ঢাকা ০৯:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা পেয়েছি, এবার ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদক কেনা-বেচা ও এর সঙ্গে জড়িতরা সংশোধন না হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বলেছেন, মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা পেয়ে গেছি। এ ব্যবসা না ছাড়লে খুব শিগগির করুণ পরিণতির শিকার হতে হবে।

রবিবার বিকেলে বাগেরহাট শহরের স্বাধীনতা উদ্যানে বনদস্যুদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বর্তমান সরকার মাদক বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। মাদক বন্ধে সরকার জিরো টলারেন্স। মাদক বন্ধ করতে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। মাদক ব্যবসায়ীরা ইয়াবা নামক একটি মাদক সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়েছেন। যারা এই মাদক ব্যবসা করছেন তাদের নাম ঠিকানা আমরা পেয়ে গেছি। আমরা আপনাদের ঘোষণা দিয়ে বলতে চাই আপনারা যদি মাদক বিক্রি কাজটি বন্ধ না করেন তাহলে খুব শিগগির দেখতে পাবেন পরিণতি কি হয়।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী মাদক ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত আছেন বা অর্থের যোগান দেন বা সহযোগিতা করেন তারা কারা তাদের নাম ঠিকানা আমারা পেয়ে গেছি। আমরা প্রথমে তাদের সতর্ক করব। কিন্তু দ্বিতীয়বারে যে কাজটি করার সেটিই কবর। আমরা মাদক আইন সংশোধন করছি।

আমাদের সারাদেশে কারাগারগুলোতে অপরাধী ধারণ ক্ষমতা ৩৫ হাজার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সেখানে রয়েছে প্রায় ৭৮ হাজারেরও বেশি অপরাধী। এরমধ্যে ২৫ হাজারেরও বেশি অপরাধী মাদকের মামলায় কারাগারে রয়েছেন। এতো মামলা হচ্ছে তার পরেও মাদক কমছে না। তাই আমরা কঠোর থেকে আরও কঠোর হচ্ছি।

এ অনুষ্ঠানে সুন্দরবনের ৩ বাহিনীর ২৭ দস্যু আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করে।

আত্মসমর্পণকারী বাহিনী ৩টি হল জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী, ছোট সুমন বাহিনী ও মেহেদী হাসান ওরফে ডন বাহিনী। এসব দস্যুদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা এবং ১টি মোবাইল ফোন সেট প্রদান করে র‌্যাব।

বনদস্যুরা তাদের ব্যবহৃত ১৩টি একনলা বন্ধুক, ৩টি বিদেশী দোনলা বন্ধুক, ৪টি ২২ বোর বিদেশী রাইফলে, ৭টি পাইপগান, ১টি বিদেশী ওয়ানশুটারগানসহ ২৮টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১ হাজার ৮১টি গোলাবারুদ জমা দেয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

বিরতির পর নতুন রূপ নিয়ে ফিরছেন রাইমা সেন

মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা পেয়েছি, এবার ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট সময় ১১:৩৪:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

মাদক কেনা-বেচা ও এর সঙ্গে জড়িতরা সংশোধন না হলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। বলেছেন, মাদক ব্যবসায়ীদের তালিকা পেয়ে গেছি। এ ব্যবসা না ছাড়লে খুব শিগগির করুণ পরিণতির শিকার হতে হবে।

রবিবার বিকেলে বাগেরহাট শহরের স্বাধীনতা উদ্যানে বনদস্যুদের আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেন, বর্তমান সরকার মাদক বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে। মাদক বন্ধে সরকার জিরো টলারেন্স। মাদক বন্ধ করতে আমরা প্রস্তুতি নিচ্ছি। মাদক ব্যবসায়ীরা ইয়াবা নামক একটি মাদক সারা দেশে ছড়িয়ে দিয়েছেন। যারা এই মাদক ব্যবসা করছেন তাদের নাম ঠিকানা আমরা পেয়ে গেছি। আমরা আপনাদের ঘোষণা দিয়ে বলতে চাই আপনারা যদি মাদক বিক্রি কাজটি বন্ধ না করেন তাহলে খুব শিগগির দেখতে পাবেন পরিণতি কি হয়।

মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী মাদক ব্যবসার সঙ্গে যারা জড়িত আছেন বা অর্থের যোগান দেন বা সহযোগিতা করেন তারা কারা তাদের নাম ঠিকানা আমারা পেয়ে গেছি। আমরা প্রথমে তাদের সতর্ক করব। কিন্তু দ্বিতীয়বারে যে কাজটি করার সেটিই কবর। আমরা মাদক আইন সংশোধন করছি।

আমাদের সারাদেশে কারাগারগুলোতে অপরাধী ধারণ ক্ষমতা ৩৫ হাজার উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সেখানে রয়েছে প্রায় ৭৮ হাজারেরও বেশি অপরাধী। এরমধ্যে ২৫ হাজারেরও বেশি অপরাধী মাদকের মামলায় কারাগারে রয়েছেন। এতো মামলা হচ্ছে তার পরেও মাদক কমছে না। তাই আমরা কঠোর থেকে আরও কঠোর হচ্ছি।

এ অনুষ্ঠানে সুন্দরবনের ৩ বাহিনীর ২৭ দস্যু আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ আত্মসমর্পণ করে।

আত্মসমর্পণকারী বাহিনী ৩টি হল জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর বাহিনী, ছোট সুমন বাহিনী ও মেহেদী হাসান ওরফে ডন বাহিনী। এসব দস্যুদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা এবং ১টি মোবাইল ফোন সেট প্রদান করে র‌্যাব।

বনদস্যুরা তাদের ব্যবহৃত ১৩টি একনলা বন্ধুক, ৩টি বিদেশী দোনলা বন্ধুক, ৪টি ২২ বোর বিদেশী রাইফলে, ৭টি পাইপগান, ১টি বিদেশী ওয়ানশুটারগানসহ ২৮টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ১ হাজার ৮১টি গোলাবারুদ জমা দেয়।