ঢাকা ১১:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার পরীক্ষায় নকল নিয়ে অপপ্রচার চালালে গ্রেফতার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী সৌদি আরবে আরামকো’র হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত, সব আরোহীর মৃত্যু ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় ফ্রান্সে ১১ জনের মৃত্যু বাংলাদেশকে ১৪০ রানে অলআউট করল জিম্বাবুয়ে বাংলাদেশের জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে আগ্রহী সুইজারল্যান্ড কোরীয় উপদ্বীপে ফের উত্তেজনা, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সামরিক শক্তি সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ৯ জুলাই আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ জানাজা ও দাফন, অংশ নিতে পারেন দুই কোটি মানুষ

দুই মাস ধরে পরিকল্পনা, হত্যার পর আলমারিতে লাশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘ দুই মাস ধরে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিককে হত্যার পরিকল্পনা করছিলেন তার স্ত্রী স্নিগ্ধা ও তার প্রেমিক কামরুল মাস্টার। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগে থেকেই তাজহাট মোল্লাপাড়ার দুই কিশোরের সহযোগিতায় ২৮ মার্চ একটি নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে গর্ত করে রাখেন তারা। পর দিন রথীশ চন্দ্রের খাবারের সঙ্গে কৌশলে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ান তারা। এর পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে স্নিগ্ধা ও কামরুল হত্যা করেন রথীশ চন্দ্রকে।

র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বামীকে হত্যার পুরো ঘটনা এভাবেই বর্ণনা করেছেন স্নিগ্ধা।

স্নিগ্ধা আরও জানান, হত্যার পর লাশ বাড়ির আলমারিতে ঢুকিয়ে রাখেন তারা। এর পর আলমারি পরিবর্তনের কথা বলে তা নিয়ে যাওয়া হয় বাড়ির অদূরে তাজহাট মোল্লাপাড়ার সেই নির্মাণাধীন ভবনে, যেখানে আগে থেকেই গর্ত করে রাখা হয়েছিল। পরে সেই গর্তেই লাশ পুঁতে ফেলেন তারা।

খুনের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্নিগ্ধা ও দুই কিশোর র‍্যাব ১৩-এর হেফাজতে আছেন। আর স্নিগ্ধার প্রেমিক কামরুল মাস্টার পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, নিখোঁজের পাঁচ দিন পর স্ত্রী স্নিগ্ধাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রংপুরের তাজহাটের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মঙ্গলে ম্যারাথন শেষ করল নাসার রোভার, মহাকাশ থেকে ধরা পড়ল ছবি

দুই মাস ধরে পরিকল্পনা, হত্যার পর আলমারিতে লাশ

আপডেট সময় ০৩:৩১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘ দুই মাস ধরে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিককে হত্যার পরিকল্পনা করছিলেন তার স্ত্রী স্নিগ্ধা ও তার প্রেমিক কামরুল মাস্টার। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগে থেকেই তাজহাট মোল্লাপাড়ার দুই কিশোরের সহযোগিতায় ২৮ মার্চ একটি নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে গর্ত করে রাখেন তারা। পর দিন রথীশ চন্দ্রের খাবারের সঙ্গে কৌশলে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ান তারা। এর পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে স্নিগ্ধা ও কামরুল হত্যা করেন রথীশ চন্দ্রকে।

র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বামীকে হত্যার পুরো ঘটনা এভাবেই বর্ণনা করেছেন স্নিগ্ধা।

স্নিগ্ধা আরও জানান, হত্যার পর লাশ বাড়ির আলমারিতে ঢুকিয়ে রাখেন তারা। এর পর আলমারি পরিবর্তনের কথা বলে তা নিয়ে যাওয়া হয় বাড়ির অদূরে তাজহাট মোল্লাপাড়ার সেই নির্মাণাধীন ভবনে, যেখানে আগে থেকেই গর্ত করে রাখা হয়েছিল। পরে সেই গর্তেই লাশ পুঁতে ফেলেন তারা।

খুনের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্নিগ্ধা ও দুই কিশোর র‍্যাব ১৩-এর হেফাজতে আছেন। আর স্নিগ্ধার প্রেমিক কামরুল মাস্টার পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, নিখোঁজের পাঁচ দিন পর স্ত্রী স্নিগ্ধাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রংপুরের তাজহাটের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব।