ঢাকা ১২:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সমুদ্রে মিললো হারানো ক্যামেরা, এখনও সচল

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

প্রায় তিন বছর আগে সমুদ্রের নোনা জলে হারিয়ে যায় ক্যামেরা অক্ষত পাওয়া গেল। শুধু অক্ষতই নয়। এটি সচলও ছিল। জাপানের একটি দ্বীপের সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়া ক্যামেরাটি যখন উদ্ধার হল তাইওয়ানের সমুদ্র সৈকত থেকে।

জাপানের সোফিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মিস সেরিনা সুবাকিহারার ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে মাসে জাপানের ইশিগাকি দ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন সেরিনা সুবাকিহারা। স্কুবা ডাইভিং করার সময় এক জন বন্ধুর শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। তাকে সাহায্য করতে গিয়ে কোনও ভাবে হাত থেকে ফসকে যায় ডাইভিং কেসের মধ্যে ভরা ক্যামেরাটি। ওই ভাবে সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার পর স্বাভাবিক ভাবেই তা ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন তিনি। তবে বছর দু’য়েক বাদে তা খুঁজে পাওয়া গেল ১৫৫ মাইল দূরে, উত্তর তাইওয়ানের সুয়াও টাউনশিপ সমুদ্র সৈকত থেকে।

তাইওয়ানের প্রাথমিক স্কুলের কয়েক জন শিক্ষার্থী সেই সৈকত থেকে উদ্ধার করে ক্যামেরাটি। স্কুলের তরফে সেখানে সমুদ্রের পাড় পরিষ্কার করার কাজে গিয়েছিল তারা। বছর এগারোর এক ছাত্র হঠাৎ দেখতে পায় সামুদ্রিক লতা ও ঝিনুকে জড়ানো কিছু একটা পড়ে রয়েছে, যা খানিকটা পাথরের মতো দেখতে। কৌতূহলের বশে তা হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করতেই ছাত্ররা বুঝতে পারে, সেটি আসলে ডাইভিং কেসে বন্দি একটা ক্যামেরা।

আশ্চর্যের বিষয় এই যে, ডাইভিং কেসে থাকার জন্য ক্যামেরাটিতে এক ফোঁটাও পানি ঢোকেনি এবং তা পুরোপুরি অক্ষত ছিল। ছাত্রটি ক্যামেরাটি চালু করে দেখতে পায় তাতে তখনও চার্জও আছে। এর পরেই শিক্ষকের সাহায্যে ফেসবুকের মাধ্যমে মালিকের খোঁজ শুরু করে শিক্ষার্থীরা। ক্যামেরার মেমোরি কার্ডটি থেকে যে ছবি পাওয়া গিয়েছিল, তাতে মনে হচ্ছিল সেটির মালিক জাপানি। তাই তার হদিস পাওয়ার কাজে সাহায্য করেন জাপানে কর্তব্যরত তাইওয়ানের রাষ্ট্রদূতও। ১২ ঘণ্টার মধ্যেই খোঁজ পাওয়া যায় সেই মালিকের।

বন্ধুদের কাছে খবরটি পেয়ে খুবই অবাক হয়ে যান সেরিনা। এখন হারিয়ে যাওয়া ক্যামেরা নিজের হাতে পেতে উতলা সেই তরুণী। উদ্ধারকারী শিশুদের ধন্যবাদ জানাতে আগামী জুন মাসে তাইওয়ানে যাবেন তিনি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সমুদ্রে মিললো হারানো ক্যামেরা, এখনও সচল

আপডেট সময় ১০:৫৭:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

প্রায় তিন বছর আগে সমুদ্রের নোনা জলে হারিয়ে যায় ক্যামেরা অক্ষত পাওয়া গেল। শুধু অক্ষতই নয়। এটি সচলও ছিল। জাপানের একটি দ্বীপের সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়া ক্যামেরাটি যখন উদ্ধার হল তাইওয়ানের সমুদ্র সৈকত থেকে।

জাপানের সোফিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী মিস সেরিনা সুবাকিহারার ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে মাসে জাপানের ইশিগাকি দ্বীপে ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন সেরিনা সুবাকিহারা। স্কুবা ডাইভিং করার সময় এক জন বন্ধুর শ্বাসকষ্ট হচ্ছিল। তাকে সাহায্য করতে গিয়ে কোনও ভাবে হাত থেকে ফসকে যায় ডাইভিং কেসের মধ্যে ভরা ক্যামেরাটি। ওই ভাবে সমুদ্রে তলিয়ে যাওয়ার পর স্বাভাবিক ভাবেই তা ফিরে পাওয়ার আশা ছেড়েই দিয়েছিলেন তিনি। তবে বছর দু’য়েক বাদে তা খুঁজে পাওয়া গেল ১৫৫ মাইল দূরে, উত্তর তাইওয়ানের সুয়াও টাউনশিপ সমুদ্র সৈকত থেকে।

তাইওয়ানের প্রাথমিক স্কুলের কয়েক জন শিক্ষার্থী সেই সৈকত থেকে উদ্ধার করে ক্যামেরাটি। স্কুলের তরফে সেখানে সমুদ্রের পাড় পরিষ্কার করার কাজে গিয়েছিল তারা। বছর এগারোর এক ছাত্র হঠাৎ দেখতে পায় সামুদ্রিক লতা ও ঝিনুকে জড়ানো কিছু একটা পড়ে রয়েছে, যা খানিকটা পাথরের মতো দেখতে। কৌতূহলের বশে তা হাতে নিয়ে নাড়াচাড়া করতেই ছাত্ররা বুঝতে পারে, সেটি আসলে ডাইভিং কেসে বন্দি একটা ক্যামেরা।

আশ্চর্যের বিষয় এই যে, ডাইভিং কেসে থাকার জন্য ক্যামেরাটিতে এক ফোঁটাও পানি ঢোকেনি এবং তা পুরোপুরি অক্ষত ছিল। ছাত্রটি ক্যামেরাটি চালু করে দেখতে পায় তাতে তখনও চার্জও আছে। এর পরেই শিক্ষকের সাহায্যে ফেসবুকের মাধ্যমে মালিকের খোঁজ শুরু করে শিক্ষার্থীরা। ক্যামেরার মেমোরি কার্ডটি থেকে যে ছবি পাওয়া গিয়েছিল, তাতে মনে হচ্ছিল সেটির মালিক জাপানি। তাই তার হদিস পাওয়ার কাজে সাহায্য করেন জাপানে কর্তব্যরত তাইওয়ানের রাষ্ট্রদূতও। ১২ ঘণ্টার মধ্যেই খোঁজ পাওয়া যায় সেই মালিকের।

বন্ধুদের কাছে খবরটি পেয়ে খুবই অবাক হয়ে যান সেরিনা। এখন হারিয়ে যাওয়া ক্যামেরা নিজের হাতে পেতে উতলা সেই তরুণী। উদ্ধারকারী শিশুদের ধন্যবাদ জানাতে আগামী জুন মাসে তাইওয়ানে যাবেন তিনি।