ঢাকা ০১:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৯ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

বুড়িগঙ্গার আদি রূপ ফিরিয়ে আনা হবে: শাজাহান খান

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বুড়িগঙ্গার আদি রূপ ফিরিয়ে দেবার আশ্বাস দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও আশপাশে দখলদারদের কাছ থেকে নদী উদ্ধার করে এই আদি রূপ ফিরিয়ে আনার কথা বলেছেন তিনি। রবিবার বিকালে ঢাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও তার আশপাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কাজ পরিদর্শন কালে এসব কথা মন্ত্রী।

টিপু সাহেবের ডগ নামে পরিচিত একটি অবৈধ স্থাপনা পরিদর্শন করে মন্ত্রী বলেন, ‘নদীর প্রায় ৬০০ ফুট জায়গা দখল করে ডগটি নির্মাণ করা হয়েছে। আবার ভূয়া দলিল তৈরি করে তারা জমির মালিকও দাবি করছে।’ অভিযানে ডগটি ভেঙে দিয়ে নদীরতে ফেলা বালু উঠিয়ে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে।

মন্ত্রী সেখানে যাওয়ার পর ডগের লোকজন মন্ত্রীকে নানা কাগজপত্র দেখিয়ে জমির মালিকানা দাবি করেন। কিন্তু এই কাগজগুলো ছিল জাল। পরে নদীর অবৈধ দখলদাররা তাদেরকে অন্য জায়গায় জমি দেয়ার আবদার জানান। তবে এতে কান দেননি মন্ত্রী।

নৌমন্ত্রী বলেন, ‘এই অবৈধ স্থাপনা একদিনে গড়ে উঠেনি। বহু বছর ধরে আস্তে আস্তে এ স্থাপনা গড়ে উঠেছে।’ বছরের পর বছর ধরে তারা নদীর জমি দখল করে খাচ্ছে। যারা তাদেরকে এ জমি লিজ দিয়েছে তারা অত্যন্ত জঘন্য কাজ করেছে।

টিপু সাহেবের ডগে কাজ করা কর্মচারী সাইফুল জানান, সেখানে একতলা একটি বাড়িও ছিল। তার মধ্যে লঞ্চ বানানোর যন্ত্রপাতি ছিলো। দুই দিন আগে বাড়িটি ভাঙা হয়েছে। সব যন্ত্রপাতি স্থানান্তর করা হয়েছে।

সরদঘাটে আরও একটি লঞ্চ টার্মিনাল করার কথাও জানান নৌমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘একটি টার্মিনাল থাকায় এখানে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়। যাত্রীদেরও ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তাই শ্মশান ঘাটের দিকে একটি নতুন লঞ্চ টার্মিনাল নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বুড়িগঙ্গার আদি রূপ ফিরিয়ে আনা হবে: শাজাহান খান

আপডেট সময় ১০:৫৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বুড়িগঙ্গার আদি রূপ ফিরিয়ে দেবার আশ্বাস দিয়েছেন নৌপরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান। সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও আশপাশে দখলদারদের কাছ থেকে নদী উদ্ধার করে এই আদি রূপ ফিরিয়ে আনার কথা বলেছেন তিনি। রবিবার বিকালে ঢাকা সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনাল ও তার আশপাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কাজ পরিদর্শন কালে এসব কথা মন্ত্রী।

টিপু সাহেবের ডগ নামে পরিচিত একটি অবৈধ স্থাপনা পরিদর্শন করে মন্ত্রী বলেন, ‘নদীর প্রায় ৬০০ ফুট জায়গা দখল করে ডগটি নির্মাণ করা হয়েছে। আবার ভূয়া দলিল তৈরি করে তারা জমির মালিকও দাবি করছে।’ অভিযানে ডগটি ভেঙে দিয়ে নদীরতে ফেলা বালু উঠিয়ে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে।

মন্ত্রী সেখানে যাওয়ার পর ডগের লোকজন মন্ত্রীকে নানা কাগজপত্র দেখিয়ে জমির মালিকানা দাবি করেন। কিন্তু এই কাগজগুলো ছিল জাল। পরে নদীর অবৈধ দখলদাররা তাদেরকে অন্য জায়গায় জমি দেয়ার আবদার জানান। তবে এতে কান দেননি মন্ত্রী।

নৌমন্ত্রী বলেন, ‘এই অবৈধ স্থাপনা একদিনে গড়ে উঠেনি। বহু বছর ধরে আস্তে আস্তে এ স্থাপনা গড়ে উঠেছে।’ বছরের পর বছর ধরে তারা নদীর জমি দখল করে খাচ্ছে। যারা তাদেরকে এ জমি লিজ দিয়েছে তারা অত্যন্ত জঘন্য কাজ করেছে।

টিপু সাহেবের ডগে কাজ করা কর্মচারী সাইফুল জানান, সেখানে একতলা একটি বাড়িও ছিল। তার মধ্যে লঞ্চ বানানোর যন্ত্রপাতি ছিলো। দুই দিন আগে বাড়িটি ভাঙা হয়েছে। সব যন্ত্রপাতি স্থানান্তর করা হয়েছে।

সরদঘাটে আরও একটি লঞ্চ টার্মিনাল করার কথাও জানান নৌমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘একটি টার্মিনাল থাকায় এখানে অনেক সমস্যা সৃষ্টি হয়। যাত্রীদেরও ভোগান্তির শিকার হতে হয়। তাই শ্মশান ঘাটের দিকে একটি নতুন লঞ্চ টার্মিনাল নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।’