ঢাকা ০২:৫৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

এক ছাদের নিচে প্রার্থনা করে হিন্দু-মুসলিম

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দেখে বোঝার উপায় নেই মন্দির না মসজিদ। এটুকু বোঝা যায় যে একটি উপাসনাস্থল। সেখানে একাধিক ধর্মের মানুষেরা প্রার্থনা করেন। কাছে গেলে আরও একটু পরিষ্কার হয় চিত্রটা। একই ছাদের তলায় প্রার্থনা করছেন হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

এমনই এক উপাসনাস্থল রয়েছে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে। ওই রাজ্যের চিক্কাবাল্লাপুরের বেগেপল্লি তালুকের মল্লাসান্দ্রাতে অবস্থিত এই উপাসনাস্থল। এখানে মন্দিরের মতো তীর্যক চুড়া যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে বিশালাকার গম্বুজ। অদূরে ক্রস চিহ্ন দেওয়া একটি গির্জাও দেখা যায়।

এটিকে মন্দির বা মসজিদ বলে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। কারণ, উভয় ধর্মের মানুষেরাই এখানে প্রার্থনায় ব্রতী হন। আরও বড় বিষয় হচ্ছে সকল ধর্মের লোকেরাই পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখেন। এভাবেই চলে আসছে বছরের পর বছর। কখনও কোনও সমস্যা হয়নি।

ইসলাম রীতি অনুসারে মুর্তি বা ছবি নিষিদ্ধ। কিন্তু, হিন্দুরা মূর্তি পুজো করেন। ওই উপাসনাস্থলে রয়েছে হিন্দু দেবতা আঞ্জানেয়ার এবং রামের মূর্তি। সকল ধর্মের মানুষেরা একই সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সামিল হন। এখানে হিন্দুদের অনুষ্ঠানের দিনে আমিষ মুখে তোলেন না মুসলিমরা। একই সঙ্গে রমজান মাসে উপবাস করেন হিন্দুরা।

গ্রামের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিকি বলেছেন, ‘আমাদের গ্রামে কখনও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়নি। আমরা সবাই একসঙ্গে রাম নবমী এবং গনেশ চতুর্থী পালন করি।”

গ্রামেরই আরেক বাসিন্দা কমল বাবু বলেন, “কোথাও কী লেখা রয়েছে যে সব ধর্মের দেবতারা এক ছাদের তলায় থাকতে পারবে না? আমরা সবাই এক। আমাদের এখানে কোনও ভেদাভেদ নেই।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরিত্রিয়া সীমান্তে ইথিওপীয় সেনার অগ্রগতি, বাড়ছে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা

এক ছাদের নিচে প্রার্থনা করে হিন্দু-মুসলিম

আপডেট সময় ১০:০৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দেখে বোঝার উপায় নেই মন্দির না মসজিদ। এটুকু বোঝা যায় যে একটি উপাসনাস্থল। সেখানে একাধিক ধর্মের মানুষেরা প্রার্থনা করেন। কাছে গেলে আরও একটু পরিষ্কার হয় চিত্রটা। একই ছাদের তলায় প্রার্থনা করছেন হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

এমনই এক উপাসনাস্থল রয়েছে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে। ওই রাজ্যের চিক্কাবাল্লাপুরের বেগেপল্লি তালুকের মল্লাসান্দ্রাতে অবস্থিত এই উপাসনাস্থল। এখানে মন্দিরের মতো তীর্যক চুড়া যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে বিশালাকার গম্বুজ। অদূরে ক্রস চিহ্ন দেওয়া একটি গির্জাও দেখা যায়।

এটিকে মন্দির বা মসজিদ বলে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। কারণ, উভয় ধর্মের মানুষেরাই এখানে প্রার্থনায় ব্রতী হন। আরও বড় বিষয় হচ্ছে সকল ধর্মের লোকেরাই পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখেন। এভাবেই চলে আসছে বছরের পর বছর। কখনও কোনও সমস্যা হয়নি।

ইসলাম রীতি অনুসারে মুর্তি বা ছবি নিষিদ্ধ। কিন্তু, হিন্দুরা মূর্তি পুজো করেন। ওই উপাসনাস্থলে রয়েছে হিন্দু দেবতা আঞ্জানেয়ার এবং রামের মূর্তি। সকল ধর্মের মানুষেরা একই সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সামিল হন। এখানে হিন্দুদের অনুষ্ঠানের দিনে আমিষ মুখে তোলেন না মুসলিমরা। একই সঙ্গে রমজান মাসে উপবাস করেন হিন্দুরা।

গ্রামের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিকি বলেছেন, ‘আমাদের গ্রামে কখনও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়নি। আমরা সবাই একসঙ্গে রাম নবমী এবং গনেশ চতুর্থী পালন করি।”

গ্রামেরই আরেক বাসিন্দা কমল বাবু বলেন, “কোথাও কী লেখা রয়েছে যে সব ধর্মের দেবতারা এক ছাদের তলায় থাকতে পারবে না? আমরা সবাই এক। আমাদের এখানে কোনও ভেদাভেদ নেই।”