ঢাকা ০৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘ডাকসু ছিল মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’:জামায়াত নেতার পোস্টাল ব্যালট ডাকাতি হতে দেখা যাচ্ছে: তারেক রহমান ‘হ্যাঁ’ মানে আজাদি, ‘না’ মানে গোলামি : জামায়াত আমির বিএনপির সমাবেশে অসুস্থ হয়ে কিশোরের মৃত্যু, আহত আরও ২ চমেকে ভর্তি শেখ হাসিনাকে বক্তব্য দিতে দেওয়া বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সিট দেওয়ার মালিক আল্লাহ ও জনগণ : মির্জা আব্বাস ‘নিরাপত্তা উদ্বেগ সমাধান না হওয়াটা দুঃখজনক’:মোহাম্মদ ইউসুফ ‘বাপ-দাদাদের জমি বিক্রি করে রাজনীতি করি,আপনাদের আমানতের খেয়ানত করবো না’:মির্জা ফখরুল আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগ নয়, সরকার অপরাধীদের জামিনের বিরুদ্ধে : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা পোস্টাল ব্যালট ব্যবস্থার ত্রুটির বিষয়ে ইসির নীরবতা প্রশ্নবিদ্ধ: নজরুল ইসলাম

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াওর পদত্যাগ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াও বুধবার হঠাৎ করে পদত্যাগ করেছেন বলে তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত ৭১ বছর বয়সী চিয়াও গত কয়েক মাস ধরে বয়সের কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগ হয়ে পড়েছেন।

দেশটির ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পর ২০১৬ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে তাকে এক ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখা হতো। স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকেই দেশটির কার্যত নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

কারো সন্তান অন্য দেশের নাগরিক হলে তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। সু চির দুই সন্তান ব্রিটেনের নাগরিক। সু চির শৈশবের বন্ধু ও তার দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা তিন চিয়াওকে তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

২০১৫ সালের নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি ব্যাপক বিজয় পেয়েছিল। পদত্যাগের ঘোষণায় তিন চিয়াও বলেন, তিনি বিশ্রাম নিতে চান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ডাকসু ছিল মাদকের আড্ডা-বেশ্যাখানা’:জামায়াত নেতার

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াওর পদত্যাগ

আপডেট সময় ১২:০৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াও বুধবার হঠাৎ করে পদত্যাগ করেছেন বলে তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত ৭১ বছর বয়সী চিয়াও গত কয়েক মাস ধরে বয়সের কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগ হয়ে পড়েছেন।

দেশটির ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পর ২০১৬ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে তাকে এক ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখা হতো। স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকেই দেশটির কার্যত নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

কারো সন্তান অন্য দেশের নাগরিক হলে তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। সু চির দুই সন্তান ব্রিটেনের নাগরিক। সু চির শৈশবের বন্ধু ও তার দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা তিন চিয়াওকে তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

২০১৫ সালের নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি ব্যাপক বিজয় পেয়েছিল। পদত্যাগের ঘোষণায় তিন চিয়াও বলেন, তিনি বিশ্রাম নিতে চান।