ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি: তারেক রহমান ‘অতীতেও পাশে ছিলাম, এখনো আছি এবং ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকব’:মির্জা ফখরুল দ.আফ্রিকায় বাংলাদেশি ব্যবসায়ীকে গুলি করে খুন

মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছি: শেহরিন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘আমার জীবনটা একটি জিত। আমার চোখের সামনে আগুনে তিনজনকে পুড়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখেছি। সৃষ্টিকর্তা আমাকে দ্বিতীয়বারের মতো জীবন দান করেছেন।’

এভাবেই নিজের অভিব্যক্তির কথা জানাচ্ছিলেন শেহরিন আহমেদ। তিনি গত ১২ মার্চ নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় আহত হন।

রবিবার বেলা ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ভিআইপি কেবিন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। পরে তিনি একটি গাড়িতে করে ঢাকার বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে। এ সময় তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।

শেহরিন আহমেদকে ছাড়পত্র দেয়ার পর তার চিকিৎসক ডা. সামন্ত লাল সেন উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, শাহরিন ৯০ ভাগ সুস্থ হয়েছেন। আগামী দুই সপ্তাহ পর তাকে ফলোআপ চিকিৎসার জন্য আসতে হবে।

১২ মার্চ ইউএস-বাংলার বিমান নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। বিমানটিতে ৬৭ জন যাত্রী ও চার জন ক্রু ছিলেন। এ ঘটনায় ২৬ জন বাংলাদেশি, ২২ জন নেপালি ও একজন চীনা নাগরিক নিহত হন। নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ ১৯ মার্চ ও তিনজনের মরদেহ ২২ মার্চ দেশে আনার পর দাফন করা হয়।

আহত হন ১০ বাংলাদেশি, ১১ জন নেপালি ও মালদ্বীপের একজন। আহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ১৫ মার্চ শাহরিন আহমেদকে, পরদিন মেহেদী, স্বর্ণা ও এ্যানিকে, ১৭ মার্চ সৈয়দ রাশেদ রুবাইয়াত, ১৮ মার্চ শাহীন ব্যাপারী এবং ১৯ মার্চ কবির হোসেনকে দেশে আনা হয়। পরে কবির হোসেনের অবস্থা খারাপ হলে তাকে ২৫ মার্চ রাতে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়। ২৬ মার্চ বিকালে চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে মারা যান শাহীন ব্যাপারী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার চাইলে বিশ্বকাপ বয়কট করবে পাকিস্তান: নাকভি

মৃত্যুকে খুব কাছ থেকে দেখেছি: শেহরিন

আপডেট সময় ১০:০১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

‘আমার জীবনটা একটি জিত। আমার চোখের সামনে আগুনে তিনজনকে পুড়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখেছি। সৃষ্টিকর্তা আমাকে দ্বিতীয়বারের মতো জীবন দান করেছেন।’

এভাবেই নিজের অভিব্যক্তির কথা জানাচ্ছিলেন শেহরিন আহমেদ। তিনি গত ১২ মার্চ নেপালে বিমান দুর্ঘটনায় আহত হন।

রবিবার বেলা ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের ভিআইপি কেবিন থেকে ছাড়পত্র দেয়া হয়। পরে তিনি একটি গাড়িতে করে ঢাকার বাসার উদ্দেশ্যে রওনা দেন। তার গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার দাউদকান্দিতে। এ সময় তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চান।

শেহরিন আহমেদকে ছাড়পত্র দেয়ার পর তার চিকিৎসক ডা. সামন্ত লাল সেন উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, শাহরিন ৯০ ভাগ সুস্থ হয়েছেন। আগামী দুই সপ্তাহ পর তাকে ফলোআপ চিকিৎসার জন্য আসতে হবে।

১২ মার্চ ইউএস-বাংলার বিমান নেপালের ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের সময় বিধ্বস্ত হয়ে আগুন ধরে যায়। বিমানটিতে ৬৭ জন যাত্রী ও চার জন ক্রু ছিলেন। এ ঘটনায় ২৬ জন বাংলাদেশি, ২২ জন নেপালি ও একজন চীনা নাগরিক নিহত হন। নিহত ২৬ বাংলাদেশির মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ ১৯ মার্চ ও তিনজনের মরদেহ ২২ মার্চ দেশে আনার পর দাফন করা হয়।

আহত হন ১০ বাংলাদেশি, ১১ জন নেপালি ও মালদ্বীপের একজন। আহত বাংলাদেশিদের মধ্যে ১৫ মার্চ শাহরিন আহমেদকে, পরদিন মেহেদী, স্বর্ণা ও এ্যানিকে, ১৭ মার্চ সৈয়দ রাশেদ রুবাইয়াত, ১৮ মার্চ শাহীন ব্যাপারী এবং ১৯ মার্চ কবির হোসেনকে দেশে আনা হয়। পরে কবির হোসেনের অবস্থা খারাপ হলে তাকে ২৫ মার্চ রাতে সিঙ্গাপুর নিয়ে যাওয়া হয়। ২৬ মার্চ বিকালে চিকিৎসকদের সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে মারা যান শাহীন ব্যাপারী।