ঢাকা ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬, ১৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী শহীদুল্লাহ হলে ‘সমকামী কর্মকাণ্ডের’ তদন্তকে কেন্দ্র করে শিবির-ছাত্রদল সংঘর্ষ পাকিস্তানে ‘শান্তি সমাবেশ’ চলাকালে বিস্ফোরণ, নিহত ১৩ ৭২-এর সংবিধান শুরু থেকেই দেশকে বিভাজিত করে রেখেছে: নাহিদ ইসলাম ‘জনগণকে মালিক মনে করে সরকার কাজ করছে’ ‘নিজস্ব মব না থাকলে মাইর একটাও মাটিতে পড়বে না’ মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানি করতে চায় বাংলাদেশ জামায়াতের পরামর্শে রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করছে এনসিপি : রাশেদ খান জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাবা-দাদার বয়সী নেতাদের প্রতারণা বুঝতে পারিনি: আসিফ মাহমুদ

বিএনপির মতো আকাশ থেকে পড়া দল আ’লীগ নয়: সংস্কৃতিমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, বিএনপির মতো আকাশ থেকে পড়া দল আওয়ামী লীগ নয়। তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের শক্তিতে আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

আর এই সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা করেছিলেন মরহুম এম. আব্দুর রহিমের মতো মানুষজন। তাদের এই চিন্তা-চেতনার সুফল ভোগ করছি আমরা এ কথা যোগ করেন মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার বিকালে দিনাজপুর ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে এক স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত (মরণোত্তর) সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য এম. আব্দুর রহিমের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন- মরহুম এম. আব্দুর রহিমের সততা, আদর্শ, নীতি, মহানুভবতা প্রমাণ করে যে, সৎ ও ভালো মানুষ বেঁচে থাকে মানুষের অন্তরে।

মন্ত্রী বলেন, এই মানুষগুলো বঙ্গবন্ধুর মাথায় স্বাধীনতা, বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের রক্তের সঞ্চালন করতেন। এম. আব্দুর রহিমসহ জাতীয় ৪ নেতার মেধা ও সাহসিকতার জন্য আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করছি। এসব নেতার ত্যাগের কোনো তুলনা করা যাবে না।

স্মরণসভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদ্দুজামান নূর আরও বলেন, মাত্র ১০ বছরের ব্যবধানে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। কৃষি, শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলায় উন্নত হওয়ায় জাতিসংঘ থেকে আমাদের এ দেশকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত মহাসচিব অধ্যাপক প্রয়াত এম. আব্দুর রহিমের কন্যা ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, অর্থের প্রতি আমার বাবার কোনো ধরনের লোভ-লালসা ছিল না। নিজের পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে তিনি আজীবন সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের সেবা করেছেন।

এ সময় প্রয়াত এম. আব্দুর রহিমের ছোট ছেলে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি আবেগাপ্লুত কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এম. আব্দুর রহিম সমাজকল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের সম্মানিত সভাপতি আজিজুল ইসলাম জুগলুর সভাপতিত্বে ও সুলতান কামাল উদ্দীন বাচ্চুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুল ইমাম চৌধুরী, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর রুহুল আমীন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এ. কে. এম নূর-উন নবী প্রমুখ।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ, সাবেক এমপি সুলতানা বুলবুল, আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তহিদুল হক সরকার, বিএমএর সভাপতি ডা. ওয়ারেস, এম. আব্দুর রহিম সমাজকল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের সদস্য সচিব চিত্ত ঘোষ, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন, এম. আব্দুর রহিম সমাজকল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের কার্যকরী সভাপতি মো. সফিকুল হক ছুটু প্রমুখ।

স্মরণসভায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সকাল থেকে এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বিএমএ ও স্বাচিপের আয়োজনে ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে নিউরোলজি, দন্ত, শিশু, নারী, পুরুষসহ অসুস্থ মানুষের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা প্রদান করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রশাসনে নিজেদের লোক নিয়োগ বহির্বিশ্বেও প্রচলিত: রিজভী

