ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু আদালত স্বাধীন হয়নি: আবু সাঈদ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ বলেন, আমরা এখনো বাংলায় রায় লিখিনা। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু আদালতে স্বাধীন হয়নি। হয়ে থাকলে আমাদের ভাষা সেখানে স্বাধীন হতো। রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে প্রেস ক্লাব আয়োজিত `বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড: দেশীয় ও আন্তর্জাতি চক্রান্ত` শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে, তার হত্যাকাণ্ডকে প্রতিরোধ করতে কিংবা তার আদর্শ প্রতিষ্ঠিত করতে খালেদ মোশাররফ চেষ্টা করেননি। তিনি সেনাপ্রধান হতে চেয়েছিলেন, সেজন্য বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সঙ্গে আপস করেছিলেন। এছাড়া সেনাপ্রধান হওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সাথে খালেদ মোশাররফ আপস করেছিলেন। সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ের সবাই-ই বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডেরে বিষয়ে জানত। খালেদ মোশাররফও সেটি প্রতিরোধ করতে চাননি। তিনিও পরে খুনিদের সুযোগ দিয়েছিলেন, নিজের স্বার্থে।

তিনি আরো বলেন, খালেদ মোশাররফের সম্পর্কে আমার কথায় কেউ কষ্ট পাবেন না। ব্যক্তিগতভাবে নিবেন না, আমি সত্যের উপর দাঁড়িয়ে কথাগুলো বললাম। আদালতে এখনো কলোনিয়াল শাসন চলছে। বাংলায় রায় দিতে না পারাটা আমাদের বিচারপতিদের বড় ধরণের অপরাধ।

১৯৭৫ সালে সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানে খালেদ মোশাররফের প্রতি আওয়ামী লীগের অনুরাগ বিভিন্ন সময় দেখা গেছে। খালেদ মোশাররফের মেয়ে মেহজাবিন খালেদ বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের হয়ে সংরক্ষিত নারী সাংসদ হিসেবে আছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু আদালত স্বাধীন হয়নি: আবু সাঈদ

আপডেট সময় ০৪:২০:৪৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. আবু সাঈদ বলেন, আমরা এখনো বাংলায় রায় লিখিনা। বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে, কিন্তু আদালতে স্বাধীন হয়নি। হয়ে থাকলে আমাদের ভাষা সেখানে স্বাধীন হতো। রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে প্রেস ক্লাব আয়োজিত `বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যাকাণ্ড: দেশীয় ও আন্তর্জাতি চক্রান্ত` শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধুকে বাঁচাতে, তার হত্যাকাণ্ডকে প্রতিরোধ করতে কিংবা তার আদর্শ প্রতিষ্ঠিত করতে খালেদ মোশাররফ চেষ্টা করেননি। তিনি সেনাপ্রধান হতে চেয়েছিলেন, সেজন্য বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সঙ্গে আপস করেছিলেন। এছাড়া সেনাপ্রধান হওয়ার জন্য বঙ্গবন্ধুর খুনিদের সাথে খালেদ মোশাররফ আপস করেছিলেন। সেনাবাহিনীর উচ্চপর্যায়ের সবাই-ই বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডেরে বিষয়ে জানত। খালেদ মোশাররফও সেটি প্রতিরোধ করতে চাননি। তিনিও পরে খুনিদের সুযোগ দিয়েছিলেন, নিজের স্বার্থে।

তিনি আরো বলেন, খালেদ মোশাররফের সম্পর্কে আমার কথায় কেউ কষ্ট পাবেন না। ব্যক্তিগতভাবে নিবেন না, আমি সত্যের উপর দাঁড়িয়ে কথাগুলো বললাম। আদালতে এখনো কলোনিয়াল শাসন চলছে। বাংলায় রায় দিতে না পারাটা আমাদের বিচারপতিদের বড় ধরণের অপরাধ।

১৯৭৫ সালে সেনাবাহিনীতে অভ্যুত্থান-পাল্টা অভ্যুত্থানে খালেদ মোশাররফের প্রতি আওয়ামী লীগের অনুরাগ বিভিন্ন সময় দেখা গেছে। খালেদ মোশাররফের মেয়ে মেহজাবিন খালেদ বর্তমান সংসদে আওয়ামী লীগের হয়ে সংরক্ষিত নারী সাংসদ হিসেবে আছেন।