অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
মন্ত্রীর পা ধরেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিশ্রুত নারায়ণগঞ্জের চাষাঢ়া-আদমজী সড়কের কাজ শুরু করা যায়নি। এমন অভিযোগ করেছেন সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।
জবাবে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ওই সড়কের কাজ দ্রুত শুরুর জন্য পরিকল্পনামন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন।
মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে সম্পূরক প্রশ্নের সুযোগ নিয়ে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেন, তিন বছর চেষ্টা করে চাষাঢ়া-আদমজী পর্যন্ত আট কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করতে পারিনি। ওই রাস্তাটি হলে ছয় লক্ষাধিক মানুষ উপকৃত হবে।
তিনি আরও বলেন, রাস্তাটি আগে রেলওয়ের ছিল। রেলওয়ের কাছ থেকে অবমুক্ত করতে দুই বছর সময় লেগেছে। সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের নিজে সেখানে গেছেন। তিনি রেলমন্ত্রীর সঙ্গে ফোনে কথা বলেছিলেন।
পরে তার কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে তিনি ঘোষণা দিয়েছিলেন ওই রাস্তাটির কাজ দ্রুত শুরু হবে। মন্ত্রী ডিপিপি পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে ছিলেন। ডিপিপিতে কিছু ত্র“টি থাকায় পরিকল্পনা কমিশন সেটি ফেরত দিয়েছিল।
ত্র“টি সংশোধন করে আবারও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। সেটি চার থেকে পাঁচ মাস হয়ে গেছে। এরপর আমি পরিকল্পনামন্ত্রীর পায়ে ধরে অনুরোধ করেছি। তার পায়ে ধরতে আমার একটুও খারাপ লাগেনি। কারণ আমি তার পা ধরেছি জনগণের জন্য। তার পরও কাজ হয়নি। এখন আমার করণীয় কী?
জবাবে মন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ওই সড়কের কাজ দ্রুত শুরুর বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হবে।
মমতাজ বেগমের প্রশ্নের জবাবে সড়কমন্ত্রী জানান, ঢাকা মহানগরীর অভ্যন্তরীণ সড়ক নেটওয়ার্ক উন্নয়ন, প্রবেশ ও নির্গমন মহাসড়কের যানজট নিরসন এবং ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য পরিকল্পিত ও সমন্বিত আধুনিক গণপরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যে বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) ও মেট্রোরেল (এমআরটি) প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ চলছে।
এ ছাড়া ঢাকার চার পাশে ও পার্শ্ববর্তী এলাকার জন্য ইনার সার্কুলার রুট এবং মিডল সার্কুলার রুটের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।
নিজাম উদ্দিন হাজারীর প্রশ্নের জবাবে ওবায়দুল কাদের জানান, সড়ক দুর্ঘটনা রোধে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে লিফলেট, পোস্টার ও স্টিকার বিতরণ করা হচ্ছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 



