বিএনপির মতো আকাশ থেকে পড়া দল আ’লীগ নয়: সংস্কৃতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:২৯:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর বলেছেন, বিএনপির মতো আকাশ থেকে পড়া দল আওয়ামী লীগ নয়। তৃণমূল পর্যায়ের মানুষের শক্তিতে আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক শক্তি নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

আর এই সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা করেছিলেন মরহুম এম. আব্দুর রহিমের মতো মানুষজন। তাদের এই চিন্তা-চেতনার সুফল ভোগ করছি আমরা এ কথা যোগ করেন মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার বিকালে দিনাজপুর ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে এক স্মরণসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর, মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, রাষ্ট্রীয় সর্বোচ্চ সম্মাননা স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত (মরণোত্তর) সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য এম. আব্দুর রহিমের দ্বিতীয় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন- মরহুম এম. আব্দুর রহিমের সততা, আদর্শ, নীতি, মহানুভবতা প্রমাণ করে যে, সৎ ও ভালো মানুষ বেঁচে থাকে মানুষের অন্তরে।

মন্ত্রী বলেন, এই মানুষগুলো বঙ্গবন্ধুর মাথায় স্বাধীনতা, বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের রক্তের সঞ্চালন করতেন। এম. আব্দুর রহিমসহ জাতীয় ৪ নেতার মেধা ও সাহসিকতার জন্য আজ আমরা স্বাধীন বাংলাদেশে বাস করছি। এসব নেতার ত্যাগের কোনো তুলনা করা যাবে না।

স্মরণসভায় সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদ্দুজামান নূর আরও বলেন, মাত্র ১০ বছরের ব্যবধানে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে। কৃষি, শিক্ষা, শিল্প, সংস্কৃতি, খেলাধুলায় উন্নত হওয়ায় জাতিসংঘ থেকে আমাদের এ দেশকে নিম্নমধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

স্বাস্থ্য বিভাগের অতিরিক্ত মহাসচিব অধ্যাপক প্রয়াত এম. আব্দুর রহিমের কন্যা ডা. নাসিমা সুলতানা বলেন, অর্থের প্রতি আমার বাবার কোনো ধরনের লোভ-লালসা ছিল না। নিজের পৈতৃক সম্পত্তি বিক্রি করে তিনি আজীবন সমাজের অবহেলিত ও বঞ্চিত মানুষের সেবা করেছেন।

এ সময় প্রয়াত এম. আব্দুর রহিমের ছোট ছেলে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি আবেগাপ্লুত কান্নায় ভেঙে পড়েন।

এম. আব্দুর রহিম সমাজকল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের সম্মানিত সভাপতি আজিজুল ইসলাম জুগলুর সভাপতিত্বে ও সুলতান কামাল উদ্দীন বাচ্চুর সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন- জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আজিজুল ইমাম চৌধুরী, হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর রুহুল আমীন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি প্রফেসর ড. এ. কে. এম নূর-উন নবী প্রমুখ।

এছাড়াও বক্তব্য রাখেন- আওয়ামী লীগের সহসভাপতি অ্যাডভোকেট আব্দুল লতিফ, সাবেক এমপি সুলতানা বুলবুল, আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক তহিদুল হক সরকার, বিএমএর সভাপতি ডা. ওয়ারেস, এম. আব্দুর রহিম সমাজকল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের সদস্য সচিব চিত্ত ঘোষ, শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল ইসলাম, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমদাদ সরকার, সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ কাঞ্চন, এম. আব্দুর রহিম সমাজকল্যাণ ও মুক্তিযুদ্ধ গবেষণা কেন্দ্রের কার্যকরী সভাপতি মো. সফিকুল হক ছুটু প্রমুখ।

স্মরণসভায় বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষিকা, বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের ব্যক্তি, জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও বিপুলসংখ্যক মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে সকাল থেকে এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, বিএমএ ও স্বাচিপের আয়োজনে ইন্সটিটিউট প্রাঙ্গণে নিউরোলজি, দন্ত, শিশু, নারী, পুরুষসহ অসুস্থ মানুষের বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও চিকিৎসা প্রদান করা হয়।