ঢাকা ০৩:৫৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা

আ.লীগের জোটে যেতে এরশাদের দুই শর্ত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি দল আওয়ামী লীগের জোটে যেতে দুটি শর্ত দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ৭০টি আসন এবং ১০ থেকে ১২টি মন্ত্রণালয় দিলে তিনি সরকারি দলের সঙ্গে জোট করবেন বলে জানিয়েছেন। না হলে জাতীয় পার্টি তিনশ আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে বলে জানান দলের চেয়ারম্যান।

শনিবার দুপুরে ঢাকা থেকে রংপুরে এসে সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এরশাদ এসব কথা বলেন। এরশাদ বলেন, ‘বিএনপির অবস্থা ভালো না। তারা নির্বাচনে আসুক না আসুক আমরা নির্বাচনে অংশ নেব।’

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘রংপুরে জাতীয় পার্টির প্রতি আবারও গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাব সারাদেশে পড়বে। আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসবে এটা আপনাদের বলতে পারি।’

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এরশাদ কথা বলেন কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়েও। তিনি বলেন, ‘চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন যৌক্তিক। অব্যাহত আন্দোলনের কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনের দুঃখে কোটাপদ্ধতি বাতিল করেছেন। আমার মনে হয় সবগুলো কোটা বাতিল করতে তিনি নিজেও চান না।’

এরশাদ বলেন, ‘আগে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যে ৩০ ভাগ কোটা ছিল এটা ঠিক ছিল না। মাত্র দুই লাখ মুক্তিযোদ্ধার জন্য এত কোটার প্রয়োজন ছিল না। এটা অযৌক্তিক ছিল। ফলে কোটা ঠিক করে দিলেই চলবে।’ তবে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কিছু হলেও কোটাপদ্ধতি থাকা উচিত।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত বলেনর, ‘দেশের সংবিধানে আছে কোটা পদ্ধতি রাখার কথা। সে কারণে কোটাপদ্ধতি থাকতেই হবে। তবে এটা যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা জরুরি। এটা কারো পক্ষেই বাতিল করা যাবে না।’

এর আগে এরশাদ সার্কিট হাউজে পৌঁছলে দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী তাকে স্বাগত জানান। এ সময় দলের মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে রাকুল প্রীত ও প্রযোজক ভাসুর অফিসে

আ.লীগের জোটে যেতে এরশাদের দুই শর্ত

আপডেট সময় ০৮:৪০:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সরকারি দল আওয়ামী লীগের জোটে যেতে দুটি শর্ত দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ। আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে ৭০টি আসন এবং ১০ থেকে ১২টি মন্ত্রণালয় দিলে তিনি সরকারি দলের সঙ্গে জোট করবেন বলে জানিয়েছেন। না হলে জাতীয় পার্টি তিনশ আসনে এককভাবে নির্বাচন করবে বলে জানান দলের চেয়ারম্যান।

শনিবার দুপুরে ঢাকা থেকে রংপুরে এসে সার্কিট হাউজে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এরশাদ এসব কথা বলেন। এরশাদ বলেন, ‘বিএনপির অবস্থা ভালো না। তারা নির্বাচনে আসুক না আসুক আমরা নির্বাচনে অংশ নেব।’

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘রংপুরে জাতীয় পার্টির প্রতি আবারও গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাব সারাদেশে পড়বে। আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ক্ষমতায় আসবে এটা আপনাদের বলতে পারি।’

সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এরশাদ কথা বলেন কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়েও। তিনি বলেন, ‘চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন যৌক্তিক। অব্যাহত আন্দোলনের কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনের দুঃখে কোটাপদ্ধতি বাতিল করেছেন। আমার মনে হয় সবগুলো কোটা বাতিল করতে তিনি নিজেও চান না।’

এরশাদ বলেন, ‘আগে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য যে ৩০ ভাগ কোটা ছিল এটা ঠিক ছিল না। মাত্র দুই লাখ মুক্তিযোদ্ধার জন্য এত কোটার প্রয়োজন ছিল না। এটা অযৌক্তিক ছিল। ফলে কোটা ঠিক করে দিলেই চলবে।’ তবে মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য কিছু হলেও কোটাপদ্ধতি থাকা উচিত।

প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত বলেনর, ‘দেশের সংবিধানে আছে কোটা পদ্ধতি রাখার কথা। সে কারণে কোটাপদ্ধতি থাকতেই হবে। তবে এটা যৌক্তিক পর্যায়ে নামিয়ে আনা জরুরি। এটা কারো পক্ষেই বাতিল করা যাবে না।’

এর আগে এরশাদ সার্কিট হাউজে পৌঁছলে দলের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী তাকে স্বাগত জানান। এ সময় দলের মহাসচিব রুহুল আমিন হাওলাদার, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মশিউর রহমান রাঙ্গা, রংপুর সিটি মেয়র মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফাসহ দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।