ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ ‘আমি রুমিন ফারহানা, আমার কোনো দল লাগে না’ গুম হওয়া পরিবারের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান কালি নয়, জুলাই জাতীয় সনদ ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে’ লেখা হয়েছে : আলী রীয়াজ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন লুৎফুজ্জামান বাবরের স্ত্রী ওসমানী মেডিকেলে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলা, চলছে কর্মবিরতি নির্বাচন ব্যর্থ হলে শুধু সরকার নয়, পুরো দেশবাসীকেই এর ভয়াবহ খেসারত দিতে হবে : দুদু আন্দোলনের সুফল একটি দলের ঘরে নেওয়ার চেষ্টা বিফলে যাবে : ডা. জাহিদ ঢাকাকে হারিয়ে প্লে-অফ নিশ্চিত করল রংপুর রাইডার্স খালেদা জিয়ার আদর্শই হবে আগামীর চালিকাশক্তি : খন্দকার মোশাররফ

জয়ললিতার মৃত্যু নিয়ে নতুন রহস্য, ভিডিও

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর ছয়বারের মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা জয়রামের মৃত্যু নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। জয়লিলিতা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এই হাসপাতালের চেয়ারম্যানের দেয়া নতুন তথ্যে জয়ললিতার মৃত্যু নিয়ে নতুন করে রহস্য দেখা দিয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, মৃত্যুর আগে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা যে ৭৫ দিন অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, তখন হাসপাতালের সমস্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রাখা হয়েছিল। ২৪ বেডের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) একমাত্র রোগী ছিলেন জয়ললিতা।

বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে অ্যাপোলো ইন্টারন্যাশনাল কলোরেক্টাল সিম্পোসিয়াম ২০১৮-র সাংবাদিক সম্মেলনের ফাঁকে হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. প্রতাপ সিং রেড্ডি এ কথা জানিয়ে বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জয়ললিতার মৃত্যুর দায়িত্বে থাকা বিচারপতি এ আরুমুগাস্বামী কমিশনকে প্রয়োজনীয় যাবতীয় নথি পেশ করেছে। ২০১৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন জয়ললিতা। ৪ ডিসেম্বর তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরদিন তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ডাক্তাররা।

তিনি সিসিটিভি ফুটেজ পেশ করেছেন কি না এই প্রশ্নের উত্তরে রেড্ডি জানান, ‘আমি দুঃখিত। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওরা ৭৫ দিন সমস্ত সিসিটিভি বন্ধ করে রেখেছিল। তিনি ভর্তি হওয়ার পরই আইসিইউ-তে সবার প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। সমস্ত রোগীকে অন্য আইসিইউ-তে সরিয়ে নেয়া হয়। এই আইসিইউ-তে শুধুমাত্র তিনিই ছিলেন। আইসিইউ-র ২৪টি বেডের মধ্যে শুধুমাত্র একটি তিনি ব্যবহার করতেন।’

তার সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দেয়া হত না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তার কথায়, ‘হাসপাতালে আমরা একটাই নীতি মেনে চলতাম। খুব অল্প সময়ের জন্য আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা করা ছাড়া আর কারও ঢুকতে দেয়া হত না। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় কাউকে ঢুকতে দেয়া হত না। আত্মীয়স্বজনরা চাইলে ডাক্তারের অনুমতি নিয়ে কাউকে ঢোকাতে পারতেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকদের শান্তিতে নির্বাচন করতে দেব না: আসিফ মাহমুদ

জয়ললিতার মৃত্যু নিয়ে নতুন রহস্য, ভিডিও

আপডেট সময় ১১:৪২:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের দক্ষিণাঞ্চলীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর ছয়বারের মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা জয়রামের মৃত্যু নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হয়েছে। জয়লিলিতা মৃত্যুর আগ পর্যন্ত চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এই হাসপাতালের চেয়ারম্যানের দেয়া নতুন তথ্যে জয়ললিতার মৃত্যু নিয়ে নতুন করে রহস্য দেখা দিয়েছে।

তিনি জানিয়েছেন, মৃত্যুর আগে তামিলনাড়ুর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা যে ৭৫ দিন অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন, তখন হাসপাতালের সমস্ত সিসিটিভি ক্যামেরা বন্ধ রাখা হয়েছিল। ২৪ বেডের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) একমাত্র রোগী ছিলেন জয়ললিতা।

বৃহস্পতিবার চেন্নাইয়ে অ্যাপোলো ইন্টারন্যাশনাল কলোরেক্টাল সিম্পোসিয়াম ২০১৮-র সাংবাদিক সম্মেলনের ফাঁকে হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা. প্রতাপ সিং রেড্ডি এ কথা জানিয়ে বলেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জয়ললিতার মৃত্যুর দায়িত্বে থাকা বিচারপতি এ আরুমুগাস্বামী কমিশনকে প্রয়োজনীয় যাবতীয় নথি পেশ করেছে। ২০১৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর থেকে অ্যাপোলো হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন জয়ললিতা। ৪ ডিসেম্বর তিনি হৃদরোগে আক্রান্ত হন। পরদিন তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন ডাক্তাররা।

তিনি সিসিটিভি ফুটেজ পেশ করেছেন কি না এই প্রশ্নের উত্তরে রেড্ডি জানান, ‘আমি দুঃখিত। দুর্ভাগ্যজনকভাবে ওরা ৭৫ দিন সমস্ত সিসিটিভি বন্ধ করে রেখেছিল। তিনি ভর্তি হওয়ার পরই আইসিইউ-তে সবার প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেয়া হয়। সমস্ত রোগীকে অন্য আইসিইউ-তে সরিয়ে নেয়া হয়। এই আইসিইউ-তে শুধুমাত্র তিনিই ছিলেন। আইসিইউ-র ২৪টি বেডের মধ্যে শুধুমাত্র একটি তিনি ব্যবহার করতেন।’

তার সঙ্গে কাউকে দেখা করতে দেয়া হত না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

তার কথায়, ‘হাসপাতালে আমরা একটাই নীতি মেনে চলতাম। খুব অল্প সময়ের জন্য আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা করা ছাড়া আর কারও ঢুকতে দেয়া হত না। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক থাকায় কাউকে ঢুকতে দেয়া হত না। আত্মীয়স্বজনরা চাইলে ডাক্তারের অনুমতি নিয়ে কাউকে ঢোকাতে পারতেন।’