ঢাকা ০২:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান দুই দিনের রিমান্ডে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর মিজানুর রহমানসহ গ্রেফতার পাঁচজনের মধ্যে চারজনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। মিজানুর রহমান ও শফিকুল ইসলামকে দুই দিন, মো. জিন্নাত ও মো. আসাদ আলীকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

এছাড়া গ্রেফতার জুনায়েদ হোসেন জয় নামের এক আসামি কিশোর হওয়ায় তার বিষয়ে আদালত কোনো আদেশ দেয়নি। কিশোর আদালতে শুনানির দিন ধার্য করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় বুধবার আদালতে আসামিদের হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হক ওই আদেশ দেন বিচারক।

ধানমণ্ডি থানায় দায়ের করা ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উত্তরা জোনাল টিমের পরিদর্শক আরমান আলী আসামিদের প্রত্যেককে সাত দিন হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন।

অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা জনগণের বিভিন্ন শ্রেণিকে দৃশ্যমান, শ্রুতিনির্ভর ভুল ক্ষতিকর উপাত্ত উপস্থাপনপূর্বক উসকানি প্রদানকারী ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিসহ জনমনে ভীতি ছড়িয়ে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফলকারী দলের সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতার মিজানুর রহমান নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা পরিকল্পনা করেছিলেন। আশুলিয়ায় শিমুলিয়া ইউনিয়নে বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে এ পরিকল্পনা করা হয় যে তারা একদল আওয়ামী লীগের সমর্থক সাজবেন। আদালতে দাখিল করা ওই আবেদনের বিপরীতে আসামিদের রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন শুনানি করেন সানাউল্লাহ মিয়া, সৈয়দ গাজী শাহ আলম প্রমুখ।

বিএনপি নেতা মিজানের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেফতার মিজানসহ অন্যদের আদালতে হাজির করে পুলিশ সাত দিন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে আদালতের কাছে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত মিজানকে দুই দিন রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন।

এর আগে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) মিজানুর রহমান মিজানকে সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে তার গুলশানের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

২৫ জুন সামাজিক মাধ্যম ইউটিউবে ‘কন্সপিরেসি লিক’ নামক একটি চ্যানেলে মেজর মিজানের কথোপকথনের দুটি অডিও প্রকাশ করা হয়েছে। যাতে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে তাকে নাশকতার ষড়যন্ত্রের কথা বলতে শোনা গেছে।

যদিও ‘কন্সপিরেসি লিক’নামের ইউটিউব চ্যানেলটি ২৫ তারিখেই তৈরি করা হয়েছে এবং সেখানে এ দুটি ক্লিপ ছাড়া আর কোনো ভিডিও নেই। ২৫ তারিখ রাতে ভিডিওটি আপ করা হলেও সবার জন্য ভিডিওটি উন্মুক্ত করা হয় মঙ্গলবার সকালে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, মেজর মিজান গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের নেতা সাইফুল ইসলামের সঙ্গে নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন।

ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী, আজ নির্বাচনের দিন বিএনপির তিনজন লোককে আওয়ামী লীগের ব্যাচ পরে নাশকতা করার কথা ছিল। তবে নির্বাচনের আগের রাতই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে আটকা পড়ে যান মিজান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

বিএনপি নেতা মিজানুর রহমান দুই দিনের রিমান্ডে

আপডেট সময় ০৯:২৯:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ জুন ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে ঘিরে ষড়যন্ত্রের অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অবসরপ্রাপ্ত মেজর মিজানুর রহমানসহ গ্রেফতার পাঁচজনের মধ্যে চারজনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে। মিজানুর রহমান ও শফিকুল ইসলামকে দুই দিন, মো. জিন্নাত ও মো. আসাদ আলীকে একদিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়।

এছাড়া গ্রেফতার জুনায়েদ হোসেন জয় নামের এক আসামি কিশোর হওয়ায় তার বিষয়ে আদালত কোনো আদেশ দেয়নি। কিশোর আদালতে শুনানির দিন ধার্য করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় বুধবার আদালতে আসামিদের হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তার রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে ঢাকা মহানগর হাকিম মাজহারুল হক ওই আদেশ দেন বিচারক।

ধানমণ্ডি থানায় দায়ের করা ওই মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উত্তরা জোনাল টিমের পরিদর্শক আরমান আলী আসামিদের প্রত্যেককে সাত দিন হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি চেয়ে আবেদন করেন।

অভিযোগে বলা হয়, আসামিরা জনগণের বিভিন্ন শ্রেণিকে দৃশ্যমান, শ্রুতিনির্ভর ভুল ক্ষতিকর উপাত্ত উপস্থাপনপূর্বক উসকানি প্রদানকারী ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিসহ জনমনে ভীতি ছড়িয়ে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সফলকারী দলের সক্রিয় সদস্য। গ্রেফতার মিজানুর রহমান নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে নানা পরিকল্পনা করেছিলেন। আশুলিয়ায় শিমুলিয়া ইউনিয়নে বিএনপি নেতাকর্মীদের নিয়ে এ পরিকল্পনা করা হয় যে তারা একদল আওয়ামী লীগের সমর্থক সাজবেন। আদালতে দাখিল করা ওই আবেদনের বিপরীতে আসামিদের রিমান্ড বাতিল চেয়ে আবেদন শুনানি করেন সানাউল্লাহ মিয়া, সৈয়দ গাজী শাহ আলম প্রমুখ।

বিএনপি নেতা মিজানের আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া বলেন, বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় গ্রেফতার মিজানসহ অন্যদের আদালতে হাজির করে পুলিশ সাত দিন রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে। আসামিপক্ষের আইনজীবীরা রিমান্ড বাতিল চেয়ে আদালতের কাছে জামিনের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত মিজানকে দুই দিন রিমান্ডে নেয়ার অনুমতি দিয়েছেন।

এর আগে, বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর (অব.) মিজানুর রহমান মিজানকে সোমবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে তার গুলশানের বাসা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

২৫ জুন সামাজিক মাধ্যম ইউটিউবে ‘কন্সপিরেসি লিক’ নামক একটি চ্যানেলে মেজর মিজানের কথোপকথনের দুটি অডিও প্রকাশ করা হয়েছে। যাতে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন নিয়ে তাকে নাশকতার ষড়যন্ত্রের কথা বলতে শোনা গেছে।

যদিও ‘কন্সপিরেসি লিক’নামের ইউটিউব চ্যানেলটি ২৫ তারিখেই তৈরি করা হয়েছে এবং সেখানে এ দুটি ক্লিপ ছাড়া আর কোনো ভিডিও নেই। ২৫ তারিখ রাতে ভিডিওটি আপ করা হলেও সবার জন্য ভিডিওটি উন্মুক্ত করা হয় মঙ্গলবার সকালে।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, মেজর মিজান গাজীপুর সিটি নির্বাচন নিয়ে আশুলিয়ার শিমুলিয়া ইউনিয়ন যুবদলের নেতা সাইফুল ইসলামের সঙ্গে নাশকতার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন।

ওই পরিকল্পনা অনুযায়ী, আজ নির্বাচনের দিন বিএনপির তিনজন লোককে আওয়ামী লীগের ব্যাচ পরে নাশকতা করার কথা ছিল। তবে নির্বাচনের আগের রাতই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জালে আটকা পড়ে যান মিজান।