ঢাকা ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘যারা কেন্দ্র দখলের চিন্তা করছেন, তারা বাসা থেকে মা-বাবার দোয়া নিয়ে বের হইয়েন’:হাসনাত চট্টগ্রামের স্বপ্ন ভেঙে ফের চ্যাম্পিয়ন রাজশাহী ওয়ারিয়র্স অভিবাসন নীতি মেনে চলতে যুক্তরাষ্ট্রকে আহ্বান জাতিসংঘের দেশকে পুনর্নির্মাণ করতে হলে গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে : তারেক রহমান ‘একটি স্বার্থান্বেষী দল ইসলামী আন্দোলনকে ধোঁকা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে’:রেজাউল করিম ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইলেন ধানের শীষে পর্যাপ্ত খেলার মাঠের অভাবে তরুণ সমাজ বিপদগামী হচ্ছে : মির্জা আব্বাস বাংলাদেশি সন্দেহে ভারতে যুবককে পিটিয়ে হত্যা নতুন বিশ্ব ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ শক্তি হয়ে উঠছে তুরস্ক: এরদোগান জনগণ জেনে গেছে ‘হ্যা’ ভোট দেওয়া হলে দেশে স্বৈরাচার আর ফিরে আসবে না: প্রেস সচিব

দুই দিনের রিমান্ড শেষে এমপি রানা কারাগারে

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে দুই দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে আবার কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে গোয়েন্দা পুলিশ রিমান্ড শেষে আদালতের নির্দেশে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। দুই যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় ১২ মে গোয়েন্দা পুলিশ এমপি রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে টাঙ্গাইল নিয়ে এসেছিল।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি অশোক কুমার সিংহ জানান, দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদে এমপি রানা দুই যুবলীগ নেতা হত্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিয়েছে, যা তদন্তের স্বার্থে এখন প্রকাশ করা হচ্ছে না। তার দেয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুন হত্যা মামলায় গত ১০ মে টাঙ্গাইল সদর আমলি আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মাসুম আমানুরের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এমপি রানা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি। ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণের পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা শামীম ও মামুন ২০১২ সালের ১৬ জুলাই তাদের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে টাঙ্গাইল শহরে এসে নিখোঁজ হন। ঘটনার পরদিন শামীমের মা আছিয়া খাতুন এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

এক বছর পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই নিখোঁজ মামুনের বাবা টাঙ্গাইল আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত করে পুলিশ ওই বছর ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি তালিকাভুক্ত করে।

এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার খন্দকার জাহিদ গত বছর ১১ মার্চ, শাহাদত হোসেন ১৬ মার্চ এবং হিরন মিয়া ২৭ এপ্রিল আদালতে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে তারা উল্লেখ করেন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার দিকনির্দেশনায় যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুনকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছিল।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

লিবিয়াস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসে ই-পাসপোর্ট সেবা উদ্বোধন

দুই দিনের রিমান্ড শেষে এমপি রানা কারাগারে

আপডেট সময় ০৭:০০:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানাকে দুই দিনের পুলিশ রিমান্ড শেষে আবার কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত।

সোমবার দুপুর আড়াইটার দিকে তাকে গোয়েন্দা পুলিশ রিমান্ড শেষে আদালতের নির্দেশে গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগারে পাঠিয়ে দেয়া হয়। দুই যুবলীগ নেতা হত্যা মামলায় ১২ মে গোয়েন্দা পুলিশ এমপি রানাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গাজীপুরের কাশিমপুর কারাগার থেকে টাঙ্গাইল নিয়ে এসেছিল।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ওসি অশোক কুমার সিংহ জানান, দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদে এমপি রানা দুই যুবলীগ নেতা হত্যা সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য দিয়েছে, যা তদন্তের স্বার্থে এখন প্রকাশ করা হচ্ছে না। তার দেয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুন হত্যা মামলায় গত ১০ মে টাঙ্গাইল সদর আমলি আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল মাসুম আমানুরের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এমপি রানা আওয়ামী লীগ নেতা মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলার প্রধান আসামি। ২০১৬ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে আত্মসমর্পণের পর থেকে তিনি কারাগারে আছেন।

উল্লেখ্য, টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়ন যুবলীগের নেতা শামীম ও মামুন ২০১২ সালের ১৬ জুলাই তাদের বাড়ি থেকে মোটরসাইকেলে টাঙ্গাইল শহরে এসে নিখোঁজ হন। ঘটনার পরদিন শামীমের মা আছিয়া খাতুন এ ব্যাপারে টাঙ্গাইল সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।

এক বছর পর ২০১৩ সালের ৯ জুলাই নিখোঁজ মামুনের বাবা টাঙ্গাইল আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে তদন্ত করে পুলিশ ওই বছর ২১ সেপ্টেম্বর মামলাটি তালিকাভুক্ত করে।

এই মামলায় গ্রেফতার হওয়া শহরের বিশ্বাস বেতকা এলাকার খন্দকার জাহিদ গত বছর ১১ মার্চ, শাহাদত হোসেন ১৬ মার্চ এবং হিরন মিয়া ২৭ এপ্রিল আদালতে এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন।

জবানবন্দিতে তারা উল্লেখ করেন সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার দিকনির্দেশনায় যুবলীগ নেতা শামীম ও মামুনকে হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়া হয়েছিল।