ঢাকা ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

খুলনায় লেভেল প্লেইং ফিল্ড নেই: আ.লীগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে বিএনপির ক্রমাগত অভিযোগের মধ্যে এবার একই অভিযোগ তুলল আওয়ামী লীগও। তাদের দাবি, আচরণবিধির কারণে তাদের দলের শীর্ষ নেতারা সংসদ সদস্য হওয়ায় সেখানে যেতে পারছেন না। এতে বঞ্চিত হচ্ছে দল। আবার রিটার্নিং কর্মকর্তা পক্ষপাত করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমামের নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন দলের এক প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এই অভিযোগ জানিয়েছে।

বুধবার বিকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সঙ্গে বৈঠক করে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল।

বৈঠক শেষে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আইন) যখন তৈরি হয়েছিল বর্তমান সময়ের সঙ্গে তার সঙ্গতি নেই। আমাদের মন্ত্রী-এমপিরা প্রচারণায় যেতে পারছেন না; বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা ঝাঁকে ঝাঁকে অংশ নিচ্ছেন। অন্যান্য দলের সব নেতাকর্মীরা সেখানে ঝাপিয়ে পড়ছে।’

‘নির্বাচনে প্রচারণায় লেভেল প্লেইং ফিল্ড নেই। প্রচারণায় এক অসম ব্যবস্থা বিরাজ করছে। আমাদের প্রচারণা বহুলাংশে ব্যাহত হচ্ছে।’

‘কমিশনকে বলেছি-আচরণবিধি সংশোধন করতে হবে। এখন না হলে আগামীতে যাতে স্থানীয় নির্বাচনে এমপিরা অংশ নিতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।’

আগামী ১৫ মে খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছিল। ৬ মে হাইকোর্ট গাজীপুরের ভোট তিন মাসের জন্য স্থগিত করার পর এখন নজর কেড়ে নিয়েছে খুলনা।

সেখানে আওয়ামী লীগ মেয়র পদে প্রার্থী করেছে ২০০৮ সালে বিজয়ী এবং ২০১৩ সালে হেরে যাওয়া তালুকদার আবদুল খালেককে। আর পাঁচ বছর আগে বিজয়ী মেয়র মনিরুজ্জামান মনিকে পাল্টে বিএনপি প্রার্থী করেছে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে।

ভোটের প্রচার শুরুর পর থেকেই বিএনপি নানা অভিযোগ করে আসছে। তাদের অভিযোগ, প্রচারে তারা বাধার মুখে পড়ছে। প্রচারে তারা সমান সুযোগ পাচ্ছে না।

ভোটের ছয় দিন আগে নির্বাচন কমিশনে ক্ষমতাসীন দলের হয়ে এসেছিলেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আব্দুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য রিয়াজুল কবির কাওসার।

‘রিটার্নিং কর্মকর্তা পক্ষপাতদুষ্ট’

খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানিয়ে এসেছে আওয়ামী লীগ। তাকে বিএনপি-জামায়াতের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলেও আখ্যা দিয়ে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘ তার (ইউনুচ) অতীত অত্যন্ত কালিমাযুক্ত, সে দলীয় (বিএনপির) ক্যাডার হিসেবেও কাজ করেছে। তার বর্তমান কার্যকলাম তা প্রমাণ করে।’

আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের অভিযোগ, প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার দলীয় মনোভাবের প্রমাণ পেয়েছেন তারা।

‘এই অভিযোগ আমরা আগেও করেছি। বিষয়টি আমরা কমিশনকে সেখানে তার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য বলেছি।’

‘এই কর্মকর্তা সংবিধানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তার অতীতে কলুষিত; দলীয় বিবেচনায় বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে নিয়োগ পেয়েছে। আমরা তার প্রতি অনাস্থা প্রকাশের কথা ইসিকে জানিয়েছি।’

নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির দলীয় পরিচয়ের সন্ত্রাসীরা খুলনায় ঢুকে পড়ছে জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি লক্ষ্য রাখতেও বলেছে আওয়ামী লীগ।

ইসি সচিব যা বললেন

রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘ভোটের সময় নানা অভিযোগ আসতেই পারে।’

