ঢাকা ১০:০১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

পর্যবেক্ষণ অসদাচরণ কি না খতিয়ে দেখতে হবে: আইনমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের কিছু পর্যবেক্ষণ ইতিহাস বিকৃতির সমান। তিনি বলেন, এই পর্যবেক্ষণ বিচারপতিদের অসদাচরণের মধ্যে পড়ে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। আর এসব বিষয়ে এখন রাষ্ট্রপতিই শেষ ভরসা বলেও মনে করেন তিনি।

আজ রোববার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী। পর্যাপ্ত গ্রাউন্ড তৈরি করে পর্যবেক্ষণে অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য বাতিলে রিভিউ আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো একক ব্যক্তির নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয় নাই, এই কথাটা এই সেনটেন্সটা আছে। প্রথম কথা হচ্ছে এই মামলায় এটা অপ্রাসঙ্গিক। আর ফাইনালি হচ্ছে যে এটা ইতিহাস বিকৃত করার সমান। তো সেইক্ষেত্রে এটা খতিয়ে দেখতে হবে যে অসদাচরণ কি না অথবা অন্য কিছু হয়েছে কি না। সেটা খতিয়ে দেখার কিন্তু অবকাশ আছে। এটার অথরিটি হচ্ছেন এখন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। তার কারণ হচ্ছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল সম্বন্ধেও যদি বক্তব্য না থাকে আর ষোড়শ সংশোধনীও যদি না থাকে তাহলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ছাড়া এটার আর কোনো গত্যন্তর নেই।’

আইনমন্ত্রী বলেন, রায়ের বিরুদ্ধে যারা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তা কাঙ্ক্ষিত নয়। তবে বিচার কাজে বাধা না দিয়ে প্রতিবাদ করার অধিকার সবারই আছে বলে মন্তব্য তাঁর। এসবের ফলে সাংবিধানিক সংকট হওয়ার কোনো ধরনের সম্ভাবনা নেই বলেও মনে করেন আনিসুল হক। তিনি বলেন, ‘এক্সপাঞ্জ করার জন্য যদি রিভিউয়ের মাধ্যমটাই সুপ্রিম কোর্ট রুলসে বলে এটা আমার মতে তাহলে হ্যাঁ, এক্সপাঞ্জ করার জন্য রিভিউ করা হবে।’

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের ফলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনঃপ্রবর্তন হয় কি না তা নিয়ে সংশয় আছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ইমোশন ইজ রানিং হাই। ইট উইল সেটেল ডাউন।’

মিট দ্য রিপোর্টার্সে আইনমন্ত্রী কথা বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইসিটি অ্যাক্টের বিতর্কিত ৫৭ ধারা, সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ডসহ বিভিন্ন বিষয়ে। তবে শনিবার রাতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের সাথে প্রধান বিচারপতির কী বিষয়ে বৈঠক হয়েছে সেটা জানেন না আনিসুল হক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

পর্যবেক্ষণ অসদাচরণ কি না খতিয়ে দেখতে হবে: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ১২:২৫:৪১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৪ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের কিছু পর্যবেক্ষণ ইতিহাস বিকৃতির সমান। তিনি বলেন, এই পর্যবেক্ষণ বিচারপতিদের অসদাচরণের মধ্যে পড়ে কি না, তা খতিয়ে দেখতে হবে। আর এসব বিষয়ে এখন রাষ্ট্রপতিই শেষ ভরসা বলেও মনে করেন তিনি।

আজ রোববার সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) সাগর-রুনি মিলনায়তনে মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী। পর্যাপ্ত গ্রাউন্ড তৈরি করে পর্যবেক্ষণে অপ্রাসঙ্গিক বক্তব্য বাতিলে রিভিউ আবেদন করা হবে বলেও জানান তিনি।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো একক ব্যক্তির নেতৃত্বে বাংলাদেশ স্বাধীন হয় নাই, এই কথাটা এই সেনটেন্সটা আছে। প্রথম কথা হচ্ছে এই মামলায় এটা অপ্রাসঙ্গিক। আর ফাইনালি হচ্ছে যে এটা ইতিহাস বিকৃত করার সমান। তো সেইক্ষেত্রে এটা খতিয়ে দেখতে হবে যে অসদাচরণ কি না অথবা অন্য কিছু হয়েছে কি না। সেটা খতিয়ে দেখার কিন্তু অবকাশ আছে। এটার অথরিটি হচ্ছেন এখন মহামান্য রাষ্ট্রপতি। তার কারণ হচ্ছে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল সম্বন্ধেও যদি বক্তব্য না থাকে আর ষোড়শ সংশোধনীও যদি না থাকে তাহলে মহামান্য রাষ্ট্রপতি ছাড়া এটার আর কোনো গত্যন্তর নেই।’

আইনমন্ত্রী বলেন, রায়ের বিরুদ্ধে যারা কর্মসূচি ঘোষণা করেছে তা কাঙ্ক্ষিত নয়। তবে বিচার কাজে বাধা না দিয়ে প্রতিবাদ করার অধিকার সবারই আছে বলে মন্তব্য তাঁর। এসবের ফলে সাংবিধানিক সংকট হওয়ার কোনো ধরনের সম্ভাবনা নেই বলেও মনে করেন আনিসুল হক। তিনি বলেন, ‘এক্সপাঞ্জ করার জন্য যদি রিভিউয়ের মাধ্যমটাই সুপ্রিম কোর্ট রুলসে বলে এটা আমার মতে তাহলে হ্যাঁ, এক্সপাঞ্জ করার জন্য রিভিউ করা হবে।’

ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের ফলে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল পুনঃপ্রবর্তন হয় কি না তা নিয়ে সংশয় আছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘ইমোশন ইজ রানিং হাই। ইট উইল সেটেল ডাউন।’

মিট দ্য রিপোর্টার্সে আইনমন্ত্রী কথা বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, আইসিটি অ্যাক্টের বিতর্কিত ৫৭ ধারা, সাংবাদিকদের ওয়েজবোর্ডসহ বিভিন্ন বিষয়ে। তবে শনিবার রাতে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদকের সাথে প্রধান বিচারপতির কী বিষয়ে বৈঠক হয়েছে সেটা জানেন না আনিসুল হক।