ঢাকা ০১:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

দৃষ্টি ফেরার নিশ্চয়তা ছাড়াই ফিরলেন সিদ্দিকুর

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দৃষ্টি ফেরার নিশ্চয়তা ছাড়াই চেন্নাই থেকে শুক্রবার দেশে ফিরেছেন পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেলে দৃষ্টি হারানো তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমান (২৩)। বিকালে তাকে বহনকারী বিমানটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। খবর যমুনা টেলিভিশনের। এদিকে সিদ্দিকুরের বন্ধুরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে বিমানবন্দর এলাকায় মানববন্ধন করছে।

সিদ্দিকুরের সহপাঠী শেখ ফরিদ জানান, বেলা ১২টার ফ্লাইটে সিদ্দিকুর দেশের উদ্দেশে রওনা দেন। বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ের শঙ্কর নেত্রালয়ের চিকিৎসক লিঙ্গম গোপাল তার চোখ পুনরায় পরীক্ষা করেন। চিকিৎসক এ সময় তাকে ৫ থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য ব্যবস্থাপত্র লিখে দিয়ে জানান, চোখ ভালো হবে কিনা তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তার বাম চোখের রেটিনার ৯০ শতাংশের বেশি নষ্ট হয়ে গেছে। আর ডান চোখ তো আগেই নষ্ট হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গত ২৭ জুলাই দুপুরের ফ্লাইটে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিদ্দিকুরকে চেন্নাইয়ের শঙ্কর নেত্রালয়ে নেয়া হয়। তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুল আহসান মেনন ও বড় ভাই নওয়াব আলী। চেন্নাই নেয়ার পর ২৮ জুলাই প্রথম তাকে চিকিৎসক দেখানো হয়। পরে ৩১ জুলাই চিকিৎসক তার চোখ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, তার দুই চোখই নষ্ট হয়ে গেছে।

তবে রোগী চাইলে তারা অস্ত্রোপচার করবেন। ১ আগস্ট রোগীর কাছ থেকে সম্মতি পেয়ে ৪ আগস্ট অস্ত্রোপচার করা হয়। চেন্নাই পাঠানোর আগে সিদ্দিকুর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা রুটিনসহ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগে আন্দোলন করতে গেলে পুলিশের হামলায় সিদ্দিকুর রহমান দুই চোখে আঘাত পান। প্রথমে সিদ্দিকুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরে তাকে চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রথম দফায় তার চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দৃষ্টি ফেরার নিশ্চয়তা ছাড়াই ফিরলেন সিদ্দিকুর

আপডেট সময় ১১:২৫:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দৃষ্টি ফেরার নিশ্চয়তা ছাড়াই চেন্নাই থেকে শুক্রবার দেশে ফিরেছেন পুলিশের ছোড়া টিয়ারশেলে দৃষ্টি হারানো তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থী সিদ্দিকুর রহমান (২৩)। বিকালে তাকে বহনকারী বিমানটি শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। খবর যমুনা টেলিভিশনের। এদিকে সিদ্দিকুরের বন্ধুরা চোখে কালো কাপড় বেঁধে বিমানবন্দর এলাকায় মানববন্ধন করছে।

সিদ্দিকুরের সহপাঠী শেখ ফরিদ জানান, বেলা ১২টার ফ্লাইটে সিদ্দিকুর দেশের উদ্দেশে রওনা দেন। বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ের শঙ্কর নেত্রালয়ের চিকিৎসক লিঙ্গম গোপাল তার চোখ পুনরায় পরীক্ষা করেন। চিকিৎসক এ সময় তাকে ৫ থেকে ৬ সপ্তাহের জন্য ব্যবস্থাপত্র লিখে দিয়ে জানান, চোখ ভালো হবে কিনা তার কোনো নিশ্চয়তা নেই। তার বাম চোখের রেটিনার ৯০ শতাংশের বেশি নষ্ট হয়ে গেছে। আর ডান চোখ তো আগেই নষ্ট হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় গত ২৭ জুলাই দুপুরের ফ্লাইটে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিদ্দিকুরকে চেন্নাইয়ের শঙ্কর নেত্রালয়ে নেয়া হয়। তার সঙ্গে ছিলেন জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালের সহকারী অধ্যাপক ডা. জাহিদুল আহসান মেনন ও বড় ভাই নওয়াব আলী। চেন্নাই নেয়ার পর ২৮ জুলাই প্রথম তাকে চিকিৎসক দেখানো হয়। পরে ৩১ জুলাই চিকিৎসক তার চোখ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জানান, তার দুই চোখই নষ্ট হয়ে গেছে।

তবে রোগী চাইলে তারা অস্ত্রোপচার করবেন। ১ আগস্ট রোগীর কাছ থেকে সম্মতি পেয়ে ৪ আগস্ট অস্ত্রোপচার করা হয়। চেন্নাই পাঠানোর আগে সিদ্দিকুর জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

প্রসঙ্গত, সাত সরকারি কলেজের শিক্ষার্থীরা রুটিনসহ পরীক্ষার তারিখ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগে আন্দোলন করতে গেলে পুলিশের হামলায় সিদ্দিকুর রহমান দুই চোখে আঘাত পান। প্রথমে সিদ্দিকুরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরে তাকে চক্ষু বিজ্ঞান ইন্সটিটিউটে ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রথম দফায় তার চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়।