ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬, ১৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়াকে দেখতে হাসপাতালে ডা. মনোয়ারুল কাদির ঋণের লক্ষ্য ক‌মিয়ে নীতি সুদহার অপরিবর্তিত রেখে নতুন মুদ্রানীতি ঘোষণা হলমার্ক-বেসিক ব্যাংকের কেলেঙ্কারিতে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা চান আখতার মামলা করতে বাধা নেই বলেই ধর্ষণের পরিসংখ্যান বেশি দেখাচ্ছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিটাকে শুধু চাকরিপ্রার্থী নয়, উদ্যোক্তাও তৈরি করা হচ্ছে: শিল্পমন্ত্রী ১ টাকায় বিচার বিভাগ চললে দেশ পুলিশি রাষ্ট্র হয়ে যাবে: আইনমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধে ইনুর ১০ বছর কারাদণ্ড ব্যাটারিচালিত রিকশা উচ্ছেদ ডিএমপির একার পক্ষে সম্ভব নয়: কমিশনার স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে ইসি: সংসদে মির্জা ফখরুল

মাদক ও দানবাধিকার নিয়ে মায়াকান্নার রাজনীতির দিন শেষ: ইনু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চলমান মাদববিরোধী অভিযানকে দানবের বিরুদ্ধে অভিযান হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। যারা এই অভিযানের বিরুদ্ধে কথা বলছে তারা ‘দানবাধিকারের’ পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। দানবদের অধিকার নিয়ে মায়াকান্নার দিন শেষ বলেও মনে করেন তিনি।

শনিবার বিকালে পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবন মিলনায়তনে ন্যাপ (মোজাফফর) এর প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নজরুল মজিদ বেলাল স্মরণে ১৪ দল আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সম্প্রতি সারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭০ জনের বেশি মারা গেছে। তবে এটাকে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে বিএনপিসহ সুশীল সমাজ এর সমালোচনা করছে।

সমালোচকদের জবাবে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার কখনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অনুমতি দেয় না। একাত্তরের গণহত্যা, বঙ্গবন্ধু হত্যা, একুশ আগস্টের গ্রেনেড হামলাকারীদের মধ্যে স্বীকৃত খুনিদেরও বিনাবিচারে হত্যা করা হয়নি, বহুবছর পরে হলেও শেখ হাসিনার সরকারই তাদের বিচারের আওতায় এনেছে।’

‘অপরদিকে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া হচ্ছে বিনা বিচারে হত্যাকাণ্ডের হোতা এবং বিএনপি হচ্ছে সব বিচারবহির্ভূত হত্যাকারীদের আশ্রয়দাতা।’

ইনু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্তির আইন করে তাদের পুরস্কৃত করেছিল জিয়া, ক্লিনহার্ট অপারেশনে ৮০ জনের অধিক মানুষ হত্যার দায়মুক্তির আইন করেছিল খালেদা জিয়া। তারা একুশ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ও সাম্প্রতিককালে আগুন সন্ত্রাসে শতাধিক মানুষ পুড়িয়ে হত্যার অপরাধীদেরও বাঁচানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।’

ন্যাপ (মোজাফফর) এর প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নজরুল মজিদ বেলালকে জঙ্গি ও মাদক দমনের সাহসী সৈনিক হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘জঙ্গি ও মাদক দমনে সফলতার মাধ্যমেই অধ্যক্ষ বেলালের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবে।’

সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সিপিবি সভাপতি মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া প্রমুখ সভায় বক্তব্য দেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংসদে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট পাস

মাদক ও দানবাধিকার নিয়ে মায়াকান্নার রাজনীতির দিন শেষ: ইনু

আপডেট সময় ০৮:৫০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

চলমান মাদববিরোধী অভিযানকে দানবের বিরুদ্ধে অভিযান হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু। যারা এই অভিযানের বিরুদ্ধে কথা বলছে তারা ‘দানবাধিকারের’ পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি। দানবদের অধিকার নিয়ে মায়াকান্নার দিন শেষ বলেও মনে করেন তিনি।

শনিবার বিকালে পুরানা পল্টনের মুক্তি ভবন মিলনায়তনে ন্যাপ (মোজাফফর) এর প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নজরুল মজিদ বেলাল স্মরণে ১৪ দল আয়োজিত সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সম্প্রতি সারাদেশে মাদকের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এই অভিযানে কথিত বন্দুকযুদ্ধে এখন পর্যন্ত ৭০ জনের বেশি মারা গেছে। তবে এটাকে ‘বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে বিএনপিসহ সুশীল সমাজ এর সমালোচনা করছে।

সমালোচকদের জবাবে জাসদ সভাপতি হাসানুল হক ইনু বলেন, ‘শেখ হাসিনার সরকার কখনো বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অনুমতি দেয় না। একাত্তরের গণহত্যা, বঙ্গবন্ধু হত্যা, একুশ আগস্টের গ্রেনেড হামলাকারীদের মধ্যে স্বীকৃত খুনিদেরও বিনাবিচারে হত্যা করা হয়নি, বহুবছর পরে হলেও শেখ হাসিনার সরকারই তাদের বিচারের আওতায় এনেছে।’

‘অপরদিকে জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়া হচ্ছে বিনা বিচারে হত্যাকাণ্ডের হোতা এবং বিএনপি হচ্ছে সব বিচারবহির্ভূত হত্যাকারীদের আশ্রয়দাতা।’

ইনু বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যাকারীদের দায়মুক্তির আইন করে তাদের পুরস্কৃত করেছিল জিয়া, ক্লিনহার্ট অপারেশনে ৮০ জনের অধিক মানুষ হত্যার দায়মুক্তির আইন করেছিল খালেদা জিয়া। তারা একুশ আগস্টের গ্রেনেড হামলা ও সাম্প্রতিককালে আগুন সন্ত্রাসে শতাধিক মানুষ পুড়িয়ে হত্যার অপরাধীদেরও বাঁচানোর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।’

ন্যাপ (মোজাফফর) এর প্রয়াত সাধারণ সম্পাদক অধ্যক্ষ নজরুল মজিদ বেলালকে জঙ্গি ও মাদক দমনের সাহসী সৈনিক হিসেবে বর্ণনা করে বলেন, ‘জঙ্গি ও মাদক দমনে সফলতার মাধ্যমেই অধ্যক্ষ বেলালের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে হবে।’

সমাজকল্যাণমন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সিপিবি সভাপতি মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম, আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ বড়ুয়া প্রমুখ সভায় বক্তব্য দেন।