ঢাকা ০৩:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬, ১৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ‘জনমুখী স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে চিকিৎসকদের সক্রিয় সহযোগিতা প্রয়োজন’:মির্জা ফখরুল লন্ডনে প্রকাশ্যে ডাব খাওয়ার সময় তোপের মুখে সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে: সার্জিও গর কু‌ড়িগ্রা‌মে এন‌সি‌পির মি‌ছি‌লে হামলা, আহত ১০ আলিফের চোখ ফেরত দিন, আমরা চুপ হয়ে যাব: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী রামপুরায় চলন্ত বাসে উঠতে গিয়ে যাত্রীর মৃত্যু জামালপুরে ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ ফাঁসি দিয়ে দেন, মৃত্যুর জন্য প্রস্তুত আছি- ট্রাইব্যুনালে বললেন লতিফ সিদ্দিকী ৬০ লাখ টাকায়ও মেলেনি মুক্তি, আরও ২৭ লাখ দিতে দেরি হওয়ায় হত্যা

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াওর পদত্যাগ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াও বুধবার হঠাৎ করে পদত্যাগ করেছেন বলে তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত ৭১ বছর বয়সী চিয়াও গত কয়েক মাস ধরে বয়সের কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগ হয়ে পড়েছেন।

দেশটির ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পর ২০১৬ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে তাকে এক ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখা হতো। স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকেই দেশটির কার্যত নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

কারো সন্তান অন্য দেশের নাগরিক হলে তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। সু চির দুই সন্তান ব্রিটেনের নাগরিক। সু চির শৈশবের বন্ধু ও তার দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা তিন চিয়াওকে তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

২০১৫ সালের নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি ব্যাপক বিজয় পেয়েছিল। পদত্যাগের ঘোষণায় তিন চিয়াও বলেন, তিনি বিশ্রাম নিতে চান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিনিয়োগনির্ভর ও উৎপাদনমুখী অর্থনীতি গড়ে তুলতে চায় সরকার : পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াওর পদত্যাগ

আপডেট সময় ১২:০৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াও বুধবার হঠাৎ করে পদত্যাগ করেছেন বলে তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত ৭১ বছর বয়সী চিয়াও গত কয়েক মাস ধরে বয়সের কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগ হয়ে পড়েছেন।

দেশটির ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পর ২০১৬ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে তাকে এক ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখা হতো। স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকেই দেশটির কার্যত নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

কারো সন্তান অন্য দেশের নাগরিক হলে তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। সু চির দুই সন্তান ব্রিটেনের নাগরিক। সু চির শৈশবের বন্ধু ও তার দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা তিন চিয়াওকে তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

২০১৫ সালের নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি ব্যাপক বিজয় পেয়েছিল। পদত্যাগের ঘোষণায় তিন চিয়াও বলেন, তিনি বিশ্রাম নিতে চান।