ঢাকা ০১:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ নির্বাচন ব্যবস্থায় কোনো নিরপেক্ষতা দেখছি না: জি এম কাদের সংবিধানের দুর্বলতা দূর করতেই গণভোট: আলী রীয়াজ নির্বাচনে ‘অনিয়ম’ হলেই কেবল জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর এটি গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন: আসিফ নজরুল ওরা দেশকে ভালোবাসার নামে আমেরিকার সঙ্গে গোপন বৈঠক করে: চরমোনাই পীর বিশ্বকাপে বাংলাদেশে বাদকে দিয়ে স্কটল্যান্ডকে নিলো আইসিসি প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তিতে সংলাপ জরুরি : শিক্ষা উপদেষ্টা আমার কোনো প্রতিশ্রুতি নেই, যা প্রয়োজন তাই করব: মির্জা আব্বাস নির্বাচন কমিশন নিরপেক্ষ না থাকলে নির্বাচন সুষ্ঠু হবে না : সুজন

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াওর পদত্যাগ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াও বুধবার হঠাৎ করে পদত্যাগ করেছেন বলে তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত ৭১ বছর বয়সী চিয়াও গত কয়েক মাস ধরে বয়সের কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগ হয়ে পড়েছেন।

দেশটির ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পর ২০১৬ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে তাকে এক ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখা হতো। স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকেই দেশটির কার্যত নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

কারো সন্তান অন্য দেশের নাগরিক হলে তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। সু চির দুই সন্তান ব্রিটেনের নাগরিক। সু চির শৈশবের বন্ধু ও তার দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা তিন চিয়াওকে তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

২০১৫ সালের নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি ব্যাপক বিজয় পেয়েছিল। পদত্যাগের ঘোষণায় তিন চিয়াও বলেন, তিনি বিশ্রাম নিতে চান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তারেক রহমানকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী বানাতে হবে, এটাই আমাদের স্বপ্ন: পার্থ

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াওর পদত্যাগ

আপডেট সময় ১২:০৬:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মার্চ ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট তিন চিয়াও বুধবার হঠাৎ করে পদত্যাগ করেছেন বলে তার কার্যালয় থেকে জানানো হয়েছে। হৃদরোগে আক্রান্ত ৭১ বছর বয়সী চিয়াও গত কয়েক মাস ধরে বয়সের কারণে দায়িত্ব পালনে অপারগ হয়ে পড়েছেন।

দেশটির ঐতিহাসিক গণতান্ত্রিক নির্বাচনের পর ২০১৬ সালে তিনি প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

তবে তাকে এক ধরনের আনুষ্ঠানিক প্রেসিডেন্ট হিসেবে দেখা হতো। স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চিকেই দেশটির কার্যত নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

কারো সন্তান অন্য দেশের নাগরিক হলে তিনি মিয়ানমারের প্রেসিডেন্ট হতে পারবেন না। সু চির দুই সন্তান ব্রিটেনের নাগরিক। সু চির শৈশবের বন্ধু ও তার দীর্ঘদিনের উপদেষ্টা তিন চিয়াওকে তার সবচেয়ে বিশ্বস্ত মানুষ হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে।

২০১৫ সালের নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি ব্যাপক বিজয় পেয়েছিল। পদত্যাগের ঘোষণায় তিন চিয়াও বলেন, তিনি বিশ্রাম নিতে চান।