‘প্রথম রিটার্নিং কর্মকর্তা হয়েছেন। অনেক কিছু ভালোভাবে ডিল করতে পারেননি, সুন্দরভাবে হয়নি। কিছু সীমাবদ্ধতাও ছিল। এখন আইন মোতাবেক তাকে সহায়তা করবেন ইসির যুগ্মসচিব।’

ভোটকে সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে সহায়তার জন্য কমিশনের যুগ্মসচিব (চলতি দায়িত্ব) পর্যায়ের কর্মকর্তাকে খুলনায় পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ইসি সচিব।

আওয়ামী লীগ রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তার পক্ষে কোনো প্রমাণ পেয়েছেন কি না এমন প্রশ্নে ইসি সচিব বলেন, ‘না আমরা তার কোনো প্রমাণ পাইনি।’

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে আরেকজনকে নিয়োগ দিলে কোনো সমস্যা হবে কি না বা কমিশন এটা পারে কি না-এমন প্রশ্নও ছিল গণমাধ্যমকর্মীদের।

জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘কমিশন চাইলে যে কোনো সময় এটা পারে। প্রয়োজনে সেখানে আমি যেতে পারি বা চাইলে কোনো নির্বাচন কমিশনারও যেতে পারেন।’

ইসি সচিব জানান, বিএনপি-জামায়াত জোট ধর্মকে ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগ। সেই সঙ্গে প্রিজাইডিং এবং সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা যেন নিরপেক্ষ হয় সেটিও বলেছেন।

কমিশন কী বলেছে- জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘উনারা যেসব কথা বলেছেন, কমিশন বলেছে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে।’

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসির অতিরিক্ত সচিব মোখলেছুর রহমান প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

খুলনায় লেভেল প্লেইং ফিল্ড নেই: আ.লীগ

আপডেট সময় ০৮:৫১:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সবার জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে বিএনপির ক্রমাগত অভিযোগের মধ্যে এবার একই অভিযোগ তুলল আওয়ামী লীগও। তাদের দাবি, আচরণবিধির কারণে তাদের দলের শীর্ষ নেতারা সংসদ সদস্য হওয়ায় সেখানে যেতে পারছেন না। এতে বঞ্চিত হচ্ছে দল। আবার রিটার্নিং কর্মকর্তা পক্ষপাত করছেন।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমামের নেতৃত্বে ক্ষমতাসীন দলের এক প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এই অভিযোগ জানিয়েছে।

বুধবার বিকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নূরুল হুদার সঙ্গে বৈঠক করে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল।

বৈঠক শেষে এইচ টি ইমাম বলেন, ‘আরপিও (গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আইন) যখন তৈরি হয়েছিল বর্তমান সময়ের সঙ্গে তার সঙ্গতি নেই। আমাদের মন্ত্রী-এমপিরা প্রচারণায় যেতে পারছেন না; বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা ঝাঁকে ঝাঁকে অংশ নিচ্ছেন। অন্যান্য দলের সব নেতাকর্মীরা সেখানে ঝাপিয়ে পড়ছে।’

‘নির্বাচনে প্রচারণায় লেভেল প্লেইং ফিল্ড নেই। প্রচারণায় এক অসম ব্যবস্থা বিরাজ করছে। আমাদের প্রচারণা বহুলাংশে ব্যাহত হচ্ছে।’

‘কমিশনকে বলেছি-আচরণবিধি সংশোধন করতে হবে। এখন না হলে আগামীতে যাতে স্থানীয় নির্বাচনে এমপিরা অংশ নিতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে।’

আগামী ১৫ মে খুলনা ও গাজীপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়েছিল। ৬ মে হাইকোর্ট গাজীপুরের ভোট তিন মাসের জন্য স্থগিত করার পর এখন নজর কেড়ে নিয়েছে খুলনা।

সেখানে আওয়ামী লীগ মেয়র পদে প্রার্থী করেছে ২০০৮ সালে বিজয়ী এবং ২০১৩ সালে হেরে যাওয়া তালুকদার আবদুল খালেককে। আর পাঁচ বছর আগে বিজয়ী মেয়র মনিরুজ্জামান মনিকে পাল্টে বিএনপি প্রার্থী করেছে নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে।

