আকাশ স্পোর্টস ডেস্ক:
ঘরের মাঠে ক্রিকেট ফেরাতে মরিয়া পাকিস্তান। তারই অংশ হিসেবে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলতে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল দেশটি। কিন্তু সফরে আসতে গড়িমসি করেন ক্যারিবিয়ানরা।
অবশেষে এতে সাড়া দেন তারা। তবে সফরকারীদের সফরটা হল দুঃস্বপ্নের মতো। এক রকম তাদের ডেকে-হেঁকে ধোলাই করল সরফরাজ বাহিনী।
সিরিজে প্রথমবারের মতো আগে ব্যাট করে ১৫০ ছাড়ানো (১৫৩/৬) সংগ্রহ গড়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে দুই ওপেনারের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে আরামশে জয় তুলে নিয়েছে পাকিস্তান। তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ৮ উইকেটে জিতেছে তারা। ফলে ধবলধোলাইয়ের স্বাদ নিয়ে নিজভূমে ফিরে যেতে হচ্ছে ক্যারিবিয়ান দ্বীপপুঞ্জের দলটিকে।
মঙ্গলবার করাচিতে টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামা ওয়েস্ট ইন্ডিজের সূচনাটা মোটেও ভালো হয়নি। শুরুতে ফিরে যান চ্যাডউইক ওয়ালটন। মারলন স্যামুয়েলসকে নিয়ে শুরুর ধাক্কা সামাল দেন আন্দ্রে ফ্লেচার। ২টি করে চার-ছক্কায় ৩১ রান করে শাদাব খানের বলির পাঁঠা হয়ে স্যামুয়েলস ফিরলে ভাঙে তাদের ৭২ রানের জুটি।
সঙ্গী হারিয়ে বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে পারেননি ফ্লেচার। পঞ্চাশ ছোঁয়ার পরেই রানআউটে কাটা পড়েন তিনি। ফেরার আগে ৪৩ বলে ৪ চার ও ৩ ছক্কায় ৫২ রান করেন তিনি। এ ওপেনার ফিরলে পথ হারিয়ে বসে জ্যাসন মোহাম্মদের দল। ৬ রানের মধ্যে ফিরে যান অভিষিক্ত আন্দ্রে ম্যাককার্থি ও রোভম্যান পাওয়েল। সেখান থেকে দলকে একা কাঁধে টেনে নিয়ে যান দিনেশ রামদিন। তার ১৮ বলে হার না মানা ৪৩ রানের ইনিংসে ১৫০ ছাড়ানো পুঁজি পায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
এদিন পাকিস্তানের সেরা বোলার শাদাব। তার শিকার ২ উইকেট। তবে তরুণ প্রতিশ্রুতিশীল পেসার শাহিন শাহ আফ্রিদি থেকেছেন উইকেটশূন্য। এ ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক ঘটেছে তার।
জবাবে পাকিস্তানকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন ফখর জামান ও বাবর আজম। মাত্র ১৭ বলে ৬ চার ও ২ ছক্কায় ৪০ রানের টর্নেডো ইনিংস খেলে ফেরেন ফখর। এতে ভাঙে তাদের ৬১ রানের বিস্ফোরক জুটি। ফিফটি ছুঁয়েই ফিরে যান রানমেশিন বাবর। ৪০ বলে ৬ চারে ৫১ রানের ইনিংস খেলেন এ ওপেনার।
জয় তখন হাতছোঁয়া দূরুত্বে। বাকি কাজটুকু সারেন ফর্মে থাকা হুসাইন তালাত ও আসিফ আলি। অবিচ্ছিন্ন তৃতীয় উইকেটে ৪১ রানের জুটি গড়ে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়েন তারা। ২৮ বলে ৩ চারে ৩১ রানে তালাত এবং ১৬ বলে ২৫ রানে অপরাজিত থাকেন আসিফ।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























