অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
বঙ্গবন্ধুর খুনিদের প্রশংসা এবং বঙ্গবন্ধুকে কটূক্তি করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেয়ার মামলায় বঙ্গবন্ধুর খুনি সুলতান শাহরিয়ার রশিদের জামাতা ফুয়াদ জামান আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
তিন দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর হাকিম সত্যব্রত শিকদারে কাছে তিনি জবানবন্দি দেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কাউন্টার টেরোরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের এসআই পার্থ প্রতীম ব্রক্ষচারী এই স্বীকারোক্তি গ্রহণের জন্য আবেদন করেন।
এর আগে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ওই মামলায় গত ১৩ সেপ্টেম্বর এই আসামির তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত।
রিমান্ড আবেদেন বলা হয়েছিল, আসামি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী লে. কর্নেল (অব.) সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খানের জামাতা। তার সহধর্মীনি শেহনাজ রশিদ খান বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত রশিদ খানের মেয়ে। ফুয়াদ শাহরিয়ার রশিদের জামাতা হওয়ায় তার শ্বশুরের মৃত্যুদণ্ডাদেশের বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি। তাই তিনি তার ব্যবহৃত ফেসবুক আইডি থেকে গত ১৫ আগস্ট জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের নৃশংস হত্যাকাণ্ড নিয়ে কটূক্তি করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি অপরাধের সত্যতা স্বীকার করেছেন। মামলার মূল রহস্য উদঘাটনসহ আরও তথ্য অন্য কোনো ডিভাইসে সংরক্ষিত আছে কি না এবং আসামির প্রকৃত নাম-ঠিকানা, অন্য কোনো সহযোগী বা ইন্ধনদাতা আছে কি না তাদের নাম-ঠিকানা ও অপপ্রচারমূলক আরও কোনো যোগাযোগ মাধ্যম আছে কি না তা জানার জন্য রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন।
গত ১২ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর হাতিরঝিলে অভিযান চালিয়ে পেশায় শিক্ষক ফুয়াদ জামানকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারের সময় ফুয়াদের কাছ থেকে মোবাইল ও ল্যাপটপ জব্দ করা হয়।
এর আগে গত ২৩ আগস্ট মো. নাজমুল হাসান পিয়াস নামে এক ব্যক্তি ধানমন্ডি থানায় ফুয়াদের বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে একটি মামলা করেন।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে বঙ্গবন্ধুর আরও চার খুনির সঙ্গে সুলতান শাহরিয়ার রশিদের মৃত্যদণ্ড কার্যকর হয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 























