ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন যার ডাকে এতদিন আন্দোলন করেছি সেদিন তিনিই আমাকে তাড়িয়ে দিলেন: ইসহাক সরকার আগুন নিয়ে খেলবেন না: হিজবুল্লাহকে ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী জাতীয় নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর করলেন ইইউ’র প্রধান পর্যবেক্ষক মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির জন্য রাশিয়া সাধ্যের মধ্যে সবকিছু করবে: পুতিন ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প ভুল সংশোধনীর মাধ্যমে জোরদার হবে: অর্থমন্ত্রী হাতুড়ি দিয়ে পিটিয়ে জামায়াত কর্মীকে হত্যা সংসদে শক্ত প্রভাবের চেষ্টায় এনসিপি, দুর্বল জামায়াত: রুমিন ফারহানা আমেরিকা অপমানিত, ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়াই এখন বড় চ্যালেঞ্জ: জার্মানি ক্যাম্পাসে গুপ্ত রাজনীতি চায় না শিক্ষার্থীরা : হুইপ বকুল

মানুষকে পানিতে রেখে এমপিগিরির ইচ্ছা নাই: শামীম

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০১৯ সালের জুলাইয়ের মধ্যে ডেমরা ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায় বছরের পর বছর ধরে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেয়া হয়েছে। এই সমস্যাটির সমাধানে সেনাবাহিনীকে গত ডিসেম্বরে একটি প্রকল্পের কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। আর কাজ শুরু হয়েছে জানুয়ারিতে।

বৃহস্পতিবার দুপুওে নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভা হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হয়।

সভায় জানানো হয় ডিএনডি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি উন্নয়ন বোর্ড ৫৫৮কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ডিএনডি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন (ফ্রেজ-২)’ নামে একটি প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছে। এতে বেদখল খালগুলো উদ্ধার করে সেগুলো খনন করা হচ্ছে। আর নতুন করে যেন খালগুলো কেউ দখল করতে না পারে, সে জন্য দুই পাড় বাঁধাই করে দেয়া হচ্ছে। ময়লা ফেলে কেউ যেন খাল ভরাট করতে না পারে, সে জন্যও বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার কথা জানানো হয় এ সময়।

সভায় নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান বলেন, ‘ডিএনডির মানুষকে পানির নিচে রেখে আমার এমপিগিরির ইচ্ছা নাই। আমি সমস্যার সমাধান চাই।

সেনাবাহিনী এই প্রকল্পটি এগিয়ে নিয়ে সমস্যার সমাধান করতে পারবে বলে আশাবাদী শামীম ওসমান। বলেন, ‘সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের সুনাম এনে দিয়েছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী। তারা এখানেও সফল হবে।’

সভায় ডিএনডির জলাবদ্ধতা নিস্কাশন প্রকল্পের পরিচালক সেনা কর্মকর্তা মাশফিক আলম ভূইয়া বলেন, ‘গত ডিসেম্বরে ডিএনডি বাধ এলাকায় পানি নিষ্কাশন প্রকল্পের ওয়ার্ক অর্ডাও (কার্যাদেশ) পেয়েছি। আমরা চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু করেছি।’

‘প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২০ সালের জুন মাসের মধ্যে করার কথা থাকলেও আমরা ২০১৯ সালের জুলাই মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার প্ল্যান নিয়ে কাজ শুরু করেছি।’

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ডিএনডির চেহারা বদলে যাবে জানিয়ে এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘খালগুলো দখলমুক্ত করার পরে এর পাড়গুলো বাধাই করে দেয়া হবে। দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। খালগুলোতে চলবে ওয়াটার ট্যাক্সি। ওই ওয়াটার ট্যাক্সিতে চড়ে ঢাকায় যাওয়া যাবে।’

‘এছাড়া ইটিপির (বর্জ্য শোধনাগার) মাধ্যমে পানি নিস্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নিয়েও আমরা পরিকল্পনা করছি। তবে খালের পানিতে ময়লা ফেলা যাবে না।’

জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মঈনুল হক।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বর্তমানে জামায়াতের কথাবার্তা শুনলে মন খারাপ হয়’: সরদার সরফুদ্দিন

মানুষকে পানিতে রেখে এমপিগিরির ইচ্ছা নাই: শামীম

আপডেট সময় ১১:১১:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

২০১৯ সালের জুলাইয়ের মধ্যে ডেমরা ও নারায়ণগঞ্জ এলাকায় বছরের পর বছর ধরে জলাবদ্ধতা সমস্যার স্থায়ী সমাধানের আশ্বাস দেয়া হয়েছে। এই সমস্যাটির সমাধানে সেনাবাহিনীকে গত ডিসেম্বরে একটি প্রকল্পের কার্যাদেশ দেয়া হয়েছে। আর কাজ শুরু হয়েছে জানুয়ারিতে।

বৃহস্পতিবার দুপুওে নারায়ণগঞ্জ সার্কিট হাউজ মিলনায়তনে এই প্রকল্প বাস্তবায়ন কমিটির সভা হয়। এ সময় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বিস্তারিত জানানো হয়।

সভায় জানানো হয় ডিএনডি এলাকার জলাবদ্ধতা নিরসনে পানি উন্নয়ন বোর্ড ৫৫৮কোটি টাকা ব্যয়ে ‘ডিএনডি নিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন (ফ্রেজ-২)’ নামে একটি প্রকল্প চালিয়ে যাচ্ছে। এতে বেদখল খালগুলো উদ্ধার করে সেগুলো খনন করা হচ্ছে। আর নতুন করে যেন খালগুলো কেউ দখল করতে না পারে, সে জন্য দুই পাড় বাঁধাই করে দেয়া হচ্ছে। ময়লা ফেলে কেউ যেন খাল ভরাট করতে না পারে, সে জন্যও বিশেষ উদ্যোগ নেয়ার কথা জানানো হয় এ সময়।

সভায় নারায়ণগঞ্জ-৪ (ফতুল্লা ও সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান বলেন, ‘ডিএনডির মানুষকে পানির নিচে রেখে আমার এমপিগিরির ইচ্ছা নাই। আমি সমস্যার সমাধান চাই।

সেনাবাহিনী এই প্রকল্পটি এগিয়ে নিয়ে সমস্যার সমাধান করতে পারবে বলে আশাবাদী শামীম ওসমান। বলেন, ‘সারা পৃথিবীতে বাংলাদেশের সুনাম এনে দিয়েছে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী। তারা এখানেও সফল হবে।’

সভায় ডিএনডির জলাবদ্ধতা নিস্কাশন প্রকল্পের পরিচালক সেনা কর্মকর্তা মাশফিক আলম ভূইয়া বলেন, ‘গত ডিসেম্বরে ডিএনডি বাধ এলাকায় পানি নিষ্কাশন প্রকল্পের ওয়ার্ক অর্ডাও (কার্যাদেশ) পেয়েছি। আমরা চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু করেছি।’

‘প্রকল্পটির মেয়াদ ২০২০ সালের জুন মাসের মধ্যে করার কথা থাকলেও আমরা ২০১৯ সালের জুলাই মাসের মধ্যে কাজ শেষ করার প্ল্যান নিয়ে কাজ শুরু করেছি।’

প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ডিএনডির চেহারা বদলে যাবে জানিয়ে এই সেনা কর্মকর্তা বলেন, ‘খালগুলো দখলমুক্ত করার পরে এর পাড়গুলো বাধাই করে দেয়া হবে। দুই পাশে ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। খালগুলোতে চলবে ওয়াটার ট্যাক্সি। ওই ওয়াটার ট্যাক্সিতে চড়ে ঢাকায় যাওয়া যাবে।’

‘এছাড়া ইটিপির (বর্জ্য শোধনাগার) মাধ্যমে পানি নিস্কাশন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্ল্যান্ট নিয়েও আমরা পরিকল্পনা করছি। তবে খালের পানিতে ময়লা ফেলা যাবে না।’

জেলা প্রশাসক রাব্বী মিয়ার সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মঈনুল হক।