ঢাকা ০২:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শোক দিবসে জন্মদিন না করায় খালেদা জিয়াকে সাধুবাদ: নাসিম

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিন পালন না করায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাধুবাদ জানাই।’ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জন্স মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে নাসিম এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, দেশের মানুষ জানে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বিএনপির জন্ম হয়েছিল বলেই তারা এই দিন তথাকথিত জন্মদিন পালন করতে চায়। কিন্তু তারা এই ধরনের অপচেষ্টার মধ্য দিয়ে মানুষের কাছে ঘৃণা কুড়াচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে। কিন্তু ১৯৭৫-এর পর স্বাধীনতার ইতিহাসে নতুন নতুন নেতার নাম জড়ানো হয়েছে। অনেককে নেতা বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যে দেশে জনকের হত্যার দিন ভুয়া জন্মদিন পালন করা হয়, সে দেশে নতুন নতুন নেতা বানানোর অপচেষ্টাও চালানো সম্ভব।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব সিরাজুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারোয়ার, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি এম ইকবাল আর্সলান বক্তব্য দেন।

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিতে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় অংশিক কার্যকর হয়েছে। এখনো কিছু খুনি দেশের বাইরে পালিয়ে আছে। যেসব দেশে এসব খুনি পালিয়ে আছে, সে রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানাব খুনিদের বিচারের রায় কার্যকর করার জন্য তাদের যেন দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।’ তিনি বলেন, ২১টা বছর যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার বিচার হয়নি, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বিচার বন্ধ করা হয়েছে, খুনিরা যখন পার্লামেন্টে (সংসদ) ছিল, তখন তো কেউ বলেনি এই পার্লামেন্টের লোকগুলো অযোগ্য। সেদিন কোথায় ছিল আদালত?’

এর আগে মোহাম্মদ নাসিম বঙ্গবন্ধুর ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দেন। এ সময়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘যারা ক্ষমতায় ছিল ২১ বছর ধরে তারা কোনো দিনও এই ন্যায়বিচার করেনি। কোনো সরকার উদ্যোগ নেয়নি আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচার করার। এমনকি তাদের পার্লামেন্টে (সংসদে) বসিয়ে পার্লামেন্ট কলঙ্কিত করেছিল। আরো দুঃখ লাগে এই কারণে যে, যখন দেখি আদালত নির্দেশ দিচ্ছেন, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ করছে, তখন আমরা বলতে বাধ্য হই, কোথায় ছিল আপনাদের ন্যায়বিচার এই ২১টা বছর।’ তিনি বলেন, ‘যখন কালো আইন সংবিধানে লেখা হয়ে গেছে, হত্যার বিচার হবে না। তখন কেন হস্তক্ষেপ করলেন না? কেন নির্দেশ দিলেন না হত্যার বিচার করতে হবে। কেন কেউ বললেন না, এ আইন বেআইনি। খুনিরা যখন পার্লামেন্টে ছিল, তখন কেন বললেন না এ পার্লামেন্টের লোকগুলো অযোগ্য। তখন তো কোনো বিচারককে কথা বলতে দেখিনি। কোনো বিচারক তো সাহস করে কথা বলেননি। বরং দেখেছি সামরিক শাসনকে বৈধ করেছেন আপনারা। সামরিক শাসকের পক্ষে ওকালতি করেছেন আপনারা।’

নাসিম বলেন, ‘কোথায় ছিল সেদিন আদালত? শেখ হাসিনাকে লড়াই করে, সংগ্রাম করে ২১টা বছর রক্ত, ঘাম মাথায় ফেলে, বিএনপির নির্যাতন সহ্য করে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করতে ইনডেমনিটি আইন বাতিল করেছি। তারপর আবার ওরা (বিএনপি) ক্ষমতায় এসে এটি আপিলে নিষ্পত্তি করে দিল। তখন তো একজন বিচারককেও দেখলাম না এত বড় বড় রায় দিতে। এত বড় বড় পর্যবেক্ষণ দিতে।’

