিএনপি নেতাকর্মীদের সন্দেহ করে পথে পথে বাধা দিয়েছে তারা। মারধরের ঘটনাও ঘটেছে বিভিন্ন স্থানে।

‘সকাল থেকেই ঢাকা মহানগরীর প্রবেশ পথ আগলে রেখে পুলিশের পাশাপাশি আওয়ামী ক্যাডাররা। গত শনিবার রাত থেকেই ঢাকা মহানগরীসহ আশেপাশের জেলাগুলোতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বাসায় বাসায় চলে পুলিশি তল্লাশি।’