ঢাকা ১১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আল্টিমেটাম দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করে সরকার জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে: নাহিদ কোনোভাবেই উগ্রবাদকে প্রশ্রয় দেবে না সরকার:প্রধানমন্ত্রী অহংকারী মনোভাব বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সরকারের বসা উচিত:নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ২৬ কার্যদিবসের বাজেট অধিবেশন সমাপ্ত, ১০ সরকারি বিল পাস এমপিরা পৃষ্ঠপোষক না হলে দুর্নীতি কানে ধরে বিদায় নেবে:সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা সরকারি সব সুযোগ-সুবিধা নিয়ে চালু হবে ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ বস্ত্র খাত পুনরুজ্জীবনে গভর্নরকে বিটিএমএ’র ১০ দফা প্রস্তাব থানায় গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা, উদ্ধার করল পুলিশ কাতারের সাবেক আমিরের স্মরণে রাজধানীতে সড়কের নামকরণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

এক ছাদের নিচে প্রার্থনা করে হিন্দু-মুসলিম

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দেখে বোঝার উপায় নেই মন্দির না মসজিদ। এটুকু বোঝা যায় যে একটি উপাসনাস্থল। সেখানে একাধিক ধর্মের মানুষেরা প্রার্থনা করেন। কাছে গেলে আরও একটু পরিষ্কার হয় চিত্রটা। একই ছাদের তলায় প্রার্থনা করছেন হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

এমনই এক উপাসনাস্থল রয়েছে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে। ওই রাজ্যের চিক্কাবাল্লাপুরের বেগেপল্লি তালুকের মল্লাসান্দ্রাতে অবস্থিত এই উপাসনাস্থল। এখানে মন্দিরের মতো তীর্যক চুড়া যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে বিশালাকার গম্বুজ। অদূরে ক্রস চিহ্ন দেওয়া একটি গির্জাও দেখা যায়।

এটিকে মন্দির বা মসজিদ বলে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। কারণ, উভয় ধর্মের মানুষেরাই এখানে প্রার্থনায় ব্রতী হন। আরও বড় বিষয় হচ্ছে সকল ধর্মের লোকেরাই পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখেন। এভাবেই চলে আসছে বছরের পর বছর। কখনও কোনও সমস্যা হয়নি।

ইসলাম রীতি অনুসারে মুর্তি বা ছবি নিষিদ্ধ। কিন্তু, হিন্দুরা মূর্তি পুজো করেন। ওই উপাসনাস্থলে রয়েছে হিন্দু দেবতা আঞ্জানেয়ার এবং রামের মূর্তি। সকল ধর্মের মানুষেরা একই সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সামিল হন। এখানে হিন্দুদের অনুষ্ঠানের দিনে আমিষ মুখে তোলেন না মুসলিমরা। একই সঙ্গে রমজান মাসে উপবাস করেন হিন্দুরা।

গ্রামের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিকি বলেছেন, ‘আমাদের গ্রামে কখনও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়নি। আমরা সবাই একসঙ্গে রাম নবমী এবং গনেশ চতুর্থী পালন করি।”

গ্রামেরই আরেক বাসিন্দা কমল বাবু বলেন, “কোথাও কী লেখা রয়েছে যে সব ধর্মের দেবতারা এক ছাদের তলায় থাকতে পারবে না? আমরা সবাই এক। আমাদের এখানে কোনও ভেদাভেদ নেই।”

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জলবায়ু পরিবর্তনে এভারেস্টে উঠছে বিষধর সাপ, আতঙ্কে পর্বতারোহীরা

এক ছাদের নিচে প্রার্থনা করে হিন্দু-মুসলিম

আপডেট সময় ১০:০৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৯ মে ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

দেখে বোঝার উপায় নেই মন্দির না মসজিদ। এটুকু বোঝা যায় যে একটি উপাসনাস্থল। সেখানে একাধিক ধর্মের মানুষেরা প্রার্থনা করেন। কাছে গেলে আরও একটু পরিষ্কার হয় চিত্রটা। একই ছাদের তলায় প্রার্থনা করছেন হিন্দু এবং মুসলিম সম্প্রদায়ের মানুষেরা।

এমনই এক উপাসনাস্থল রয়েছে দক্ষিণ ভারতের কর্ণাটক রাজ্যে। ওই রাজ্যের চিক্কাবাল্লাপুরের বেগেপল্লি তালুকের মল্লাসান্দ্রাতে অবস্থিত এই উপাসনাস্থল। এখানে মন্দিরের মতো তীর্যক চুড়া যেমন রয়েছে তেমনই রয়েছে বিশালাকার গম্বুজ। অদূরে ক্রস চিহ্ন দেওয়া একটি গির্জাও দেখা যায়।

এটিকে মন্দির বা মসজিদ বলে চিহ্নিত করা সম্ভব নয়। কারণ, উভয় ধর্মের মানুষেরাই এখানে প্রার্থনায় ব্রতী হন। আরও বড় বিষয় হচ্ছে সকল ধর্মের লোকেরাই পরস্পরের প্রতি সম্মান বজায় রাখেন। এভাবেই চলে আসছে বছরের পর বছর। কখনও কোনও সমস্যা হয়নি।

ইসলাম রীতি অনুসারে মুর্তি বা ছবি নিষিদ্ধ। কিন্তু, হিন্দুরা মূর্তি পুজো করেন। ওই উপাসনাস্থলে রয়েছে হিন্দু দেবতা আঞ্জানেয়ার এবং রামের মূর্তি। সকল ধর্মের মানুষেরা একই সব ধর্মীয় অনুষ্ঠানে সামিল হন। এখানে হিন্দুদের অনুষ্ঠানের দিনে আমিষ মুখে তোলেন না মুসলিমরা। একই সঙ্গে রমজান মাসে উপবাস করেন হিন্দুরা।

গ্রামের বাসিন্দা আবুবকর সিদ্দিকি বলেছেন, ‘আমাদের গ্রামে কখনও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হয়নি। আমরা সবাই একসঙ্গে রাম নবমী এবং গনেশ চতুর্থী পালন করি।”

গ্রামেরই আরেক বাসিন্দা কমল বাবু বলেন, “কোথাও কী লেখা রয়েছে যে সব ধর্মের দেবতারা এক ছাদের তলায় থাকতে পারবে না? আমরা সবাই এক। আমাদের এখানে কোনও ভেদাভেদ নেই।”