ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

চীনা মহাকাশ কেন্দ্র জ্বলেপুড়ে ছাই হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে পড়েছে

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

অকেজো হয়ে পড়া চীনা মহাকাশ স্টেশনের ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর খণ্ড খণ্ড হয়ে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝামাঝি অংশের ওপর জ্বলেপুড়ে বাকি অংশ পানিতে পড়েছে।

চীনা মহাকাশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার পৃথিবীতে পুনঃপ্রবেশের সময় অধিকাংশই জ্বলে শেষ হয়ে যায়।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

টিয়াংগং-১ নামে এই মহাকাশ গবেষণা স্টেশনটি চীনের উচ্চাভিলাষী মহাকাশ কর্মসূচির অন্যতম প্রধান অংশ ছিল।

চীনের লক্ষ্য হচ্ছে- ২০২২ সাল নাগাদ তারা মানুষের বসবাসের উপযোগী একটি মহাকাশ কেন্দ্র মহাশূন্যে পাঠাতে চায়। টিয়াংগং-১ ছিল তারই পূর্ব প্রস্তুতি।

২০১১ সালে মহাকাশ কেন্দ্রটি কক্ষপথে প্রবেশ করতে সমর্থ হয়। প্রায় সাত বছর পর এটি এখন ধ্বংস হয়ে পৃথিবীর পড়েছে।

চীনা ও ইউরোপীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছিলেন, সোমবার নাগাদ মহাকাশ কেন্দ্রটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে। বায়ুমণ্ডলে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে এটিতে আগুন ধরে যাবে। এর পরও কিছু ধ্বংসাবশেষ মাটিতে এসে পড়বে।

টিয়াংগং-১ কেমন মহাকাশ স্টেশন?

যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার তুলনায় মহাকাশে চীনের যাত্রা অল্প দিন আগের ঘটনা। ২০০১ সালে প্রথম চীন মহাকাশে যন্ত্র পাঠায়। তার পর ২০০৩ সালে প্রথমবার চীনা কোনো নভোচারী মহাকাশে যায়।

এর পর ২০১১ সালে এসে চীন প্রথম মহাকাশ স্টেশন পাঠায়, যার নাম টিয়াংগং-১ বা স্বর্গের প্রাসাদ।

এই কেন্দ্রে মানুষ যেতে পারত, তবে অল্প কদিনের জন্য। ২০১২ সালে একজন নারী নভোচারী টিয়াংগংয়ে গিয়েছিলেন।

দুবছর পর অর্থাৎ ২০১৬ সালের মার্চের পর থেকে এটি আর কাজ করছিল না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

চীনা মহাকাশ কেন্দ্র জ্বলেপুড়ে ছাই হয়ে প্রশান্ত মহাসাগরে পড়েছে

আপডেট সময় ০৮:২১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

অকেজো হয়ে পড়া চীনা মহাকাশ স্টেশনের ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশের পর খণ্ড খণ্ড হয়ে দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরের মাঝামাঝি অংশের ওপর জ্বলেপুড়ে বাকি অংশ পানিতে পড়েছে।

চীনা মহাকাশ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সোমবার পৃথিবীতে পুনঃপ্রবেশের সময় অধিকাংশই জ্বলে শেষ হয়ে যায়।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

টিয়াংগং-১ নামে এই মহাকাশ গবেষণা স্টেশনটি চীনের উচ্চাভিলাষী মহাকাশ কর্মসূচির অন্যতম প্রধান অংশ ছিল।

চীনের লক্ষ্য হচ্ছে- ২০২২ সাল নাগাদ তারা মানুষের বসবাসের উপযোগী একটি মহাকাশ কেন্দ্র মহাশূন্যে পাঠাতে চায়। টিয়াংগং-১ ছিল তারই পূর্ব প্রস্তুতি।

২০১১ সালে মহাকাশ কেন্দ্রটি কক্ষপথে প্রবেশ করতে সমর্থ হয়। প্রায় সাত বছর পর এটি এখন ধ্বংস হয়ে পৃথিবীর পড়েছে।

চীনা ও ইউরোপীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীরা ধারণা করেছিলেন, সোমবার নাগাদ মহাকাশ কেন্দ্রটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে প্রবেশ করবে। বায়ুমণ্ডলে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে এটিতে আগুন ধরে যাবে। এর পরও কিছু ধ্বংসাবশেষ মাটিতে এসে পড়বে।

টিয়াংগং-১ কেমন মহাকাশ স্টেশন?

যুক্তরাষ্ট্র বা রাশিয়ার তুলনায় মহাকাশে চীনের যাত্রা অল্প দিন আগের ঘটনা। ২০০১ সালে প্রথম চীন মহাকাশে যন্ত্র পাঠায়। তার পর ২০০৩ সালে প্রথমবার চীনা কোনো নভোচারী মহাকাশে যায়।

এর পর ২০১১ সালে এসে চীন প্রথম মহাকাশ স্টেশন পাঠায়, যার নাম টিয়াংগং-১ বা স্বর্গের প্রাসাদ।

এই কেন্দ্রে মানুষ যেতে পারত, তবে অল্প কদিনের জন্য। ২০১২ সালে একজন নারী নভোচারী টিয়াংগংয়ে গিয়েছিলেন।

দুবছর পর অর্থাৎ ২০১৬ সালের মার্চের পর থেকে এটি আর কাজ করছিল না।