ভোটের প্রচার শুরুর পর থেকেই বিএনপি নানা অভিযোগ করে আসছে। তাদের অভিযোগ, প্রচারে তারা বাধার মুখে পড়ছে। প্রচারে তারা সমান সুযোগ পাচ্ছে না।

ভোটের ছয় দিন আগে নির্বাচন কমিশনে ক্ষমতাসীন দলের হয়ে এসেছিলেন যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আব্দুর রহমান, দপ্তর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপ ও কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য রিয়াজুল কবির কাওসার।

‘রিটার্নিং কর্মকর্তা পক্ষপাতদুষ্ট’

খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলীর বিরুদ্ধেও অভিযোগ জানিয়ে এসেছে আওয়ামী লীগ। তাকে বিএনপি-জামায়াতের প্রতি পক্ষপাতদুষ্ট বলেও আখ্যা দিয়ে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।

এইচ টি ইমাম বলেন, ‘ তার (ইউনুচ) অতীত অত্যন্ত কালিমাযুক্ত, সে দলীয় (বিএনপির) ক্যাডার হিসেবেও কাজ করেছে। তার বর্তমান কার্যকলাম তা প্রমাণ করে।’

আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের অভিযোগ, প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা নিয়োগের ক্ষেত্রে রিটার্নিং কর্মকর্তার দলীয় মনোভাবের প্রমাণ পেয়েছেন তারা।

‘এই অভিযোগ আমরা আগেও করেছি। বিষয়টি আমরা কমিশনকে সেখানে তার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণের জন্য বলেছি।’

‘এই কর্মকর্তা সংবিধানের বিরুদ্ধে কথা বলেছেন। তার অতীতে কলুষিত; দলীয় বিবেচনায় বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে নিয়োগ পেয়েছে। আমরা তার প্রতি অনাস্থা প্রকাশের কথা ইসিকে জানিয়েছি।’

নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপির দলীয় পরিচয়ের সন্ত্রাসীরা খুলনায় ঢুকে পড়ছে জানিয়ে নির্বাচন কমিশনকে বিষয়টি লক্ষ্য রাখতেও বলেছে আওয়ামী লীগ।

ইসি সচিব যা বললেন

রিটার্নিং অফিসারের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ বলেন, ‘ভোটের সময় নানা অভিযোগ আসতেই পারে।’

‘প্রথম রিটার্নিং কর্মকর্তা হয়েছেন। অনেক কিছু ভালোভাবে ডিল করতে পারেননি, সুন্দরভাবে হয়নি। কিছু সীমাবদ্ধতাও ছিল। এখন আইন মোতাবেক তাকে সহায়তা করবেন ইসির যুগ্মসচিব।’

ভোটকে সামনে রেখে রিটার্নিং কর্মকর্তাকে সহায়তার জন্য কমিশনের যুগ্মসচিব (চলতি দায়িত্ব) পর্যায়ের কর্মকর্তাকে খুলনায় পাঠানো হয়েছে বলেও জানান ইসি সচিব।

আওয়ামী লীগ রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ করেছে তার পক্ষে কোনো প্রমাণ পেয়েছেন কি না এমন প্রশ্নে ইসি সচিব বলেন, ‘না আমরা তার কোনো প্রমাণ পাইনি।’

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে আরেকজনকে নিয়োগ দিলে কোনো সমস্যা হবে কি না বা কমিশন এটা পারে কি না-এমন প্রশ্নও ছিল গণমাধ্যমকর্মীদের।

জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘কমিশন চাইলে যে কোনো সময় এটা পারে। প্রয়োজনে সেখানে আমি যেতে পারি বা চাইলে কোনো নির্বাচন কমিশনারও যেতে পারেন।’

ইসি সচিব জানান, বিএনপি-জামায়াত জোট ধর্মকে ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছে আওয়ামী লীগ। সেই সঙ্গে প্রিজাইডিং এবং সহকারী প্রিজাইডিং কর্মকর্তারা যেন নিরপেক্ষ হয় সেটিও বলেছেন।

কমিশন কী বলেছে- জানতে চাইলে সচিব বলেন, ‘উনারা যেসব কথা বলেছেন, কমিশন বলেছে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হবে।’

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী, ইসির অতিরিক্ত সচিব মোখলেছুর রহমান প্রমুখ।