ঢাকা ০৬:৫৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এক ছাদের নিচে প্রার্থনা করে হিন্দু-মুসলিম

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দেখে বোঝার উপায় নেই মন্দির না মসজিদ। এটুকু বোঝা যায় যে একটি উপাসনাস্থল। সেখানে একাধিক ধর্মের মানুষেরা প্রার্থনা করেন। কাছে গেলে আরও একটু পরিষ্কার হয় চিত্রটা। একই ছাদের তলায় প্রার্থনা করছেন হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

এমনই এক উপাসনাস্থল রয়েছে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে। ওই রাজ্যের চিক্কাবাল্লাপুরের বেগেপল্লি তালুকের মল্লাসান্দ্রাতে অবস্থিত এই উপাসনাস্থল। এখানে মন্দিরের মতো তীর্যক চুড়া যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে বিশালাকার গম্বুজ। অদূরে ক্রস চিহ্ন দেওয়া একটি গির্জাও দেখা যায়।

এটিকে মন্দির বা মসজিদ বলে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। কারণ, উভয় ধর্মের মানুষেরাই এখানে প্রার্থনায় ব্রতী হন। আরও বড় বিষয় হচ্ছে সকল ধর্মের লোকেরাই পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখেন। এভাবেই চলে আসছে বছরের পর বছর। কখনও কোনও সমস্যা হয়নি।

ইসলাম রীতি অনুসারে মুর্তি বা ছবি নিষিদ্ধ। কিন্তু, হিন্দুরা মূর্তি পুজো করেন। ওই উপাসনাস্থলে রয়েছে হিন্দু দেবতা আঞ্জানেয়ার এবং রামের মূর্তি। সকল ধর্মের মানুষেরা একই সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সামিল হন। এখানে হিন্দুদের অনুষ্ঠানের দিনে আমিষ মুখে তোলেন না মুসলিমরা। একই সঙ্গে রমজান মাসে উপবাস করেন হিন্দুরা।

গ্রামের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিকি বলেছেন, ‘আমাদের গ্রামে কখনও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়নি। আমরা সবাই একসঙ্গে রাম নবমী এবং গনেশ চতুর্থী পালন করি।”

গ্রামেরই আরেক বাসিন্দা কমল বাবু বলেন, “কোথাও কী লেখা রয়েছে যে সব ধর্মের দেবতারা এক ছাদের তলায় থাকতে পারবে না? আমরা সবাই এক। আমাদের এখানে কোনও ভেদাভেদ নেই।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

এক ছাদের নিচে প্রার্থনা করে হিন্দু-মুসলিম

আপডেট সময় ১০:০৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দেখে বোঝার উপায় নেই মন্দির না মসজিদ। এটুকু বোঝা যায় যে একটি উপাসনাস্থল। সেখানে একাধিক ধর্মের মানুষেরা প্রার্থনা করেন। কাছে গেলে আরও একটু পরিষ্কার হয় চিত্রটা। একই ছাদের তলায় প্রার্থনা করছেন হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

এমনই এক উপাসনাস্থল রয়েছে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে। ওই রাজ্যের চিক্কাবাল্লাপুরের বেগেপল্লি তালুকের মল্লাসান্দ্রাতে অবস্থিত এই উপাসনাস্থল। এখানে মন্দিরের মতো তীর্যক চুড়া যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে বিশালাকার গম্বুজ। অদূরে ক্রস চিহ্ন দেওয়া একটি গির্জাও দেখা যায়।

এটিকে মন্দির বা মসজিদ বলে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। কারণ, উভয় ধর্মের মানুষেরাই এখানে প্রার্থনায় ব্রতী হন। আরও বড় বিষয় হচ্ছে সকল ধর্মের লোকেরাই পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখেন। এভাবেই চলে আসছে বছরের পর বছর। কখনও কোনও সমস্যা হয়নি।

ইসলাম রীতি অনুসারে মুর্তি বা ছবি নিষিদ্ধ। কিন্তু, হিন্দুরা মূর্তি পুজো করেন। ওই উপাসনাস্থলে রয়েছে হিন্দু দেবতা আঞ্জানেয়ার এবং রামের মূর্তি। সকল ধর্মের মানুষেরা একই সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সামিল হন। এখানে হিন্দুদের অনুষ্ঠানের দিনে আমিষ মুখে তোলেন না মুসলিমরা। একই সঙ্গে রমজান মাসে উপবাস করেন হিন্দুরা।

গ্রামের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিকি বলেছেন, ‘আমাদের গ্রামে কখনও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়নি। আমরা সবাই একসঙ্গে রাম নবমী এবং গনেশ চতুর্থী পালন করি।”

গ্রামেরই আরেক বাসিন্দা কমল বাবু বলেন, “কোথাও কী লেখা রয়েছে যে সব ধর্মের দেবতারা এক ছাদের তলায় থাকতে পারবে না? আমরা সবাই এক। আমাদের এখানে কোনও ভেদাভেদ নেই।”