নাসিম বলেন, ‘ভয় পাওয়ার লোক আমরা নই। আমরা লড়াই করে, রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি। ন্যায্য কথা বলব, আরো সাহস নেই, ন্যায্য কথা বন্ধ করতে পারে। কোনো আদালতই বন্ধ করতে পারবে না। কারণ যে মানবতা লঙ্ঘিত হয়েছে, সেই মানবতার পক্ষে আমরা কথা বলছি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তারা (বিএনপি) দাবি তুলেছে সংবিধানের বাইরে নির্বাচন করতে হবে। কেন করব? নেভার, কোনো দিন করব না? প্রশ্নই ওঠে না। সংবিধানের বাইরে একচুলও আমরা যেতে পারব না। যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সংবিধানের আলোকে শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে।’

বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেকে উদ্দেশ করে করে নাসিম বলেন, ‘মওদুদ আহমেদ যখন আইনমন্ত্রী ছিলেন, পাঁচটি বছর আপিল আদালতে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার হতে দেননি। বারবার বলতেন, বিচারক পাওয়া যাচ্ছে না। খালেদা জিয়ার নির্দেশে এই মওদুদ আহমদ পাঁচটি বছর বিচারক দেননি। আজ প্রতিদিন দেখি এই লোকটি ন্যায়বিচারের কথা বলেন।’

এ ছাড়া মোহাম্মদ নাসিম পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান বক্তব্য দেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর ও তাঁর পবিবারের শহীদ সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।

এদিকে, বেলা ১১টায় মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বে ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শোক দিবসে জন্মদিন না করায় খালেদা জিয়াকে সাধুবাদ: নাসিম

আপডেট সময় ১১:১৫:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, ‘জাতীয় শোক দিবসে জন্মদিন পালন না করায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে সাধুবাদ জানাই।’ আজ মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীতে বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জন্স মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে নাসিম এ কথা বলেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

মোহাম্মদ নাসিম বলেন, দেশের মানুষ জানে ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে বিএনপির জন্ম হয়েছিল বলেই তারা এই দিন তথাকথিত জন্মদিন পালন করতে চায়। কিন্তু তারা এই ধরনের অপচেষ্টার মধ্য দিয়ে মানুষের কাছে ঘৃণা কুড়াচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতার ঘোষণার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতা এসেছে। কিন্তু ১৯৭৫-এর পর স্বাধীনতার ইতিহাসে নতুন নতুন নেতার নাম জড়ানো হয়েছে। অনেককে নেতা বানানোর চেষ্টা করা হয়েছে। যে দেশে জনকের হত্যার দিন ভুয়া জন্মদিন পালন করা হয়, সে দেশে নতুন নতুন নেতা বানানোর অপচেষ্টাও চালানো সম্ভব।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান, স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব সিরাজুল ইসলাম, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারোয়ার, আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক ডা. রোকেয়া সুলতানা, বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) সভাপতি ডা. মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের (স্বাচিপ) সভাপতি এম ইকবাল আর্সলান বক্তব্য দেন।

বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে দিতে বিদেশি রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচারের রায় অংশিক কার্যকর হয়েছে। এখনো কিছু খুনি দেশের বাইরে পালিয়ে আছে। যেসব দেশে এসব খুনি পালিয়ে আছে, সে রাষ্ট্রগুলোর প্রতি আহ্বান জানাব খুনিদের বিচারের রায় কার্যকর করার জন্য তাদের যেন দ্রুত বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হয়।’ তিনি বলেন, ২১টা বছর যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার বিচার হয়নি, ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করে বিচার বন্ধ করা হয়েছে, খুনিরা যখন পার্লামেন্টে (সংসদ) ছিল, তখন তো কেউ বলেনি এই পার্লামেন্টের লোকগুলো অযোগ্য। সেদিন কোথায় ছিল আদালত?’

