ঢাকা ০১:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দুই মাস ধরে পরিকল্পনা, হত্যার পর আলমারিতে লাশ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘ দুই মাস ধরে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিককে হত্যার পরিকল্পনা করছিলেন তার স্ত্রী স্নিগ্ধা ও তার প্রেমিক কামরুল মাস্টার। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগে থেকেই তাজহাট মোল্লাপাড়ার দুই কিশোরের সহযোগিতায় ২৮ মার্চ একটি নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে গর্ত করে রাখেন তারা। পর দিন রথীশ চন্দ্রের খাবারের সঙ্গে কৌশলে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ান তারা। এর পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে স্নিগ্ধা ও কামরুল হত্যা করেন রথীশ চন্দ্রকে।

র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বামীকে হত্যার পুরো ঘটনা এভাবেই বর্ণনা করেছেন স্নিগ্ধা।

স্নিগ্ধা আরও জানান, হত্যার পর লাশ বাড়ির আলমারিতে ঢুকিয়ে রাখেন তারা। এর পর আলমারি পরিবর্তনের কথা বলে তা নিয়ে যাওয়া হয় বাড়ির অদূরে তাজহাট মোল্লাপাড়ার সেই নির্মাণাধীন ভবনে, যেখানে আগে থেকেই গর্ত করে রাখা হয়েছিল। পরে সেই গর্তেই লাশ পুঁতে ফেলেন তারা।

খুনের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্নিগ্ধা ও দুই কিশোর র‍্যাব ১৩-এর হেফাজতে আছেন। আর স্নিগ্ধার প্রেমিক কামরুল মাস্টার পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, নিখোঁজের পাঁচ দিন পর স্ত্রী স্নিগ্ধাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রংপুরের তাজহাটের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ

দুই মাস ধরে পরিকল্পনা, হত্যার পর আলমারিতে লাশ

আপডেট সময় ০৩:৩১:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দীর্ঘ দুই মাস ধরে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিককে হত্যার পরিকল্পনা করছিলেন তার স্ত্রী স্নিগ্ধা ও তার প্রেমিক কামরুল মাস্টার। পরিকল্পনা অনুযায়ী আগে থেকেই তাজহাট মোল্লাপাড়ার দুই কিশোরের সহযোগিতায় ২৮ মার্চ একটি নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে গর্ত করে রাখেন তারা। পর দিন রথীশ চন্দ্রের খাবারের সঙ্গে কৌশলে চেতনানাশক ওষুধ খাওয়ান তারা। এর পর গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে স্নিগ্ধা ও কামরুল হত্যা করেন রথীশ চন্দ্রকে।

র‍্যাবের জিজ্ঞাসাবাদে স্বামীকে হত্যার পুরো ঘটনা এভাবেই বর্ণনা করেছেন স্নিগ্ধা।

স্নিগ্ধা আরও জানান, হত্যার পর লাশ বাড়ির আলমারিতে ঢুকিয়ে রাখেন তারা। এর পর আলমারি পরিবর্তনের কথা বলে তা নিয়ে যাওয়া হয় বাড়ির অদূরে তাজহাট মোল্লাপাড়ার সেই নির্মাণাধীন ভবনে, যেখানে আগে থেকেই গর্ত করে রাখা হয়েছিল। পরে সেই গর্তেই লাশ পুঁতে ফেলেন তারা।

খুনের ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত স্নিগ্ধা ও দুই কিশোর র‍্যাব ১৩-এর হেফাজতে আছেন। আর স্নিগ্ধার প্রেমিক কামরুল মাস্টার পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন।

উল্লেখ্য, নিখোঁজের পাঁচ দিন পর স্ত্রী স্নিগ্ধাকে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রংপুরের তাজহাটের একটি নির্মাণাধীন ভবন থেকে আইনজীবী রথীশ চন্দ্র ভৌমিকের লাশ উদ্ধার করে র‌্যাব।