ঢাকা ০৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াওর পদত্যাগ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াও বুধবার হঠাৎ করে পদত্যাগ করেছেন বলে তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত ৭১ বছর বয়সী চিয়াও গত কয়েক মাস ধরে বয়সের কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগ হয়ে পড়েছেন।

দেশটির ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পর ২০১৬ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে তাকে এক ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখা হতো। স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকেই দেশটির কার্যত নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

কারো সন্তান অন্য দেশের নাগরিক হলে তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। সু চির দুই সন্তান ব্রিটেনের নাগরিক। সু চির শৈশবের বন্ধু ও তার দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা তিন চিয়াওকে তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

২০১৫ সালের নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি ব্যাপক বিজয় পেয়েছিল। পদত্যাগের ঘোষণায় তিন চিয়াও বলেন, তিনি বিশ্রাম নিতে চান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াওর পদত্যাগ

আপডেট সময় ১২:০৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াও বুধবার হঠাৎ করে পদত্যাগ করেছেন বলে তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত ৭১ বছর বয়সী চিয়াও গত কয়েক মাস ধরে বয়সের কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগ হয়ে পড়েছেন।

দেশটির ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পর ২০১৬ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে তাকে এক ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখা হতো। স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকেই দেশটির কার্যত নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

কারো সন্তান অন্য দেশের নাগরিক হলে তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। সু চির দুই সন্তান ব্রিটেনের নাগরিক। সু চির শৈশবের বন্ধু ও তার দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা তিন চিয়াওকে তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

২০১৫ সালের নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি ব্যাপক বিজয় পেয়েছিল। পদত্যাগের ঘোষণায় তিন চিয়াও বলেন, তিনি বিশ্রাম নিতে চান।