এর আগে মোহাম্মদ নাসিম বঙ্গবন্ধুর ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে রাজধানীর শেওড়াপাড়ায় স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তর আয়োজিত আলোচনা সভায় যোগ দেন। এ সময়ে স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক পংকজ দেবনাথ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম বিপুল উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘যারা ক্ষমতায় ছিল ২১ বছর ধরে তারা কোনো দিনও এই ন্যায়বিচার করেনি। কোনো সরকার উদ্যোগ নেয়নি আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচার করার। এমনকি তাদের পার্লামেন্টে (সংসদে) বসিয়ে পার্লামেন্ট কলঙ্কিত করেছিল। আরো দুঃখ লাগে এই কারণে যে, যখন দেখি আদালত নির্দেশ দিচ্ছেন, প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ করছে, তখন আমরা বলতে বাধ্য হই, কোথায় ছিল আপনাদের ন্যায়বিচার এই ২১টা বছর।’ তিনি বলেন, ‘যখন কালো আইন সংবিধানে লেখা হয়ে গেছে, হত্যার বিচার হবে না। তখন কেন হস্তক্ষেপ করলেন না? কেন নির্দেশ দিলেন না হত্যার বিচার করতে হবে। কেন কেউ বললেন না, এ আইন বেআইনি। খুনিরা যখন পার্লামেন্টে ছিল, তখন কেন বললেন না এ পার্লামেন্টের লোকগুলো অযোগ্য। তখন তো কোনো বিচারককে কথা বলতে দেখিনি। কোনো বিচারক তো সাহস করে কথা বলেননি। বরং দেখেছি সামরিক শাসনকে বৈধ করেছেন আপনারা। সামরিক শাসকের পক্ষে ওকালতি করেছেন আপনারা।’

নাসিম বলেন, ‘কোথায় ছিল সেদিন আদালত? শেখ হাসিনাকে লড়াই করে, সংগ্রাম করে ২১টা বছর রক্ত, ঘাম মাথায় ফেলে, বিএনপির নির্যাতন সহ্য করে বঙ্গবন্ধুর হত্যার বিচার করতে ইনডেমনিটি আইন বাতিল করেছি। তারপর আবার ওরা (বিএনপি) ক্ষমতায় এসে এটি আপিলে নিষ্পত্তি করে দিল। তখন তো একজন বিচারককেও দেখলাম না এত বড় বড় রায় দিতে। এত বড় বড় পর্যবেক্ষণ দিতে।’

নাসিম বলেন, ‘ভয় পাওয়ার লোক আমরা নই। আমরা লড়াই করে, রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছি। ন্যায্য কথা বলব, আরো সাহস নেই, ন্যায্য কথা বন্ধ করতে পারে। কোনো আদালতই বন্ধ করতে পারবে না। কারণ যে মানবতা লঙ্ঘিত হয়েছে, সেই মানবতার পক্ষে আমরা কথা বলছি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘তারা (বিএনপি) দাবি তুলেছে সংবিধানের বাইরে নির্বাচন করতে হবে। কেন করব? নেভার, কোনো দিন করব না? প্রশ্নই ওঠে না। সংবিধানের বাইরে একচুলও আমরা যেতে পারব না। যাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। সংবিধানের আলোকে শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে।’

বিএনপি নেতা মওদুদ আহমেকে উদ্দেশ করে করে নাসিম বলেন, ‘মওদুদ আহমেদ যখন আইনমন্ত্রী ছিলেন, পাঁচটি বছর আপিল আদালতে বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারীদের বিচার হতে দেননি। বারবার বলতেন, বিচারক পাওয়া যাচ্ছে না। খালেদা জিয়ার নির্দেশে এই মওদুদ আহমদ পাঁচটি বছর বিচারক দেননি। আজ প্রতিদিন দেখি এই লোকটি ন্যায়বিচারের কথা বলেন।’

এ ছাড়া মোহাম্মদ নাসিম পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তর আয়োজিত শোক দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী মোস্তফা সারোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্যশিক্ষা ও পরিবারকল্যাণ বিভাগের সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব সিরাজুল হক খান বক্তব্য দেন। এ সময় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪২তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর ও তাঁর পবিবারের শহীদ সদস্যদের আত্মার শান্তি কামনা করে দোয়া করা হয়।

এদিকে, বেলা ১১টায় মোহাম্মদ নাসিমের নেতৃত্বে ধানমণ্ডির বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।