ঢাকা ০৩:৫৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

বিদ্যুৎ খাতে অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চায় বাংলাদেশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চাইছে বাংলাদেশ। রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত জুলিয়া নিবলেটের কাছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূতকে উদ্দেশ্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে আমরা পাশে চাই।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ নেয়। চরম বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে বিনিয়োগ, শিল্পে যে মন্দাবস্থা বিরাজ করছিল, সেই বৃত্ত থেকেও বের হয়ে হয়ে এসেছে বাংলাদেশ।

এরই মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদনক্ষমতা বেড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। উৎপাদনও ছাড়িয়েছে ১০ হাজার মেগাওয়াট। চলতি বছর আরও চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রেডে যোগ হবে।

আবার গ্যাসের ঘাটতি পূরণে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে প্রথম চালান দেশে পৌঁছেছে। তবে এখনও এই চালান পাইপলাইনে আসেনি।

উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মানবসম্পদের দক্ষতা বাড়াতেও কাজ করছে সরকার। এই খাতেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে কারিগরি ও প্রশিক্ষণগত সহযোগিতা চান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

‘আমরা এক হাজারের ওপর টেকনিশিয়ানকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ে আমরা আরও বেশি শিক্ষিত ও সচেতন করে তুলতে চাই। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

প্রতিমন্ত্রীর আহ্বানের পর জ্বালানি খাতে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ও প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়া এ খাতে উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগ করছে। আমি আশা করছি অস্ট্রেলিয়া এ ব্যাপারে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।’

‘বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদের উন্নয়ন’ শীর্ষক এই কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমদ কায়কাউস, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, মনাস অ্যান্ড দ্যা বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রফেসর জুলি উলফার্ম কক্স ও সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর স্কট বাউম্যান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মিরপুরে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে মধ্যরাতে হামলা, গুঁড়িয়ে দেয়া হলো ভবন

বিদ্যুৎ খাতে অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চায় বাংলাদেশ

আপডেট সময় ০৬:২১:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে পাশে চাইছে বাংলাদেশ। রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অস্ট্রেলিয়ার রাষ্ট্রদূত জুলিয়া নিবলেটের কাছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রদূতকে উদ্দেশ্য করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা আমাদের সাধ্য অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছি। উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় অস্ট্রেলিয়াকে আমরা পাশে চাই।’

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়নে ব্যাপক পদক্ষেপ নেয়। চরম বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে বিনিয়োগ, শিল্পে যে মন্দাবস্থা বিরাজ করছিল, সেই বৃত্ত থেকেও বের হয়ে হয়ে এসেছে বাংলাদেশ।

এরই মধ্যে বিদ্যুতের উৎপাদনক্ষমতা বেড়ে ১৬ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে। উৎপাদনও ছাড়িয়েছে ১০ হাজার মেগাওয়াট। চলতি বছর আরও চার হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রেডে যোগ হবে।

আবার গ্যাসের ঘাটতি পূরণে বিদেশ থেকে এলএনজি আমদানির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এরই মধ্যে প্রথম চালান দেশে পৌঁছেছে। তবে এখনও এই চালান পাইপলাইনে আসেনি।

উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে মানবসম্পদের দক্ষতা বাড়াতেও কাজ করছে সরকার। এই খাতেই অস্ট্রেলিয়ার কাছে কারিগরি ও প্রশিক্ষণগত সহযোগিতা চান জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী।

‘আমরা এক হাজারের ওপর টেকনিশিয়ানকে প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আমাদের তরুণ প্রজন্মকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ে আমরা আরও বেশি শিক্ষিত ও সচেতন করে তুলতে চাই। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার সহযোগিতা প্রয়োজন।’

প্রতিমন্ত্রীর আহ্বানের পর জ্বালানি খাতে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন অস্ট্রেলীয় রাষ্ট্রদূত। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ধারাবাহিক উন্নয়নের জন্য বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের উন্নয়ন প্রয়োজন। এক্ষেত্রে উদ্ভাবনী ও প্রতিযোগিতামূলক ক্ষমতা প্রয়োজন। অস্ট্রেলিয়া এ খাতে উদ্ভাবনী শক্তি প্রয়োগ করছে। আমি আশা করছি অস্ট্রেলিয়া এ ব্যাপারে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করবে।’

‘বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদের উন্নয়ন’ শীর্ষক এই কর্মশালায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব আহমদ কায়কাউস, পাওয়ার সেলের মহাপরিচালক প্রকৌশলী মোহাম্মদ হোসাইন, মনাস অ্যান্ড দ্যা বাংলাদেশ প্রকল্পের প্রফেসর জুলি উলফার্ম কক্স ও সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর স্কট বাউম্যান।